ঢাকা ১০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিপিসির সাড়ে তিন মাসে লোকসান ১৭ হাজার ৩৯ কোটি টাকা: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ অভিযান সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপির এমপি মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অডিও ভাইরাল: অভিযোগ অস্বীকার গাইবান্ধায় সাইফুল্লাহ হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহীতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান: অবাঞ্ছিত ঘোষণা রাজশাহী কলেজে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অত্যন্ত সুকৌশলে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে : অলি আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

মান্দায় বেঞ্চ সংকটে প্রসাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান ব্যাহত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: নওগাঁর মান্দায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার অজুহাতে প্রসাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধিকাংশ বেঞ্চ সরিয়ে নেওয়ায় গত এক সপ্তাহ ধরে পাঠদান কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। শ্রেণিকক্ষ বেঞ্চশূন্য হয়ে পড়ায় প্রতিদিন প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা স্কুলে এসেও ক্লাস না করে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসের এমন ‘তুঘলকি’ সিদ্ধান্তে অভিভাবক ও স্থানীয় মহলে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মান্দা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র সাজানোর জন্য বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আসবাবপত্র সংগ্রহ করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রসাদপুর স্কুল থেকে সিংহভাগ বেঞ্চ নিয়ে যাওয়া হয়। ফলে স্কুলটিতে শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়লেও উপজেলার অন্য সব স্কুলে নিয়মিত পাঠদান চলছে। অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষা অফিসের পরিকল্পনাহীনতার কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে প্রসাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল হক বলেন, “শিক্ষা অফিসের নির্দেশেই অধিকাংশ বেঞ্চ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বসার জায়গা না থাকায় আমরা ক্লাস নিতে পারছি না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

এদিকে সরকারি একটি স্কুলে এভাবে ক্লাস বন্ধ থাকার ঘটনায় এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত এই সমস্যার সমাধান ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেন, “পরীক্ষার প্রয়োজনে বেঞ্চ নেওয়া হলেও তার জন্য পাঠদান বন্ধ থাকবে—এটি কাম্য নয়। আমি বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছি এবং দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিচ্ছি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মান্দায় বেঞ্চ সংকটে প্রসাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান ব্যাহত

আপডেট সময় : ০৩:১৩:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: নওগাঁর মান্দায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার অজুহাতে প্রসাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধিকাংশ বেঞ্চ সরিয়ে নেওয়ায় গত এক সপ্তাহ ধরে পাঠদান কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। শ্রেণিকক্ষ বেঞ্চশূন্য হয়ে পড়ায় প্রতিদিন প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা স্কুলে এসেও ক্লাস না করে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসের এমন ‘তুঘলকি’ সিদ্ধান্তে অভিভাবক ও স্থানীয় মহলে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মান্দা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র সাজানোর জন্য বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আসবাবপত্র সংগ্রহ করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রসাদপুর স্কুল থেকে সিংহভাগ বেঞ্চ নিয়ে যাওয়া হয়। ফলে স্কুলটিতে শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়লেও উপজেলার অন্য সব স্কুলে নিয়মিত পাঠদান চলছে। অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষা অফিসের পরিকল্পনাহীনতার কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে প্রসাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল হক বলেন, “শিক্ষা অফিসের নির্দেশেই অধিকাংশ বেঞ্চ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বসার জায়গা না থাকায় আমরা ক্লাস নিতে পারছি না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

এদিকে সরকারি একটি স্কুলে এভাবে ক্লাস বন্ধ থাকার ঘটনায় এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত এই সমস্যার সমাধান ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেন, “পরীক্ষার প্রয়োজনে বেঞ্চ নেওয়া হলেও তার জন্য পাঠদান বন্ধ থাকবে—এটি কাম্য নয়। আমি বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছি এবং দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিচ্ছি।”