শ্যামলীর কুখ্যাত চাঁদাবাজ যুবদল নেতা মঈন গ্রেফতার
- আপডেট সময় : ১১:৩৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
প্রসঙ্গ অনলাইন: রাজধানীর শ্যামলীর সেন্টার ফর কিডনি ডিসিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন (মঈন)কে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ সময় তার আরও ছয় সহযোগীকেও আটক করা হয়েছে। সোমবার সকালে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।
তিনি জানান, শ্যামলীর সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালকে কেন্দ্র করে হওয়া চাঞ্চল্যকর চাঁদাবাজির মামলার প্রধান অভিযুক্ত মঈনসহ মোট সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এর আগে গত ১১ এপ্রিল সিকেডি হাসপাতালের ওটি ইনচার্জ আবু হানিফ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে এক নম্বর আসামি করা হয়।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে বাদীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। দাবিকৃত অর্থ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১০ এপ্রিল সকালে শেরেবাংলা নগর থানাধীন শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে বাদীর বাসার সামনে গিয়ে দরজা খুলতে বলে মঈন ও তার সহযোগীরা। বাদীর স্ত্রী দরজা খুললে মঈন তাকে জানায়, চাঁদা বাবদ তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচ লাখ টাকা দিতে হবে। অন্যথায় বাদী ও তার স্ত্রীর ক্ষতি করা হবে বলে হুমকি দেয়।
বাদীর স্ত্রী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা উচ্ছৃঙ্খল আচরণ শুরু করে এবং চিৎকার-চেঁচামেচি করতে থাকে। এ সময় পরিস্থিতি বুঝতে পেরে বাদী বাড়ির অন্য একটি কক্ষে আশ্রয় নেন এবং সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে হাসপাতালে অবস্থানরত তার ছোট ভাইকে বিষয়টি জানান।
পরে তার ভাই বাসায় পৌঁছালে মঈনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭–৮ জন আসামি ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আশপাশে আরও লোকজন জড়ো করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।
অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় তারা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে, উচ্চস্বরে স্লোগান দেয়, গালাগালি করে এবং হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালায়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





















