ঢাকা ০৬:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৩২ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন:  প্রার্থী হচ্ছেন যে ৩ জন অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনে ১৩ খাতে ব্যর্থতার ফিরিস্তি তুলে ধরল এনসিপি লংমার্চ নিয়ে আইজিপির সঙ্গে ১১ দলের বৈঠক সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পিছিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রংপুরে শিক্ষক পরিবারে চার খুন, নেপথ্যে কী ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেত্রী ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম গড়তে পাইলট প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফেক পেজ থেকে অপতথ্য প্রচারের প্রতিবাদ মহিলা জামায়াতের

রাজশাহী মেডিকেলে আইসিইউর অপেক্ষায় ৫৬ শিশু, হামে আরেকজনের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ ৯৫ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হামে আক্রান্ত আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শিশুটির বাড়ি রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায়। এ নিয়ে রামেক হাসপাতালে হামে আক্রান্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল চারজনে।

হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস জানান, বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২২ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১৪ জন। বর্তমানে হাসপাতালে হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১১৭ জন শিশু। তাদের মধ্যে ১২ জন আইসিইউতে ভর্তি রয়েছে। এছাড়া আইসিইউ সেবার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে আরও ৫৬ জন শিশু।

এছাড়াও বড়দের জন্য আইসিইউ রয়েছে ২৮টি। বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আইসিইউ এর জন্য অপেক্ষামান রোগির সংখ্যা ৮৪ জন বলে জানান ডা. শংকর কে বিশ্বাস। দুপুর ১টায় তিনি হাসপাতালের হামে আক্রান্ত রোগিদের নিয়ে ব্রিফ করেন।

তিনি বলেন, ভর্তি রোগীদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া রাজশাহী, পাবনা ও নওগাঁ থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী এসেছে। বিভাগের বাইরে খুলনার কুষ্টিয়া ও ঢাকার রাজবাড়ী জেলা থেকেও রোগী ভর্তি হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের বেশিরভাগের বয়স দুই বছরের নিচে, যার মধ্যে অধিকাংশের বয়স ছয় মাস বা তারও কম। টিকা দেওয়ার বয়স আগের আগে আক্রান্ত ৬৫ শতাংশ।

হাসপাতালের মুখপাত্র জানান, পরিস্থিতি মোকাবেলায় চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ মেডিকেল টিম নিরলসভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে ৪০ শয্যার হাম আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি শিশু ওয়ার্ডে পৃথক আইসোলেশন কর্নার তৈরি করে সন্দেহভাজন রোগীদের সেখানে ভর্তি করা হচ্ছে।

ডা. শংকর কে বিশ্বাস আরও বলেন, রোগীর চাপ বাড়তে থাকলে পুরো একটি শিশু ওয়ার্ডকে হাম আইসোলেশন ইউনিটে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য সচিবের নির্দেশনায় রাজশাহীর হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে আইসিইউতে থাকা হাম আক্রান্ত শিশুদের স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও হাসপাতালে আইসিইউতে হামে আক্রান্ত রোগীদের জন্য আরও সাতটি শয্যা বাড়ানোর কাজ চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজশাহী মেডিকেলে আইসিইউর অপেক্ষায় ৫৬ শিশু, হামে আরেকজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১১:৩৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হামে আক্রান্ত আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শিশুটির বাড়ি রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায়। এ নিয়ে রামেক হাসপাতালে হামে আক্রান্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল চারজনে।

হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস জানান, বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২২ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১৪ জন। বর্তমানে হাসপাতালে হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১১৭ জন শিশু। তাদের মধ্যে ১২ জন আইসিইউতে ভর্তি রয়েছে। এছাড়া আইসিইউ সেবার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে আরও ৫৬ জন শিশু।

এছাড়াও বড়দের জন্য আইসিইউ রয়েছে ২৮টি। বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আইসিইউ এর জন্য অপেক্ষামান রোগির সংখ্যা ৮৪ জন বলে জানান ডা. শংকর কে বিশ্বাস। দুপুর ১টায় তিনি হাসপাতালের হামে আক্রান্ত রোগিদের নিয়ে ব্রিফ করেন।

তিনি বলেন, ভর্তি রোগীদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া রাজশাহী, পাবনা ও নওগাঁ থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী এসেছে। বিভাগের বাইরে খুলনার কুষ্টিয়া ও ঢাকার রাজবাড়ী জেলা থেকেও রোগী ভর্তি হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের বেশিরভাগের বয়স দুই বছরের নিচে, যার মধ্যে অধিকাংশের বয়স ছয় মাস বা তারও কম। টিকা দেওয়ার বয়স আগের আগে আক্রান্ত ৬৫ শতাংশ।

হাসপাতালের মুখপাত্র জানান, পরিস্থিতি মোকাবেলায় চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ মেডিকেল টিম নিরলসভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে ৪০ শয্যার হাম আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি শিশু ওয়ার্ডে পৃথক আইসোলেশন কর্নার তৈরি করে সন্দেহভাজন রোগীদের সেখানে ভর্তি করা হচ্ছে।

ডা. শংকর কে বিশ্বাস আরও বলেন, রোগীর চাপ বাড়তে থাকলে পুরো একটি শিশু ওয়ার্ডকে হাম আইসোলেশন ইউনিটে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য সচিবের নির্দেশনায় রাজশাহীর হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে আইসিইউতে থাকা হাম আক্রান্ত শিশুদের স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও হাসপাতালে আইসিইউতে হামে আক্রান্ত রোগীদের জন্য আরও সাতটি শয্যা বাড়ানোর কাজ চলছে।