যাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব
- আপডেট সময় : ০৩:৩৭:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
ওলামা মাশায়েখদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাত ব্যবস্থাপনার বিষয়টি আপনাদের কাছে যৌক্তিক মনে হলে এ ব্যাপারে বিত্তবানদের সচেতন করার ক্ষেত্রে আপনারা ওলামা মাশায়েখরা সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে পারেন।
তিনি বলেন, ‘যাকাতকে দারিদ্র্য বিমোচনে ব্যবহার করে ইসলামী বিশ্বে বাংলাদেশকে একটি মডেল হিসেবে উপস্থাপনের সুযোগ রয়েছে বলে আমি মনে করি।’
তারেক রহমান বলেন, বিভিন্ন গবেষণা রিপোর্টে দেখা গেছে, প্রতি বছর বাংলাদেশে যাকাতের পরিমাণ ২০/২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি হয়ে থাকে। কেউ কেউ এর পরিমাণ আরো অনেক বেশি বলেছেন। তবে সুপরিকল্পিত এবং সুসংগঠিতভাবে যাকাত বণ্টন না করায় বিত্তবান ব্যক্তির যাকাত আদায় হয়ে গেলেও যাকাতের অর্থ দারিদ্র্য বিমোচনে কতটা ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছে এটি একটি বড় প্রশ্ন।
তিনি বলেন, পবিত্র রমজান ত্যাগ এবং সংযমের মাস। রহমত-বারকাত-সংযমের মাস। অথচ অপ্রিয় হলেও সত্য রমজান এলেই আমাদের কেউ কেউ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেন। এই মাসকে লোভ-লাভের মাস বানিয়ে ফেলেন। পবিত্র মাসেও যারা অসাধু পন্থা অবলম্বন করছেন আপনাদের প্রতি আমার বিনীত আহ্বান, অনুগ্রহ করে আপনারা মানুষের কষ্টের কারণ হবেন না।
তিনি আরো বলেন, আলেম ওলামা মাশায়েখ এবং এতিমদের সম্মানে আমরা সাধারণত পবিত্র রমজানের প্রথম দিনেই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে থাকি। তবে দেশের চলমান বাস্তবতায় এবার আমাদেরকে একটু দেরি করেই আপনাদের সঙ্গে নিয়ে ইফতারের আয়োজন করতে হয়েছে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতিটির কারণে গ্যাস বিদ্যুৎ জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যয় সংকোচন এবং কৃচ্ছ্র সাধনের অংশ হিসেবে এবারের রোজায় আজ এবং গতকালের ইফতার মাহফিলসহ মোট দুটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছি। বৈশ্বিক পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এবারের রোজায় এটিই হয়তো শেষ ইফতার মাহফিল হবে।











