রোববার (১ মার্চ) রাত পৌনে ১২টায় যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির নির্দেশে সহদফতর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যক্তির অপরাধ বা অপকর্মে দায় সংগঠন বহন করবে না।এর আগে, রোববার সন্ধ্যায় নগরীর প্রেসক্লাবের সামনে ক্যাবল ওয়ান অফিসে এই হামলা হয়।
ক্যাবল ওয়ানের ব্যবস্থাপক পরাগ জানান, নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কামাল কাছনা এলাকার ক্যাবল ওয়ানের ফিড মালিক হারুন অর রশিদকে বাদ দিয়ে জেলা যুবদলের সহ-সম্পাদক তামজিদুর রহমান গালিবকে দেয়ার জন্য ওয়ান কর্তৃপক্ষকে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২৩ ফেব্রুয়ারি কামাল কাছনা এলাকার ডিসের লাইন কেটে দেন গালিব ও তার বাহিনী। বিষয়টি নিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগী ফিড মালিকের স্ত্রী।
ব্যবস্থাপক পরাগ বলেন, ‘এই ঘটনার জেরে রোববার সন্ধ্যায় গালিব তার বাহিনী নিয়ে ক্যাবল ওয়ান অফিসে হামলা চালান। ল্যাপটপসহ প্রয়োজনীয় ডিসের সরঞ্জামাদি ভাঙচুর করে। এ সময় তারা আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করে বলে, আগামীকালের মধ্যে হারুনকে বাদ দিয়ে গালিবকে ফিড না দেয়া হলে ভাঙচুর করা হবে।’
ক্যাবল ওয়ানের জিএম কাফি বলেন, ‘এ সময় হামলাকারীরা আমাকে মোবাইলফোনে আগামীকালের মধ্যে ফিডের নিয়ন্ত্রণ গালিবকে দেয়া না হলে আমার পরিবারসহ আমাকে গুলি করে হত্যার হুমকিও দেয়। এই অবস্থায় সব কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন এবং অফিস তালাবদ্ধ করে তারা পালিয়ে যান। কর্মকর্তা-কর্মচারী না থাকার কারণে রংপুরে আমাদের সিগন্যালের সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। আমরা সবাই এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
এ বিষয়ে মালিকপক্ষের সাথে আলোচনা করে রাতের মধ্যেই মামলা করা হবে বলেও জানান কাফি। ঘটনার পর ক্যাবল ওয়ান অফিস পরিদর্শন করেছে মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল। মহানগর পুলিশ কমিশনার মসজিদ আলী বলেন, ‘ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটে আমরা জব্দ করেছি। এছাড়াও প্রয়োজনীয় আলামত জব্দ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা মামলা দিলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেবো।’





















