ঢাকা ০৫:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির পরাজয়ের কারণ দলীয় লোকের প্রতারণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২২:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

প্রসঙ্গ নিউজ ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে নিজ দলের কিছু লোকজনের প্রতারণার কারণে বিএনপির পরাজয় হয়েছে। এ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি পুরো উপজেলায় এখন সাধারণ লোকজনের মাঝেও চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা।

এ আসনে এবার জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. আব্দুল বারী সরদার বিজয়ী হয়েছেন। বিপুল জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও আসনটিতে মাত্র ৫ হাজার ৭৬৫ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির প্রার্থী ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া পরাজিত হন।

১৬টি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌরসভা নিয়ে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনটি গঠিত। আসনটি বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি ছিল। এখানে অতীতে জামায়াতে ইসলামীর তেমন কোনো প্রভাব ছিল না বললেই চলে। দেশ স্বাধীনের পর থেকে বরাবরই আওয়ামী লীগ বা বিএনপি বিজয়ী হয়েছে এখানে। এবার বিএনপির জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল বলে দলটির নেতাকর্মীদের ধারণা ছিল। বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ পরাজয়ের পেছনে মূল কারণ দলীয় কোন্দল আর নিজ দলের এক নেতা ও তার অনুসারীদের চরম প্রতারণা।

ভবানীগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তফসীল ঘোষণার আগে এই আসনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক কামাল হোসেন এবং জেলা যুবদলের সদস্য সচিব রেজাউল করিম টুটুলসহ বিএনপি থেকে মোট ১১ জন নেতা মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তাদের মধ্যে মাঠপর্যায়ে জরিপে তৃনমূলের একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া দলীয় মনোনয়ন পান। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর মনোনয়ন বঞ্চিতরা ডিএম জিয়ার পক্ষে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করলেও তাদের অনুসারীরা গোপনে বিরোধিতা করেছেন। তাদের অনেকেই প্রকাশ্যে ধানের শীষের বিরোধীতা করেছে। অনেকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে বলেছে। যার ফলে এ আসনটিতে বিএনপির পরাজয় ঘটেছে।’’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির পরাজয়ের কারণ দলীয় লোকের প্রতারণা

আপডেট সময় : ০৩:২২:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রসঙ্গ নিউজ ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে নিজ দলের কিছু লোকজনের প্রতারণার কারণে বিএনপির পরাজয় হয়েছে। এ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি পুরো উপজেলায় এখন সাধারণ লোকজনের মাঝেও চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা।

এ আসনে এবার জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. আব্দুল বারী সরদার বিজয়ী হয়েছেন। বিপুল জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও আসনটিতে মাত্র ৫ হাজার ৭৬৫ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির প্রার্থী ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া পরাজিত হন।

১৬টি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌরসভা নিয়ে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনটি গঠিত। আসনটি বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি ছিল। এখানে অতীতে জামায়াতে ইসলামীর তেমন কোনো প্রভাব ছিল না বললেই চলে। দেশ স্বাধীনের পর থেকে বরাবরই আওয়ামী লীগ বা বিএনপি বিজয়ী হয়েছে এখানে। এবার বিএনপির জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল বলে দলটির নেতাকর্মীদের ধারণা ছিল। বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ পরাজয়ের পেছনে মূল কারণ দলীয় কোন্দল আর নিজ দলের এক নেতা ও তার অনুসারীদের চরম প্রতারণা।

ভবানীগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তফসীল ঘোষণার আগে এই আসনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক কামাল হোসেন এবং জেলা যুবদলের সদস্য সচিব রেজাউল করিম টুটুলসহ বিএনপি থেকে মোট ১১ জন নেতা মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তাদের মধ্যে মাঠপর্যায়ে জরিপে তৃনমূলের একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া দলীয় মনোনয়ন পান। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর মনোনয়ন বঞ্চিতরা ডিএম জিয়ার পক্ষে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করলেও তাদের অনুসারীরা গোপনে বিরোধিতা করেছেন। তাদের অনেকেই প্রকাশ্যে ধানের শীষের বিরোধীতা করেছে। অনেকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে বলেছে। যার ফলে এ আসনটিতে বিএনপির পরাজয় ঘটেছে।’’