মুফতি আলী হাসান উসামা এ সময় বলেন, সমস্ত ইসলামি রাজনৈতিক দলের লক্ষ্যই হলো- আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা। জামায়াতে ইসলামীও এর ব্যতিক্রম নয়। তাদের স্লোগানই হলো- আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই। হ্যাঁ, বিদ্যমান কাঠামোর ভেতরে থেকে একদিনেই আমূল পরিবর্তন সম্ভব নয়। কিন্তু সংস্কারের বীজ বপন করলে একদিন তা বৃহৎ মহীরুহে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন অন্য সংগঠন ও রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে আমার এই অনুভূতিই হয়েছে- বাংলাদেশে ইসলামি রাজনীতির অঙ্গনে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় নাম জামায়াতে ইসলামী। আল্লাহ আমাকে যে জ্ঞান, যোগ্যতা ও প্রতিভা দিয়েছেন, তা এ সংগঠনে কাজে লাগালে ইকামতে দ্বীনের কাজ আরো গতিশীল হবে ইনশাআল্লাহ। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি থাকলে তাও সংস্কার হবে ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি এখানে এত বৃহৎ পরিসর রয়েছে যে, নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করলেও এক জীবনে কাজ শেষ হনে না।
শাইখুল হাদিস বলেন, যারাই ইকামাতে দ্বীনের জন্য কাজ করে, তাদের সবার জন্যই নিরন্তর শুভকামনা। কারও প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। নিজের খেদমতের পরিসর বিস্তৃত করার জন্য এবং নিষ্ফলা মাঠের কৃষক না হয়ে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সংগঠনের হাত শক্তিশালী করে ইকামাতে দ্বীনের কাজকে গতিশীল করার জন্যই জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নেওয়া। হ্যাঁ, দ্বীনের পথ কখনোই মসৃণ ছিল না। তাই এ পথের সব বুলি ও গালি, প্রশংসা ও নিন্দাকেই আমরা উপভোগ করি এবং শোকর ও সবর উভয় পন্থায় রবকে খুশি করার আপ্রাণ চেষ্টা করি।




















