ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৩২ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন:  প্রার্থী হচ্ছেন যে ৩ জন অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনে ১৩ খাতে ব্যর্থতার ফিরিস্তি তুলে ধরল এনসিপি লংমার্চ নিয়ে আইজিপির সঙ্গে ১১ দলের বৈঠক সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পিছিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রংপুরে শিক্ষক পরিবারে চার খুন, নেপথ্যে কী ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেত্রী ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম গড়তে পাইলট প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফেক পেজ থেকে অপতথ্য প্রচারের প্রতিবাদ মহিলা জামায়াতের

জামায়াতে যোগ দেয়া নিয়ে যা বললেন মুফতি আলী হাসান উসামা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় ডেস্ক: গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামিতে যোগ দিয়েছেন শাইখুল হাদিস আল্লামা মুফতি আলী হাসান উসামা। এর আগে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় উলামা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। জামায়াতে যোগ দেয়া নিয়ে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দেশের জনপ্রিয় তরুণ এই বক্তার সঙ্গে কথা হয় আমার দেশ অনলাইনের।

মুফতি আলী হাসান উসামা এ সময় বলেন, সমস্ত ইসলামি রাজনৈতিক দলের লক্ষ্যই হলো- আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা। জামায়াতে ইসলামীও এর ব্যতিক্রম নয়। তাদের স্লোগানই হলো- আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই। হ্যাঁ, বিদ্যমান কাঠামোর ভেতরে থেকে একদিনেই আমূল পরিবর্তন সম্ভব নয়। কিন্তু সংস্কারের বীজ বপন করলে একদিন তা বৃহৎ মহীরুহে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন অন্য সংগঠন ও রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে আমার এই অনুভূতিই হয়েছে- বাংলাদেশে ইসলামি রাজনীতির অঙ্গনে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় নাম জামায়াতে ইসলামী। আল্লাহ আমাকে যে জ্ঞান, যোগ্যতা ও প্রতিভা দিয়েছেন, তা এ সংগঠনে কাজে লাগালে ইকামতে দ্বীনের কাজ আরো গতিশীল হবে ইনশাআল্লাহ। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি থাকলে তাও সংস্কার হবে ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি এখানে এত বৃহৎ পরিসর রয়েছে যে, নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করলেও এক জীবনে কাজ শেষ হনে না।

শাইখুল হাদিস বলেন, যারাই ইকামাতে দ্বীনের জন্য কাজ করে, তাদের সবার জন্যই নিরন্তর শুভকামনা। কারও প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। নিজের খেদমতের পরিসর বিস্তৃত করার জন্য এবং নিষ্ফলা মাঠের কৃষক না হয়ে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সংগঠনের হাত শক্তিশালী করে ইকামাতে দ্বীনের কাজকে গতিশীল করার জন্যই জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নেওয়া। হ্যাঁ, দ্বীনের পথ কখনোই মসৃণ ছিল না। তাই এ পথের সব বুলি ও গালি, প্রশংসা ও নিন্দাকেই আমরা উপভোগ করি এবং শোকর ও সবর উভয় পন্থায় রবকে খুশি করার আপ্রাণ চেষ্টা করি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জামায়াতে যোগ দেয়া নিয়ে যা বললেন মুফতি আলী হাসান উসামা

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
জাতীয় ডেস্ক: গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামিতে যোগ দিয়েছেন শাইখুল হাদিস আল্লামা মুফতি আলী হাসান উসামা। এর আগে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় উলামা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। জামায়াতে যোগ দেয়া নিয়ে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দেশের জনপ্রিয় তরুণ এই বক্তার সঙ্গে কথা হয় আমার দেশ অনলাইনের।

মুফতি আলী হাসান উসামা এ সময় বলেন, সমস্ত ইসলামি রাজনৈতিক দলের লক্ষ্যই হলো- আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা। জামায়াতে ইসলামীও এর ব্যতিক্রম নয়। তাদের স্লোগানই হলো- আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই। হ্যাঁ, বিদ্যমান কাঠামোর ভেতরে থেকে একদিনেই আমূল পরিবর্তন সম্ভব নয়। কিন্তু সংস্কারের বীজ বপন করলে একদিন তা বৃহৎ মহীরুহে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন অন্য সংগঠন ও রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে আমার এই অনুভূতিই হয়েছে- বাংলাদেশে ইসলামি রাজনীতির অঙ্গনে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় নাম জামায়াতে ইসলামী। আল্লাহ আমাকে যে জ্ঞান, যোগ্যতা ও প্রতিভা দিয়েছেন, তা এ সংগঠনে কাজে লাগালে ইকামতে দ্বীনের কাজ আরো গতিশীল হবে ইনশাআল্লাহ। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি থাকলে তাও সংস্কার হবে ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি এখানে এত বৃহৎ পরিসর রয়েছে যে, নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করলেও এক জীবনে কাজ শেষ হনে না।

শাইখুল হাদিস বলেন, যারাই ইকামাতে দ্বীনের জন্য কাজ করে, তাদের সবার জন্যই নিরন্তর শুভকামনা। কারও প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। নিজের খেদমতের পরিসর বিস্তৃত করার জন্য এবং নিষ্ফলা মাঠের কৃষক না হয়ে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সংগঠনের হাত শক্তিশালী করে ইকামাতে দ্বীনের কাজকে গতিশীল করার জন্যই জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নেওয়া। হ্যাঁ, দ্বীনের পথ কখনোই মসৃণ ছিল না। তাই এ পথের সব বুলি ও গালি, প্রশংসা ও নিন্দাকেই আমরা উপভোগ করি এবং শোকর ও সবর উভয় পন্থায় রবকে খুশি করার আপ্রাণ চেষ্টা করি।