ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে ২১ পিস ইয়াবাসহ কথিত সাংবাদিক ও বহিষ্কৃত যুবদল নেতা মিশাল আটক পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১৮৫৫ পদে নিয়োগে ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল সরকার জনগণের গণরায় উপেক্ষা করায় রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছি: এটিএম আজহারুল ইসলাম রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে শ্রমিক কল্যানের ষান্মাসিক রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত  পুলিশ সদস্যকে প্রকাশ্যে থাপ্পড় মারলেন ছাত্রদল নেতা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: ভারতের হুঁশিয়ারি কেন পে-স্কেল কবে, জানা গেল সম্ভাব্য সময় দেশের উন্নয়নে বিরোধী দলের সহযোগিতা দরকার : পানিসম্পদ মন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন

‘মাইনাস টু বা ফোর’ নিয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ৪৯ বার পড়া হয়েছে

প্রসঙ্গ অনলাইন: বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘মাইনাস টু বা মাইনাস ফোর’ কার্যকর করার সক্ষমতা কারোরই নেই । তিনি বলেন, ‘মাইনাস টু’ যেখান থেকে শুরু হয়েছে এবং যেটাকে এখন একেবারে মাইনাস ফোর পর্যন্ত নিয়ে গেছে, এটাকে একটা ফেইল প্রজেক্ট হিসেবে দেখি। এটা পলিটিক্যাল পার্টিগুলোকে আরো অনেক বেশি শক্তিশালী করেছে। রাজনীতিবিদদের রেলিভেন্সকে আরো অনেক বেশি সামনে নিয়ে এসেছে। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টক শোতে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এক/এগারোর সময় আমাদের দুটো বড় রাজনৈতিক দলের প্রধান সারির নেতাদের মাইনাস করার একটি চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু মাইনাস করা তো দূরেই থাক, পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ বিপুল বিক্রমে ১৫ বছর বিনা ভোটে বাংলাদেশকে রুল করতে পেরেছে। অন্যদিকে বিএনপির ভেঙে যাবে। বিএনপি এত দীর্ঘ সময় বিরোধী দলে কী করে থাকবে—এমন নানা রকম জল্পনা-কল্পনা থাকলেও বিএনপি দ্বিগুণ শক্তিতে ১৫ বছরে পলিটিক্যাল রেলিভেন্সকে আবার প্রমাণ করেছে।

বিএনপির এই নেত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা নিজেই নানা অনিয়ম অত্যাচার দুর্নীতি-দুঃশাসন-কারচুপি করে দেশের মানুষকে নাজেহাল করায় দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তার সেকেন্ড জেনারেশন কে করবে, মানে তার পরে তার পরিবারের কেউ আসবে কি না, এলে সেটা কে আসবে? সেটা কখনোই স্পষ্ট করা হয়নি। যদি ধরি দুজন আওয়ামী লীগ ও দুজন বিএনপি। তাহলে আওয়ামী লীগের নাম্বার টু টা কে? এটা আমরা জানি না। কখনো শুনি জয়, কখনো শুনি পুতুল, কখনো শুনি ববি, একেক সময় আমরা একেকটা নাম শুনি। কিন্তু কারোর ব্যাপারে খুব স্ট্রং কোনো এভিডেন্স বা স্ট্রং কোনো তথ্য থাকে না যে, হি ইজ দা সেকেন্ড ম্যান আফটার শেখ হাসিনা।’

তিনি আরো বলেন, “বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ভীষণ অসুস্থ। তিনি হাসপাতালে আছেন। কিন্তু তিনি এখনো আছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ওনার ব্যাপারে কিন্তু স্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে—নির্বাচনের আগেই উনি বাংলাদেশে আসবেন। তিনি নিজেও বিবিসির সাক্ষাৎকারে বলেছেন—‘আমি যেহেতু নির্বাচন করতে চাই। আমি যেহেতু বাংলাদেশের রাজনীতির সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত এবং বাংলাদেশের বৃহত্তম পলিটিক্যাল পার্টি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। আমি যত দ্রুত সম্ভব দেশে চলে যাব।’ সুতরাং আমার মনে হয় না মাইনাস টু বা মাইনাস ফোর যেটাই হোক, সেটা কার্যকর করার কোনো সক্ষমতা কারো আছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

‘মাইনাস টু বা ফোর’ নিয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় : ১১:৫৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

প্রসঙ্গ অনলাইন: বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘মাইনাস টু বা মাইনাস ফোর’ কার্যকর করার সক্ষমতা কারোরই নেই । তিনি বলেন, ‘মাইনাস টু’ যেখান থেকে শুরু হয়েছে এবং যেটাকে এখন একেবারে মাইনাস ফোর পর্যন্ত নিয়ে গেছে, এটাকে একটা ফেইল প্রজেক্ট হিসেবে দেখি। এটা পলিটিক্যাল পার্টিগুলোকে আরো অনেক বেশি শক্তিশালী করেছে। রাজনীতিবিদদের রেলিভেন্সকে আরো অনেক বেশি সামনে নিয়ে এসেছে। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টক শোতে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এক/এগারোর সময় আমাদের দুটো বড় রাজনৈতিক দলের প্রধান সারির নেতাদের মাইনাস করার একটি চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু মাইনাস করা তো দূরেই থাক, পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ বিপুল বিক্রমে ১৫ বছর বিনা ভোটে বাংলাদেশকে রুল করতে পেরেছে। অন্যদিকে বিএনপির ভেঙে যাবে। বিএনপি এত দীর্ঘ সময় বিরোধী দলে কী করে থাকবে—এমন নানা রকম জল্পনা-কল্পনা থাকলেও বিএনপি দ্বিগুণ শক্তিতে ১৫ বছরে পলিটিক্যাল রেলিভেন্সকে আবার প্রমাণ করেছে।

বিএনপির এই নেত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা নিজেই নানা অনিয়ম অত্যাচার দুর্নীতি-দুঃশাসন-কারচুপি করে দেশের মানুষকে নাজেহাল করায় দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তার সেকেন্ড জেনারেশন কে করবে, মানে তার পরে তার পরিবারের কেউ আসবে কি না, এলে সেটা কে আসবে? সেটা কখনোই স্পষ্ট করা হয়নি। যদি ধরি দুজন আওয়ামী লীগ ও দুজন বিএনপি। তাহলে আওয়ামী লীগের নাম্বার টু টা কে? এটা আমরা জানি না। কখনো শুনি জয়, কখনো শুনি পুতুল, কখনো শুনি ববি, একেক সময় আমরা একেকটা নাম শুনি। কিন্তু কারোর ব্যাপারে খুব স্ট্রং কোনো এভিডেন্স বা স্ট্রং কোনো তথ্য থাকে না যে, হি ইজ দা সেকেন্ড ম্যান আফটার শেখ হাসিনা।’

তিনি আরো বলেন, “বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ভীষণ অসুস্থ। তিনি হাসপাতালে আছেন। কিন্তু তিনি এখনো আছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ওনার ব্যাপারে কিন্তু স্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে—নির্বাচনের আগেই উনি বাংলাদেশে আসবেন। তিনি নিজেও বিবিসির সাক্ষাৎকারে বলেছেন—‘আমি যেহেতু নির্বাচন করতে চাই। আমি যেহেতু বাংলাদেশের রাজনীতির সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত এবং বাংলাদেশের বৃহত্তম পলিটিক্যাল পার্টি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। আমি যত দ্রুত সম্ভব দেশে চলে যাব।’ সুতরাং আমার মনে হয় না মাইনাস টু বা মাইনাস ফোর যেটাই হোক, সেটা কার্যকর করার কোনো সক্ষমতা কারো আছে।”