ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন বাগমারা’য় ৭ মাসের শিশু নিয়ে পালিয়েছে এক গৃহবধূ রাবি শিক্ষার্থীকে ছাত্রদল নেতার ছুরিকাঘাতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ হজ ক্যাম্পে চালু হলো লাগেজ র‌্যাপিং সেবা তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর আসামি গ্রেফতার মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ যায় নাকি আসে, প্রশ্ন আসিফের ঢাকায় ১০০ দিনের কাজের হিসাব দিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সংস্কারের পথ থেকে কি বিচ্যুত হচ্ছে বাংলাদেশ?: আল জাজিরার বিশ্লেষণ দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় বিরোধী দলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম সিটি কলেজের ঘটনায় রাজশাহীতে মহানগর শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল

সাবেক আইজিপি মামুন অন্যের ঘাড়ে বন্দুক রেখে বাঁচার চেষ্টা করছেন: ট্রাইব্যুনালে হাসিনার আইনজীবী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৭:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫ ৪৩ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন নিজের অপরাধ গোপন করে অন্যের ঘাড়ে বন্দুক রেখে বাঁচার জন্য অ্যাপ্রুভার হয়েছেন। এ ছাড়া তার জবানবন্দি রেকর্ড করার পদ্ধতিটি সঠিক ছিল না বলে মনে করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন।

বুধবার (২২ অক্টোবর) তৃতীয় দিনের যুক্তিতর্কে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের পক্ষে আনা অভিযোগসহ বিভিন্ন সাক্ষীর বক্তব্যের বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত এই আইনজীবী। এদিন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে তৃতীয় দিনের মতো আসামিপক্ষের আইনজীবী তার যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন।

আইনজীবী আমির হোসেন বলেন, ‘মামলার সাক্ষী মাহমুদ সাহেবের বক্তৃতা নিয়ে আমার যুক্তি হচ্ছে—উনি ভিন্ন মতাবলম্বী একজন ব্যক্তি। তিনি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধাচরণ করা একজন ব্যক্তি। শেখ হাসিনার শাসন— সব কিছুই তার ভালো লাগে না।’

তিনি বলেন, ‘যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা’—এ রকম একজন লোক। শেখ হাসিনাকে দেখতে পারেন না, অতএব তার যা কিছু আছে—তার চোখ বাঁকা, নাক বাঁকা, তার হাত বাঁকা, সব কিছুই ওনার কাছে এ রকম মনে হয়েছে। সেটা থেকেই তিনি বিস্তারিত বক্তব্য দিয়েছেন। ওনার ইতিহাস টেনে এনেছেন, কবে কী করেছেন বঙ্গবন্ধু, রক্ষীবাহিনী কী করেছে, এই যে ইতিহাসগুলো—ইতিপূর্বে এর প্রত্যেকটার জবাব আমি দিয়েছি। ইতিপূর্বে আর্গুমেন্ট করেছি, সেখানে ওনার যে বক্তব্যগুলো এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাবেক আইজিপি মামুন অন্যের ঘাড়ে বন্দুক রেখে বাঁচার চেষ্টা করছেন: ট্রাইব্যুনালে হাসিনার আইনজীবী

আপডেট সময় : ১০:২৭:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

জাতীয় ডেস্ক: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন নিজের অপরাধ গোপন করে অন্যের ঘাড়ে বন্দুক রেখে বাঁচার জন্য অ্যাপ্রুভার হয়েছেন। এ ছাড়া তার জবানবন্দি রেকর্ড করার পদ্ধতিটি সঠিক ছিল না বলে মনে করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন।

বুধবার (২২ অক্টোবর) তৃতীয় দিনের যুক্তিতর্কে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের পক্ষে আনা অভিযোগসহ বিভিন্ন সাক্ষীর বক্তব্যের বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত এই আইনজীবী। এদিন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে তৃতীয় দিনের মতো আসামিপক্ষের আইনজীবী তার যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন।

আইনজীবী আমির হোসেন বলেন, ‘মামলার সাক্ষী মাহমুদ সাহেবের বক্তৃতা নিয়ে আমার যুক্তি হচ্ছে—উনি ভিন্ন মতাবলম্বী একজন ব্যক্তি। তিনি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধাচরণ করা একজন ব্যক্তি। শেখ হাসিনার শাসন— সব কিছুই তার ভালো লাগে না।’

তিনি বলেন, ‘যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা’—এ রকম একজন লোক। শেখ হাসিনাকে দেখতে পারেন না, অতএব তার যা কিছু আছে—তার চোখ বাঁকা, নাক বাঁকা, তার হাত বাঁকা, সব কিছুই ওনার কাছে এ রকম মনে হয়েছে। সেটা থেকেই তিনি বিস্তারিত বক্তব্য দিয়েছেন। ওনার ইতিহাস টেনে এনেছেন, কবে কী করেছেন বঙ্গবন্ধু, রক্ষীবাহিনী কী করেছে, এই যে ইতিহাসগুলো—ইতিপূর্বে এর প্রত্যেকটার জবাব আমি দিয়েছি। ইতিপূর্বে আর্গুমেন্ট করেছি, সেখানে ওনার যে বক্তব্যগুলো এসেছে।