ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন বাগমারা’য় ৭ মাসের শিশু নিয়ে পালিয়েছে এক গৃহবধূ রাবি শিক্ষার্থীকে ছাত্রদল নেতার ছুরিকাঘাতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ হজ ক্যাম্পে চালু হলো লাগেজ র‌্যাপিং সেবা তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর আসামি গ্রেফতার মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ যায় নাকি আসে, প্রশ্ন আসিফের ঢাকায় ১০০ দিনের কাজের হিসাব দিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সংস্কারের পথ থেকে কি বিচ্যুত হচ্ছে বাংলাদেশ?: আল জাজিরার বিশ্লেষণ দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় বিরোধী দলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম সিটি কলেজের ঘটনায় রাজশাহীতে মহানগর শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল

গুমের শিকার ব্যক্তিরা ফিরে না আসা পর্যন্ত পাশে থাকবো: এম এ মালিক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫ ৪২ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় ডেস্ক: আগামীতে ক্ষমতায় এলে গুম-খুনের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্যের সভাপতি এমএ মালিক। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সংলগ্ন হাইকোর্ট ভবনের প্রধান গেটের সামনে ‘মায়ের ডাক’-আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

সীমান্তে ক্রসফায়ারে হত্যা থামেনি জানিয়ে মালিক বলেন, সীমান্তে এখনও ক্রসফায়ারে মানুষকে হত্যা করছে। কিন্তু এসব ঘটনা তেমন কোনো সংবাদমাধ্যমে আসছে না। এজন্য গুমের শিকার ব্যক্তিরা যতদিন পর্যন্ত ফিরে না আসবেন, ততদিন আমি তাদের পরিবারের সন্তানদের পাশে থাকবো। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে, আমরা ইনশাআল্লাহ সত্য-ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করবো । এছাড়া যারা গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, সেসব পরিবারকে আমরা পৃষ্ঠপোষকতার দায়িত্ব নেবো।

তিনি বলেন, গত ১৫ বছর দেশে গুম-খুন জারি ছিল। কিন্তু সরকার পরিবর্তন হলেও এখন কেন ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না তারা। তাদের সন্তানরা অনেকভাবেই লাঞ্ছিত ও অবহেলিত। এছাড়া বিগত সরকারের আমলে এই রাষ্ট্র একটা জেলে পরিণত ছিল। ভারতীয়রা তাদের একটা পাপের সরকার তৈরি করেছিল। আমাদের সালাহউদ্দিন কাদের সহ কাউকেই ছাড়েনি সেই পাপের সরকার। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও তারা ছাড়েনি।

দেশে এখনও ভারতীয় নিয়ম চলমান রয়েছে জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, নির্বাচন না হওয়ার জন্য আরেকটা গোষ্ঠী বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে আঁতাত করে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। বাংলাদেশের সাম্য-মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার পুনঃপ্রতিষ্ঠা যেন না হয়; তারা সেই পাঁয়তারা করছেন। তবে গণতান্ত্রিক সরকার না হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে না। বাংলাদেশের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে না। একইসঙ্গে জুলাই-আগস্টে শহীদ-আহতদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হবে।

মায়ের ডাকের সংঘটক সানজিদা ইসলাম তুলি বলেন, জোরপূর্বক গুমের ঘটনাগুলোর দ্রুত তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় অগ্রগতির দাবি জানানোর জন্যই আজকের এই আয়োজন। আমরা গুমের শিকার পরিবারের মুখে হাসি দেখতে চাই। তারা যেন এভাবে আর রাজপথে দাঁড়াতে না হয়।

মানববন্ধনে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম-খুনের ব্যক্তিদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। তারা তাদের নিখোঁজ স্বজনদের ফিরিয়ে দিতে সরকারের কাছে আকুতি জানান। একইসঙ্গে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি জানানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গুমের শিকার ব্যক্তিরা ফিরে না আসা পর্যন্ত পাশে থাকবো: এম এ মালিক

আপডেট সময় : ১২:৩১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
জাতীয় ডেস্ক: আগামীতে ক্ষমতায় এলে গুম-খুনের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্যের সভাপতি এমএ মালিক। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সংলগ্ন হাইকোর্ট ভবনের প্রধান গেটের সামনে ‘মায়ের ডাক’-আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

সীমান্তে ক্রসফায়ারে হত্যা থামেনি জানিয়ে মালিক বলেন, সীমান্তে এখনও ক্রসফায়ারে মানুষকে হত্যা করছে। কিন্তু এসব ঘটনা তেমন কোনো সংবাদমাধ্যমে আসছে না। এজন্য গুমের শিকার ব্যক্তিরা যতদিন পর্যন্ত ফিরে না আসবেন, ততদিন আমি তাদের পরিবারের সন্তানদের পাশে থাকবো। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে, আমরা ইনশাআল্লাহ সত্য-ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করবো । এছাড়া যারা গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, সেসব পরিবারকে আমরা পৃষ্ঠপোষকতার দায়িত্ব নেবো।

তিনি বলেন, গত ১৫ বছর দেশে গুম-খুন জারি ছিল। কিন্তু সরকার পরিবর্তন হলেও এখন কেন ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না তারা। তাদের সন্তানরা অনেকভাবেই লাঞ্ছিত ও অবহেলিত। এছাড়া বিগত সরকারের আমলে এই রাষ্ট্র একটা জেলে পরিণত ছিল। ভারতীয়রা তাদের একটা পাপের সরকার তৈরি করেছিল। আমাদের সালাহউদ্দিন কাদের সহ কাউকেই ছাড়েনি সেই পাপের সরকার। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও তারা ছাড়েনি।

দেশে এখনও ভারতীয় নিয়ম চলমান রয়েছে জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, নির্বাচন না হওয়ার জন্য আরেকটা গোষ্ঠী বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে আঁতাত করে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। বাংলাদেশের সাম্য-মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার পুনঃপ্রতিষ্ঠা যেন না হয়; তারা সেই পাঁয়তারা করছেন। তবে গণতান্ত্রিক সরকার না হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে না। বাংলাদেশের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে না। একইসঙ্গে জুলাই-আগস্টে শহীদ-আহতদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হবে।

মায়ের ডাকের সংঘটক সানজিদা ইসলাম তুলি বলেন, জোরপূর্বক গুমের ঘটনাগুলোর দ্রুত তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় অগ্রগতির দাবি জানানোর জন্যই আজকের এই আয়োজন। আমরা গুমের শিকার পরিবারের মুখে হাসি দেখতে চাই। তারা যেন এভাবে আর রাজপথে দাঁড়াতে না হয়।

মানববন্ধনে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম-খুনের ব্যক্তিদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। তারা তাদের নিখোঁজ স্বজনদের ফিরিয়ে দিতে সরকারের কাছে আকুতি জানান। একইসঙ্গে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি জানানো হয়।