ঢাকা ০৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাকসু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন ৩ শিক্ষক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৫৬ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক। নির্বাচনে নানা অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগ এনে তারা এ ঘোষণা দেন। এদিকে তারা তিনজনই জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সদস্য।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিন শিক্ষক হলেন- বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরীন ইসলাম খান।

অধ্যাপক শামীমা সুলতানা অভিযোগ করে বলেন, ‘ভোটারদের আঙুলে যে কালি ব্যবহার করা হচ্ছে তা স্থায়ী নয়, কয়েক মিনিটের মধ্যেই মুছে যাচ্ছে। নির্বাচনের দিন নতুন ভোটার বানানো হয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত ব্যালট ছাপানোর বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্য ছিল। আমাদের কাছে মনে হয়েছে আজকের নির্বাচন একটি সাজানো নাটক ছাড়া কিছুই নয়। তাই আমরা এ প্রহসন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাকসু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন ৩ শিক্ষক

আপডেট সময় : ১২:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাতীয় ডেস্ক: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক। নির্বাচনে নানা অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগ এনে তারা এ ঘোষণা দেন। এদিকে তারা তিনজনই জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সদস্য।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিন শিক্ষক হলেন- বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরীন ইসলাম খান।

অধ্যাপক শামীমা সুলতানা অভিযোগ করে বলেন, ‘ভোটারদের আঙুলে যে কালি ব্যবহার করা হচ্ছে তা স্থায়ী নয়, কয়েক মিনিটের মধ্যেই মুছে যাচ্ছে। নির্বাচনের দিন নতুন ভোটার বানানো হয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত ব্যালট ছাপানোর বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্য ছিল। আমাদের কাছে মনে হয়েছে আজকের নির্বাচন একটি সাজানো নাটক ছাড়া কিছুই নয়। তাই আমরা এ প্রহসন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’