ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত আমিরের ওপেন হার্ট সার্জারি আজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫ ৪৬ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় ডেস্ক: জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ওপেন হার্ট সার্জারি করা হবে শনিবার। এ দিন সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হবে। রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে বিশিষ্ট চিকিৎসক জাহাঙ্গীর কবিরের তত্ত্বাবধানে একটি টিম তার এই চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এর আগে এনজিওগ্রামে তার হার্টে কম বেশি ৬ টার মত ব্লক ধরা পড়ে। তার চিকিৎসা সফলতা ও সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকালে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াত আমিরের চিকিৎসার সর্বশেষ এই তথ্য তুলে ধরেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জনপ্রিয় নেতা, নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন সারথী হিসেবে বেশি পরিচিত। তার সাময়িক অসুস্থ হয়ে পড়া এবং পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর সর্বশেষ চিকিৎসা পরিস্থিতি জানাতেই এই প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে।

গোলাম পরওয়ার বলেন, গত ১৯ আগস্ট জাতীয় সমাবেশে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি দুই বার পড়ে গিয়েছিলেন। সেদিন থেকেই তার স্বাস্থ্য নিয়ে সবাই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। ঘটনার পর তাকে বেসরকারি একটি হাসপাতালে নেয়া হলে প্রাথমিক পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর চিকিৎসকরা ধারণা করেছিলেন যে, প্রচণ্ড গরমে পানিশূন্যতার কারণে এটা হয়েছিল। বড় কোন অসুবিধা তখন ধরা পড়েনি।

পরে সংগঠনের পক্ষ থেকে আমরা তার সবকিছু পরীক্ষার উদ্যোগ গ্রহণ করি। গত ৩০ তারিখে ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে তার এনজিওগ্রাম করা হয়। এতে তার হার্টে কিছু ব্লক ধরা পড়ে। চিকিৎসকদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি, হার্টের আর্টারিতে তিনটা ব্লক দেখা যাচ্ছে, যেটা খুব বেশি ৮৬ শতাংশ পর্যন্ত। আর কিছু ব্লক আছে ৬০ শতাংশের মত। সব মিলিয়ে ৫/৬ টা ব্লক আছে। আল্লাহর শুকরিয়া-এই পড়ে যাওয়া ও এত ব্লক ধরা পড়ার পরও উনি কোন ব্যথা বা কষ্ট অনুভব করছেন না।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সাধারণত, এনজিওগ্রামে ব্লক ধরা পড়লে প্রাথমিকভাবে রিং পরানোর উদ্যোগ নেয়া হয়। চিকিৎসকরা সেই চেষ্টা করতে গিয়ে দেখলেন যে, আর্টারির তিনটা ছাড়াও বাকি ব্লকগুলোর ধরণ একটু জটিল। তাতে রিং পরাতে গেলে বেশি ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এতে ভালোর চেয়ে হিতে বিপরীত হতে পারে। তারচেয়ে ওপেন হার্ট সার্জারি করে নেয়াটাই নিরাপদ মনে করেছেন।

তিনি বলেন, গত কয়েকদিনে দেশের সেরা চিকিৎসকদের বোর্ড করে আলোচনা এবং আমাদের দলের যেসব চিকিৎসক নেতা আছেন, তারমধ্যে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো: তাহের সহ অনেকের সঙ্গে আমরাও দফায় দফায় আলোচনা করে একটা ঐকমত্যে এসে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, তাকে ওপেন হার্ট সার্জারি করতে হবে। উনি নিজে, পরিবার এবং আমরা সর্বসম্মতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

কেউ কেউ বয়স বিবেচনায় এবং ব্লক বেশি হওয়ায় দেশের বাইরে নেয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি কোটি কোটি মানুষের কাছে পরিচিত। তিনি যদি দেশের বাইরে চলে যান, তাহলে জনগণের কাছে কি ম্যাসেজ যাবে? সাধারণ মানুষ মনে করবে, তাহলে আমাদের দেশের চিকিৎসকদের প্রতি আস্থা রাখা যাবে না। উনি সেটা মনে করেন না। উনি বলেছেন, দেশের চিকিৎসকদের প্রতি আমার আস্থা আছে, দেশেই চিকিৎসা নিতে চাই। তার এই মতামত চিকিৎসকরা গ্রহণ করেছেন এবং আমরাও একমত হয়েছি। ইউনাইটেড হাসপাতালেই তার চিকিৎসা হবে।

তিনি বলেন, আমরা মহান আল্লাহর সাহায্য কামনা করি। তার অন্যান্য শারীরিক অবস্থা ভাল আছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। চিকিৎসকরা অপারেশনের পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন।

গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রতিদিন যথেষ্ট দর্শনার্থী জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করার জন্য ভিড় করছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা আসছেন। কেউ সরাসরি আবার কেউ টেলিফোনে খবর নিচ্ছেন। প্রধান উপদেষ্টাসহ অনেক উপদেষ্টা খোঁজ নিয়েছেন। সেনা প্রধান খোঁজ নিয়েছেন। অনেক হাইকমিশনার খোঁজ নিয়েছেন। চিকিৎসকরা এই আসা-যাওয়া ও কথা বলা বন্ধের কথা বলেছেন। আমরা নির্বাহী কমিটির বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, উনি আর মোবাইলে কারও সঙ্গে কথা বলবেন না, তাকেও কেউ যেন ফোন না করেন। বৃহস্পতিবার থেকে আর দর্শনার্থী না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উনি নিজেও মনে করছেন, তার বিশ্রাম প্রয়োজন। তাই দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি- তাকে দেখার জন্য ভিড় বা কথা না বলে বাসায় থেকেই দোয়া করুন। নফল নামাজ ও রোজা রেখেও দোয়া করা যেতে পারে। উনি সুস্থ হয়ে আসার পর আবার দেখা হবে ইনশাআল্লাহ। অপারেশনের পর আমরা আরেকটি ব্রিফিং করবো ইনশাআল্লাহ। যারা দোয়া করেছেন, খোঁজ-খবর নিচ্ছেন সবার প্রতি জামায়াতের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

এ সময় জামায়াত আমিরের জন্য দোয়া করেন দলের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আজাদ, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, মোবারক হোসাইন, অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ, উপাধ্যক্ষ আব্দুর রব, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন প্রমুখ।

এদিকে জামায়াত আমিরের সুস্থতা কামনা করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দোয়া মাহফিল ও এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জামায়াত আমিরের ওপেন হার্ট সার্জারি আজ

আপডেট সময় : ১২:০১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫
জাতীয় ডেস্ক: জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ওপেন হার্ট সার্জারি করা হবে শনিবার। এ দিন সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হবে। রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে বিশিষ্ট চিকিৎসক জাহাঙ্গীর কবিরের তত্ত্বাবধানে একটি টিম তার এই চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এর আগে এনজিওগ্রামে তার হার্টে কম বেশি ৬ টার মত ব্লক ধরা পড়ে। তার চিকিৎসা সফলতা ও সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকালে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াত আমিরের চিকিৎসার সর্বশেষ এই তথ্য তুলে ধরেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জনপ্রিয় নেতা, নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন সারথী হিসেবে বেশি পরিচিত। তার সাময়িক অসুস্থ হয়ে পড়া এবং পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর সর্বশেষ চিকিৎসা পরিস্থিতি জানাতেই এই প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে।

গোলাম পরওয়ার বলেন, গত ১৯ আগস্ট জাতীয় সমাবেশে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি দুই বার পড়ে গিয়েছিলেন। সেদিন থেকেই তার স্বাস্থ্য নিয়ে সবাই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। ঘটনার পর তাকে বেসরকারি একটি হাসপাতালে নেয়া হলে প্রাথমিক পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর চিকিৎসকরা ধারণা করেছিলেন যে, প্রচণ্ড গরমে পানিশূন্যতার কারণে এটা হয়েছিল। বড় কোন অসুবিধা তখন ধরা পড়েনি।

পরে সংগঠনের পক্ষ থেকে আমরা তার সবকিছু পরীক্ষার উদ্যোগ গ্রহণ করি। গত ৩০ তারিখে ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে তার এনজিওগ্রাম করা হয়। এতে তার হার্টে কিছু ব্লক ধরা পড়ে। চিকিৎসকদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি, হার্টের আর্টারিতে তিনটা ব্লক দেখা যাচ্ছে, যেটা খুব বেশি ৮৬ শতাংশ পর্যন্ত। আর কিছু ব্লক আছে ৬০ শতাংশের মত। সব মিলিয়ে ৫/৬ টা ব্লক আছে। আল্লাহর শুকরিয়া-এই পড়ে যাওয়া ও এত ব্লক ধরা পড়ার পরও উনি কোন ব্যথা বা কষ্ট অনুভব করছেন না।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সাধারণত, এনজিওগ্রামে ব্লক ধরা পড়লে প্রাথমিকভাবে রিং পরানোর উদ্যোগ নেয়া হয়। চিকিৎসকরা সেই চেষ্টা করতে গিয়ে দেখলেন যে, আর্টারির তিনটা ছাড়াও বাকি ব্লকগুলোর ধরণ একটু জটিল। তাতে রিং পরাতে গেলে বেশি ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এতে ভালোর চেয়ে হিতে বিপরীত হতে পারে। তারচেয়ে ওপেন হার্ট সার্জারি করে নেয়াটাই নিরাপদ মনে করেছেন।

তিনি বলেন, গত কয়েকদিনে দেশের সেরা চিকিৎসকদের বোর্ড করে আলোচনা এবং আমাদের দলের যেসব চিকিৎসক নেতা আছেন, তারমধ্যে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো: তাহের সহ অনেকের সঙ্গে আমরাও দফায় দফায় আলোচনা করে একটা ঐকমত্যে এসে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, তাকে ওপেন হার্ট সার্জারি করতে হবে। উনি নিজে, পরিবার এবং আমরা সর্বসম্মতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

কেউ কেউ বয়স বিবেচনায় এবং ব্লক বেশি হওয়ায় দেশের বাইরে নেয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি কোটি কোটি মানুষের কাছে পরিচিত। তিনি যদি দেশের বাইরে চলে যান, তাহলে জনগণের কাছে কি ম্যাসেজ যাবে? সাধারণ মানুষ মনে করবে, তাহলে আমাদের দেশের চিকিৎসকদের প্রতি আস্থা রাখা যাবে না। উনি সেটা মনে করেন না। উনি বলেছেন, দেশের চিকিৎসকদের প্রতি আমার আস্থা আছে, দেশেই চিকিৎসা নিতে চাই। তার এই মতামত চিকিৎসকরা গ্রহণ করেছেন এবং আমরাও একমত হয়েছি। ইউনাইটেড হাসপাতালেই তার চিকিৎসা হবে।

তিনি বলেন, আমরা মহান আল্লাহর সাহায্য কামনা করি। তার অন্যান্য শারীরিক অবস্থা ভাল আছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। চিকিৎসকরা অপারেশনের পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন।

গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রতিদিন যথেষ্ট দর্শনার্থী জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করার জন্য ভিড় করছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা আসছেন। কেউ সরাসরি আবার কেউ টেলিফোনে খবর নিচ্ছেন। প্রধান উপদেষ্টাসহ অনেক উপদেষ্টা খোঁজ নিয়েছেন। সেনা প্রধান খোঁজ নিয়েছেন। অনেক হাইকমিশনার খোঁজ নিয়েছেন। চিকিৎসকরা এই আসা-যাওয়া ও কথা বলা বন্ধের কথা বলেছেন। আমরা নির্বাহী কমিটির বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, উনি আর মোবাইলে কারও সঙ্গে কথা বলবেন না, তাকেও কেউ যেন ফোন না করেন। বৃহস্পতিবার থেকে আর দর্শনার্থী না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উনি নিজেও মনে করছেন, তার বিশ্রাম প্রয়োজন। তাই দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি- তাকে দেখার জন্য ভিড় বা কথা না বলে বাসায় থেকেই দোয়া করুন। নফল নামাজ ও রোজা রেখেও দোয়া করা যেতে পারে। উনি সুস্থ হয়ে আসার পর আবার দেখা হবে ইনশাআল্লাহ। অপারেশনের পর আমরা আরেকটি ব্রিফিং করবো ইনশাআল্লাহ। যারা দোয়া করেছেন, খোঁজ-খবর নিচ্ছেন সবার প্রতি জামায়াতের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

এ সময় জামায়াত আমিরের জন্য দোয়া করেন দলের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আজাদ, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, মোবারক হোসাইন, অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ, উপাধ্যক্ষ আব্দুর রব, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন প্রমুখ।

এদিকে জামায়াত আমিরের সুস্থতা কামনা করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দোয়া মাহফিল ও এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ করেছে জামায়াতে ইসলামী।