এ দিন বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করতে পুলিশ থানায় বিশেষ বাঙ্কার নির্মাণ করে। সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর জাহিদুল হক রনির নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক দল অবস্থান নেয় থানা সংলগ্ন পেট্রোল পাম্পে। পুলিশের এই কর্মকর্তার উদ্যোগেই ওই দিন সুধারাম মডেল থানার গেইটে এবং মডেল থানার দোতলায় নির্মাণ করা হয় বিশেষ বাঙ্কার। যেকোনো মূল্যে আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করাই ছিল পুলিশের প্রধান লক্ষ্য। আর এজন্য তারা ত্রাসের শক্তি ছাত্রলীগ-যুবলীগের সহযোগিতাও নিয়েছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩০ জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর আওয়ামী লীগ আক্রমণের প্রস্তুতি নিলেও ছাত্র জনতার ব্যাপক উপস্থিতি দেখে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত সড়ক বন্ধ করে চলতে থাকে আন্দোলন। বিকেল ৫টার পরে ছাত্র জনতা যখন তাদের নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয় তখন বিভিন্ন স্থানে যানবাহন চেক করে তাদের হেনস্তা করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।
জেলার আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নেতা আবুল ফারাহ রাজু জুলাইয়ের স্মৃতি স্মরণ করে বলেন, ‘সেই বিভীষিকাময় দিনের কথা স্মরণ করলে এখনো মনের ভেতর ভয় কাজ করে। ৩৬ দিনের সেই ট্রমা থেকে এখনো আমরা বের হতে পারিনি। স্বৈরাচার হাসিনা যতই চেষ্টা করেছে আন্দোলন দমন করতে, ততই সেটি স্ফুলিঙ্গের মতো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলন শেষে বাড়ি ফেরার সময় মোড়ে মোড়ে আমাদের মারধর করা হয়। সবকিছুর বিনিময়েও বাংলাদেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে এটিই আমাদের বড়ো প্রাপ্তি।’





















