ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে ২১ পিস ইয়াবাসহ কথিত সাংবাদিক ও বহিষ্কৃত যুবদল নেতা মিশাল আটক পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১৮৫৫ পদে নিয়োগে ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল সরকার জনগণের গণরায় উপেক্ষা করায় রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছি: এটিএম আজহারুল ইসলাম রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে শ্রমিক কল্যানের ষান্মাসিক রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত  পুলিশ সদস্যকে প্রকাশ্যে থাপ্পড় মারলেন ছাত্রদল নেতা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: ভারতের হুঁশিয়ারি কেন পে-স্কেল কবে, জানা গেল সম্ভাব্য সময় দেশের উন্নয়নে বিরোধী দলের সহযোগিতা দরকার : পানিসম্পদ মন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন

জুলাই বিপ্লবের আবশ্যিকতা:- পর্ব ০১

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫ ৬৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব হল এই ভূখণ্ডে মুসলমানদের পাঁচটি বড় অর্জনের একটি। এই ভূখণ্ডের মুসলমানদের পাঁচটি বড় অর্জন হল, প্রথমত:- ১২০৪ সালে বখতিয়ার খিলজি কর্তূক এই ভূখণ্ডকে ইসলামের পতাকাতলে আনয়ন করা।

দ্বিতীয়ত :- ১৪১৫ সালে হিন্দু রাজা গনেশ মুসলিম শাসন উৎখাত করে হিন্দু রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করলে পর দরবেশ নূর কুতুব আলমের আহবানে জৈনপুরের সূলতান ইব্রাহিম শারকীর বাংলায় আগমন এবং মুসলিম রিয়াসাতের পূন:প্রতিষ্টা ।

তূতীয়ত- ১৯০৫ সালে মুসলিম জাতিসত্তার ভিত্তিতে ব‌‌্গভ‌‌্গ।

চতুর্থত- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান অর্জন।

পঞ্চমত – ২০২৪ সালে জুলাই বিপ্লব ।

পাঠক, এই পাঁচটি ঘটনা ব্যতিত আরো দুটি ঘটনা বাংলাদেশের মুসলমানদের অস্তিত্বের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। একটি হল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট এবং ১৯৭৫ সালের ৭ ই নভেম্বর। আফসোসের বিষয় হল ১৫ ই আগষ্ট ও ৭ ই নভেম্বর এর সুবিধাভোগীরা উপরোক্ত পাঁচটি ঘটনাকে প্রকারান্তরে অস্বীকার করতে চায়।

অবশ্য হাতে গোনা দুই একজন মুসলমান এখনো জীবিত আছে যারা পারিবারিক ভাবে মুসলিম জাতিসত্তার চেতনা ধারণ করেন এবং জুলাই বিপ্লবে উনাদের অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগষ্ট ও ৭ ই নভেম্বর এর মূল সুবিধা ভোগী এবং উনাদের অনুসারীরা মুসলিম জাতিসত্তাকে অস্বীকার করে উল্টো পথে হাঁটতেছেন।

এই ভূল পথে হাঁটার কারণে মুসলমানদেরকে আবার ও মারাত্মক খেসারত দিতে হবে। ১৫ ই আগষ্ট বিপ্লবের সুবিধা ভোগীরা যদি মুসলিম জাতিসত্তা ও ইসলামী সভ্যতাকে অস্বীকার করে ভূল পথে হাঁটতে থাকে তাহলে এদেরকে উচ্ছেদ করার জন্য মুসলমানদেরকে আরেকটি বিপ্লবের পথে হাঁটতে হবে।

হাসিনার শাসনকে শুধু মাত্র দু‌:শাষন বললে ভূল হবে, এটি হল মানব সভ্যতার ইতিহাসে সর্ব নিকৃষ্ট শাষনের একটি। পূথিবীর ইতিহাসে বহু অত্যাচারী শাষক ছিল, কিন্তু এই অত্যাচারী শাসকগন সবাই স্ব- জাতির অস্তিত্বের জন্য অথবা নিজের ক্ষমতার জন্য অত্যাচার নির্যাতন করেছে। কিন্তু মানব সভ্যতার ইতিহাসে আপনি এমন একজন শাষক খুঁজে পাবেন না, যারা নিজ জাতি ও স্বধর্মীয় লোকদেরকে অন্য জাতির গোলামে পরিনত করার জন্য চেষ্টা করেছে অথবা গোলামে পরিনত করার চিন্তা করেছে ।

ভারতবর্ষে মুসলমানদের মধ্যে অনেক বেঈমান এসেছে যারা মুসলমানদেরকে গোলামে পরিনত করার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। এসব বেঈমানদের মধ্যে হাসিনা অন্যতম যার নাম মীর জাফরের সাথে উচ্চারন করা যেতে পারে। অদূর ভবিষ্যতে জাতীর গাদ্দার হিসেবে মীর জাফরের সাথে হাসিনার নাম উচ্চারিত হবে।

উলামায়ে কেরামগনের মতে, ঈমান ভঙ্গের অন্যতম কারণ হলো মুসলমানদের অস্তিত্ব, অধিকার ও স্বার্থকে অমুসলিমদের নিকট সমর্পণ করা।

যা হোক, হিন্দুত্ববাদী শাষনের অবসান, মুসলমানদের আজাদী, মুসলমানদের অস্তিত্ব, মুসলমানদের স্বার্থ ও মুসলমানদের অধিকার রক্ষার জন্য জুলাই বিপ্লব ছিল অপরিহার্য। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদী শাষন হতে মুক্তি পেয়ে একটি স্বাধীন মুসলিম রিয়াসাত প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। আমি জুলাই বিপ্লবের আবশ্যকতা সম্পর্কে ধারাবাহিক ভাবে পর্ব আকারে বিস্তারিত আলোচনা করব , ইনশাল্লাহ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জুলাই বিপ্লবের আবশ্যিকতা:- পর্ব ০১

আপডেট সময় : ০৩:২৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব হল এই ভূখণ্ডে মুসলমানদের পাঁচটি বড় অর্জনের একটি। এই ভূখণ্ডের মুসলমানদের পাঁচটি বড় অর্জন হল, প্রথমত:- ১২০৪ সালে বখতিয়ার খিলজি কর্তূক এই ভূখণ্ডকে ইসলামের পতাকাতলে আনয়ন করা।

দ্বিতীয়ত :- ১৪১৫ সালে হিন্দু রাজা গনেশ মুসলিম শাসন উৎখাত করে হিন্দু রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করলে পর দরবেশ নূর কুতুব আলমের আহবানে জৈনপুরের সূলতান ইব্রাহিম শারকীর বাংলায় আগমন এবং মুসলিম রিয়াসাতের পূন:প্রতিষ্টা ।

তূতীয়ত- ১৯০৫ সালে মুসলিম জাতিসত্তার ভিত্তিতে ব‌‌্গভ‌‌্গ।

চতুর্থত- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান অর্জন।

পঞ্চমত – ২০২৪ সালে জুলাই বিপ্লব ।

পাঠক, এই পাঁচটি ঘটনা ব্যতিত আরো দুটি ঘটনা বাংলাদেশের মুসলমানদের অস্তিত্বের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। একটি হল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট এবং ১৯৭৫ সালের ৭ ই নভেম্বর। আফসোসের বিষয় হল ১৫ ই আগষ্ট ও ৭ ই নভেম্বর এর সুবিধাভোগীরা উপরোক্ত পাঁচটি ঘটনাকে প্রকারান্তরে অস্বীকার করতে চায়।

অবশ্য হাতে গোনা দুই একজন মুসলমান এখনো জীবিত আছে যারা পারিবারিক ভাবে মুসলিম জাতিসত্তার চেতনা ধারণ করেন এবং জুলাই বিপ্লবে উনাদের অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগষ্ট ও ৭ ই নভেম্বর এর মূল সুবিধা ভোগী এবং উনাদের অনুসারীরা মুসলিম জাতিসত্তাকে অস্বীকার করে উল্টো পথে হাঁটতেছেন।

এই ভূল পথে হাঁটার কারণে মুসলমানদেরকে আবার ও মারাত্মক খেসারত দিতে হবে। ১৫ ই আগষ্ট বিপ্লবের সুবিধা ভোগীরা যদি মুসলিম জাতিসত্তা ও ইসলামী সভ্যতাকে অস্বীকার করে ভূল পথে হাঁটতে থাকে তাহলে এদেরকে উচ্ছেদ করার জন্য মুসলমানদেরকে আরেকটি বিপ্লবের পথে হাঁটতে হবে।

হাসিনার শাসনকে শুধু মাত্র দু‌:শাষন বললে ভূল হবে, এটি হল মানব সভ্যতার ইতিহাসে সর্ব নিকৃষ্ট শাষনের একটি। পূথিবীর ইতিহাসে বহু অত্যাচারী শাষক ছিল, কিন্তু এই অত্যাচারী শাসকগন সবাই স্ব- জাতির অস্তিত্বের জন্য অথবা নিজের ক্ষমতার জন্য অত্যাচার নির্যাতন করেছে। কিন্তু মানব সভ্যতার ইতিহাসে আপনি এমন একজন শাষক খুঁজে পাবেন না, যারা নিজ জাতি ও স্বধর্মীয় লোকদেরকে অন্য জাতির গোলামে পরিনত করার জন্য চেষ্টা করেছে অথবা গোলামে পরিনত করার চিন্তা করেছে ।

ভারতবর্ষে মুসলমানদের মধ্যে অনেক বেঈমান এসেছে যারা মুসলমানদেরকে গোলামে পরিনত করার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। এসব বেঈমানদের মধ্যে হাসিনা অন্যতম যার নাম মীর জাফরের সাথে উচ্চারন করা যেতে পারে। অদূর ভবিষ্যতে জাতীর গাদ্দার হিসেবে মীর জাফরের সাথে হাসিনার নাম উচ্চারিত হবে।

উলামায়ে কেরামগনের মতে, ঈমান ভঙ্গের অন্যতম কারণ হলো মুসলমানদের অস্তিত্ব, অধিকার ও স্বার্থকে অমুসলিমদের নিকট সমর্পণ করা।

যা হোক, হিন্দুত্ববাদী শাষনের অবসান, মুসলমানদের আজাদী, মুসলমানদের অস্তিত্ব, মুসলমানদের স্বার্থ ও মুসলমানদের অধিকার রক্ষার জন্য জুলাই বিপ্লব ছিল অপরিহার্য। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদী শাষন হতে মুক্তি পেয়ে একটি স্বাধীন মুসলিম রিয়াসাত প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। আমি জুলাই বিপ্লবের আবশ্যকতা সম্পর্কে ধারাবাহিক ভাবে পর্ব আকারে বিস্তারিত আলোচনা করব , ইনশাল্লাহ।