বিমানটিতে থাকা ২৪২ যাত্রীর মধ্যে অন্তত একজন বেঁচে আছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। আহমেদাবাদের পুলিশ কর্মকর্তা বিধি চৌধুরী রয়টার্সকে বলেছেন, নিহতের সংখ্যা ২৪০ জনের বেশি।
বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি ৪০ বছর বয়সী রমেশ বিশ্বাসকুমার হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেছেন, উড্ডয়নের ৩০ সেকেন্ড পরই প্রচণ্ড শব্দ হয়, তারপরই দুর্ঘটনা ঘটে। যখন জ্ঞান ফিরে আসে, দেখি চারপাশে শুধু মরদেহ। আমি দৌড়ে বের হই, কেউ একজন আমাকে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দেয়।
বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বিমানটির পেছনের অংশ মেডিক্যাল কলেজ ভবনের ছাদে আটকে ছিল। স্থানীয় পুলিশপ্রধান জি.এস. মালিক বলেন, মৃতদের মধ্যে বিমানের আরোহী ও কলেজের শিক্ষার্থীরা রয়েছেন।
নিহতদের শনাক্তে আত্মীয়-স্বজনদের ডিএনএ নমুনা দিতে বলা হয়েছে বলে জানান রাজ্য স্বাস্থ্যসচিব ধনঞ্জয় দ্বিবেদী।
এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় গুজরাটের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানিও নিহত হয়েছেন।
এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানের আরোহীদের মধ্যে ২১৭ জন প্রাপ্তবয়স্ক, ১১ শিশু এবং ২ নবজাতক। যাত্রীদের মধ্যে ১৬৯ জন ভারতীয়, ৫৩ জন ব্রিটিশ, ৭ জন পর্তুগিজ এবং একজন কানাডিয়ান নাগরিক ছিলেন।
বিমানটি ছিল বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার মডেলের। ২০১১ সালে এটি প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়। ফ্লাইট রাডার২৪ জানিয়েছে, বিধ্বস্ত হওয়া এই বিমানটি ২০১৩ সালে প্রথম উড়েছিল এবং ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে এটি এয়ার ইন্ডিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আন্তর্জাতিক বিমাননিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ সংস্থা অ্যাভিয়েশন সেফটি নেটওয়ার্ক বলছে, এটি ড্রিমলাইনার মডেলের উড়োজাহাজের প্রথম বড় দুর্ঘটনা।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে। বোয়িং ও ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে তদন্তকারী দল পাঠিয়েছে।




















