ওয়াকফ ভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আবশ্যকতা
- আপডেট সময় : ০২:১৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫ ৮০ বার পড়া হয়েছে
মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, সূদ ও ইসলাম একসাথে চলতে পারে না। ওয়াকফ সম্পত্তি হল ইসলামের জন্য উৎসর্গীত সম্পত্তি, তাই এই সম্পত্তি হতে অর্জিত আয় ব্যাংকে রাখা সুযোগ নেই, কারণ সূদী ব্যাংক হোক অথবা ইসলামের নামে ব্যাংক হোক, কেহ সূদমুক্ত এই কথা বলার সুযোগ নেই।
বহু ওয়াকফ সম্পত্তির আয় ব্যয় এর টাকা ব্যাংক এ গচ্ছিত রাখে । কিন্তু ব্যা্ক চাই তা ইসলামের নামে ব্যাংক হোক বা সূদী ব্যাংক হোক , কেহ এই টাকার সাথে সূদ জড়িত হয় না বা এই টাকা সূদে বিনিয়োগ হয় না গ্যারান্টি দিতে পারবে না। তাহলে অর্থ দাঁড়ায় যে, ধর্মীয় উদ্দেশ্য ওয়াকফকূত সম্পত্তি হতে অর্জিত আয় প্রচলিত ব্যাংকে রাখার কারণে সূদে বিনিয়োগ হয় বা হবার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে ওয়াকফ সম্পত্তির আয় আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহৃত হয় বা হবার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিষয়টি যদি এ রকমই হয় , তাহলে ওয়াকফ সম্পত্তির আয় কোন ব্যা্কে রাখা কতটুকু শরীয়ত সম্মত, চাই তা ইসলামের নামে ব্যাংক হোক বা সূদ খাওয়ার জন্য ব্যাংক হোক।
এমতাবস্থায় সাধারণ মুসলিম ও মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রের করনীয় কি? ওয়াকফ সম্পত্তির টাকা দিয়ে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ব চালিয়ে যাওয়া? না কি এই অবস্থার অবসান ঘটানো । উত্তর হল এই অবস্থার অবসান ঘটিয়ে বিকল্প উপায় বের করা ।
আমার মতে এই বিকল্প উপায় হল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অধীনে ওয়াকফ ভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যেখানে শুধু মাত্র টাকা জমা ও উত্তোলন করা হবে। এই আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর টাকা কোথাও বিনিয়োগ করা হবে না।
ওয়াকফ ভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ওয়াকফ সম্পত্তির টাকা জমা রাখা হবে, সূদের সাথে জড়িত হতে আগ্রহী নয় এমন মুসলমানদের টাকা সেখানে জমা রাখবে এবং প্রয়োজনে সার্ভিস চার্জ কর্তন করা হবে।
আপাতত প্রতিটি জেলায় একটি করে এই ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা আবশ্যক, পরে প্রয়োজন মোতাবেক বাড়ানো যাবে। কাজেই ওয়াকফ ভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা আবশ্যক।





















