ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত নেতা এটিএম আজহার খালাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫ ১৭২ বার পড়া হয়েছে
আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সর্বসম্মতিতে এ রায় দেন। এর আগে শুনানি শেষে গত ৮ মে রায়ের জন্য আজকের দিন ঠিক করে দেন আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগে আজহারের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিক ও মোহাম্মদ শিশির মনির।

তিনি আরও বলেন, ‘৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর যাঁরা আওয়ামী ফ্যাসিবাদের হাতে অন্যায়ভাবে আটক ছিলেন, অন্যায় বিচারে যাঁদের ফাঁসি হয়েছিল, প্রায় সবাই মুক্তি পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের মজলুম নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের কোনো সম্পর্ক নেই, তা আইনজীবীরা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। তার পরও আট মাস পার হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আইনজীবী ও কোর্টের কাছে ব্যাখ্যা থাকতে পারে। কিন্তু সারা দেশে আমাদের লক্ষ-কোটি নেতাকর্মী যাঁরা ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় দিন গুনছেন, তাঁরা ব্যথিত। তবে আমরা হতাশ নই। কারণ আমরা মনে করি, আদালত সুবিচার করবেন। আমরা ধৈর্য ধরব। আমরা আদালতের নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জামায়াত নেতা এটিএম আজহার খালাস

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সর্বসম্মতিতে এ রায় দেন। এর আগে শুনানি শেষে গত ৮ মে রায়ের জন্য আজকের দিন ঠিক করে দেন আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগে আজহারের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিক ও মোহাম্মদ শিশির মনির।

তিনি আরও বলেন, ‘৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর যাঁরা আওয়ামী ফ্যাসিবাদের হাতে অন্যায়ভাবে আটক ছিলেন, অন্যায় বিচারে যাঁদের ফাঁসি হয়েছিল, প্রায় সবাই মুক্তি পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের মজলুম নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের কোনো সম্পর্ক নেই, তা আইনজীবীরা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। তার পরও আট মাস পার হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আইনজীবী ও কোর্টের কাছে ব্যাখ্যা থাকতে পারে। কিন্তু সারা দেশে আমাদের লক্ষ-কোটি নেতাকর্মী যাঁরা ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় দিন গুনছেন, তাঁরা ব্যথিত। তবে আমরা হতাশ নই। কারণ আমরা মনে করি, আদালত সুবিচার করবেন। আমরা ধৈর্য ধরব। আমরা আদালতের নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’