ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী অঞ্চলে এনসিপির তত্ত্বাবধায়ক- ইমরান ইমন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩১:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫ ১০৫ বার পড়া হয়েছে


স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির রাজশাহী অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন কেন্দ্রীয় সংগঠক ইমরান ইমন।

গত ৩ মে ২০২৫ (শনিবার) এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রাজশাহী অঞ্চল তত্বাবধায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয় ইমরান ইমনকে। রাজশাহী অঞ্চলের চারটি জেলা যথাক্রমে রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ , নাটোর এবং নওগাঁ জেলার কমিটি প্রস্তাবনা এনসিপির সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক বিস্তারের লক্ষ্যে কাজ করবেন তিনি। এবং রাজশাহী জেলায় সাংগঠনিক দায়িত্ব নিয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য উমর ফারুক।

ইমরান ইমন বাংলাদেশের আলোচিত শিক্ষায় ভ্যাট বিরোধী আন্দোলন (No VAT on Education) এর অন্যতম একজন সংগঠক। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় বন্ধু-শুভাকাঙ্ক্ষীদের সাথে নিয়ে গড়ে তোলেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন Man for Men, এবং প্রতিষ্ঠাকালিন আহবায়ক এর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অংশ নেন রাষ্ট্রনৈতিক উদ্যোগ Peoples Power Movement এর সাথে, যা পরবর্তীতে রাষ্ট্রচিন্তা নামে কার্যক্রম শুরু করে। রাষ্ট্রচিন্তা প্রস্তাবিত রাষ্ট্র সংস্কারের রাজনীতি প্রচারের জন্য তিনি দেশব্যাপী সফর শুরু করেন। একই সাথে বাংলাদেশে তৎকালীন চলমান প্রায় সকল আন্দোলন সংগ্রাম উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেন।

২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন জোরালো ভাবে শুরু হলে তিনি “উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও নাগরিক সমাজ” এর ব্যানারে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। একই ভাবে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলন, গাইবান্ধার আদিবাসীদের ভূমি উদ্ধার আন্দোলন, চুনারুঘাটের চা শ্রমিকের আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলনের সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। ২০১৮ সালে ভয়ংকর কারচুপির জাতীয় নির্বাচনের পরে রাষ্ট্রচিন্তা আন্দোলনের মাঠে ভাসানী অনুসারী পরিষদ, ছাত্র-যুব অধিকার পরিষদ ও গণসংহতি আন্দোলন এর সাথে যৌথভাবে কাজ শুরু করলে রাষ্ট্রচিন্তা’র প্রতিনিধি হিসেবে যুব অধিকার পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাকালিন যুগ্ন আহবায়ক এর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রচিন্তার একটিভিস্টদের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হলে তিনি যুব অধিকার পরিষদ ছেড়ে পুন:রায় রাষ্ট্রচিন্তার দায়িত্বভার গ্রহন করেন।

২০২২ সালের ৭ আগষ্ট, করোনার ভয়াবহ সংকটের মধ্যে এক অনলাইন প্রতিনিধি সভার মাধ্যেমে “রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন” নামে রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সে সময় এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে হাসনাত কাইয়ূম, সৈয়দ হাসিব উদ্দিন হোসেন ও ইমরান ইমন দেশবাসীর কাছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন। এবং প্রতিষ্ঠাকালিন জাতীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য ও নির্বাহী কমিটি গঠন করা হলে তাঁর উপর সংগঠনিক সমন্বয়কের দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়। ২০২৩ সালের ৮ আগষ্ট “গণতন্ত্র মঞ্চ” নামে রাজনৈতিক জোট গঠন করা হলে তিনি জোটের কেন্দ্রিয় পরিচালনা কমিটির দায়িত্ত্ব গ্রহণ করেন। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও গণতন্ত্র মঞ্চের হয়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন, রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার ও ভোটাধিকারের দাবীতে চলমান আন্দোলনে তিনি সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দেন। এসময় তিনি সরকারী দল ও বিভিন্ন বাহিনী দ্বারা বার বার হামলা বাধার সম্মুখীন হন। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি ভোটারবিহীন ডামী নির্বাচনের মধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হলে ভোট বাতিল ও পূনঃনির্বাচনের দাবিতে মাঠের আন্দোলনে তিনি সক্রিয় নেতৃত্ত্ব দান করেন।

২০২৪ এর জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হলে ছাত্রদের সাথে আন্দোলনে অংশগ্রহনের পাশপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকে ছাত্র আন্দোলনের সাথে যুক্ত রাখতে সমন্বয় করেন। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সামর্থনে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক দলের পক্ষের কর্মসূচিতেও নেতৃত্ত্ব দান করেন। ছাত্র-জনতার সম্মিলিত জুলাই গণঅভ্যুথানের অন্যতম রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তিনি গুরুত্ত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী তরুণদের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বাস্তবায়নের খেয়ে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি তে কেন্দ্রীয় সংগঠক হিসেবে বাংলাদেশ উত্তরাঞ্চলের এর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এবং এনসিপির নাটোর, রাজশাহী, চাপাই নবাবগঞ্জ, নওগাঁ জেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করে ইমরান ইমন বলেন, আমি রাজশাহীর সন্তান, এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কাজ করতে পারা আমার জন্য সৌভাগ্যের। রাজশাহী অঞ্চল তথা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার। অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের প্রশ্নে এ অঞ্চলের মানুষ বঞ্চিত থেকেছে বছরের পর বছর। আমরা বিশ্বাস করি, এই জনপদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে হলে দরকার নতুন নেতৃত্ব, বিকল্প রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা। আমি চাই এই অঞ্চলের সকল মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠতে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি সেই রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম, যারা দেশের প্রতিটি প্রান্তিক মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নীতিনিষ্ঠ ও গণমুখী রাজনীতি করতে চায়। দ্রুতই সাংগঠনিক বিস্তারিত ও সাধারণ মানুষের সাথে এনসিপির সংযোগ স্থাপনে বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে মাঠে কাজ শুরু করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজশাহী অঞ্চলে এনসিপির তত্ত্বাবধায়ক- ইমরান ইমন

আপডেট সময় : ০৭:৩১:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫


স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির রাজশাহী অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন কেন্দ্রীয় সংগঠক ইমরান ইমন।

গত ৩ মে ২০২৫ (শনিবার) এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রাজশাহী অঞ্চল তত্বাবধায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয় ইমরান ইমনকে। রাজশাহী অঞ্চলের চারটি জেলা যথাক্রমে রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ , নাটোর এবং নওগাঁ জেলার কমিটি প্রস্তাবনা এনসিপির সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক বিস্তারের লক্ষ্যে কাজ করবেন তিনি। এবং রাজশাহী জেলায় সাংগঠনিক দায়িত্ব নিয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য উমর ফারুক।

ইমরান ইমন বাংলাদেশের আলোচিত শিক্ষায় ভ্যাট বিরোধী আন্দোলন (No VAT on Education) এর অন্যতম একজন সংগঠক। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় বন্ধু-শুভাকাঙ্ক্ষীদের সাথে নিয়ে গড়ে তোলেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন Man for Men, এবং প্রতিষ্ঠাকালিন আহবায়ক এর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অংশ নেন রাষ্ট্রনৈতিক উদ্যোগ Peoples Power Movement এর সাথে, যা পরবর্তীতে রাষ্ট্রচিন্তা নামে কার্যক্রম শুরু করে। রাষ্ট্রচিন্তা প্রস্তাবিত রাষ্ট্র সংস্কারের রাজনীতি প্রচারের জন্য তিনি দেশব্যাপী সফর শুরু করেন। একই সাথে বাংলাদেশে তৎকালীন চলমান প্রায় সকল আন্দোলন সংগ্রাম উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেন।

২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন জোরালো ভাবে শুরু হলে তিনি “উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও নাগরিক সমাজ” এর ব্যানারে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। একই ভাবে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলন, গাইবান্ধার আদিবাসীদের ভূমি উদ্ধার আন্দোলন, চুনারুঘাটের চা শ্রমিকের আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলনের সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। ২০১৮ সালে ভয়ংকর কারচুপির জাতীয় নির্বাচনের পরে রাষ্ট্রচিন্তা আন্দোলনের মাঠে ভাসানী অনুসারী পরিষদ, ছাত্র-যুব অধিকার পরিষদ ও গণসংহতি আন্দোলন এর সাথে যৌথভাবে কাজ শুরু করলে রাষ্ট্রচিন্তা’র প্রতিনিধি হিসেবে যুব অধিকার পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাকালিন যুগ্ন আহবায়ক এর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রচিন্তার একটিভিস্টদের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হলে তিনি যুব অধিকার পরিষদ ছেড়ে পুন:রায় রাষ্ট্রচিন্তার দায়িত্বভার গ্রহন করেন।

২০২২ সালের ৭ আগষ্ট, করোনার ভয়াবহ সংকটের মধ্যে এক অনলাইন প্রতিনিধি সভার মাধ্যেমে “রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন” নামে রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সে সময় এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে হাসনাত কাইয়ূম, সৈয়দ হাসিব উদ্দিন হোসেন ও ইমরান ইমন দেশবাসীর কাছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন। এবং প্রতিষ্ঠাকালিন জাতীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য ও নির্বাহী কমিটি গঠন করা হলে তাঁর উপর সংগঠনিক সমন্বয়কের দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়। ২০২৩ সালের ৮ আগষ্ট “গণতন্ত্র মঞ্চ” নামে রাজনৈতিক জোট গঠন করা হলে তিনি জোটের কেন্দ্রিয় পরিচালনা কমিটির দায়িত্ত্ব গ্রহণ করেন। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও গণতন্ত্র মঞ্চের হয়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন, রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার ও ভোটাধিকারের দাবীতে চলমান আন্দোলনে তিনি সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দেন। এসময় তিনি সরকারী দল ও বিভিন্ন বাহিনী দ্বারা বার বার হামলা বাধার সম্মুখীন হন। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি ভোটারবিহীন ডামী নির্বাচনের মধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হলে ভোট বাতিল ও পূনঃনির্বাচনের দাবিতে মাঠের আন্দোলনে তিনি সক্রিয় নেতৃত্ত্ব দান করেন।

২০২৪ এর জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হলে ছাত্রদের সাথে আন্দোলনে অংশগ্রহনের পাশপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকে ছাত্র আন্দোলনের সাথে যুক্ত রাখতে সমন্বয় করেন। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সামর্থনে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক দলের পক্ষের কর্মসূচিতেও নেতৃত্ত্ব দান করেন। ছাত্র-জনতার সম্মিলিত জুলাই গণঅভ্যুথানের অন্যতম রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তিনি গুরুত্ত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী তরুণদের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বাস্তবায়নের খেয়ে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি তে কেন্দ্রীয় সংগঠক হিসেবে বাংলাদেশ উত্তরাঞ্চলের এর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এবং এনসিপির নাটোর, রাজশাহী, চাপাই নবাবগঞ্জ, নওগাঁ জেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করে ইমরান ইমন বলেন, আমি রাজশাহীর সন্তান, এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কাজ করতে পারা আমার জন্য সৌভাগ্যের। রাজশাহী অঞ্চল তথা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার। অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের প্রশ্নে এ অঞ্চলের মানুষ বঞ্চিত থেকেছে বছরের পর বছর। আমরা বিশ্বাস করি, এই জনপদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে হলে দরকার নতুন নেতৃত্ব, বিকল্প রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা। আমি চাই এই অঞ্চলের সকল মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠতে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি সেই রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম, যারা দেশের প্রতিটি প্রান্তিক মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নীতিনিষ্ঠ ও গণমুখী রাজনীতি করতে চায়। দ্রুতই সাংগঠনিক বিস্তারিত ও সাধারণ মানুষের সাথে এনসিপির সংযোগ স্থাপনে বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে মাঠে কাজ শুরু করা হবে।