বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান
জনগণ সঙ্গে থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই পরাভূত করতে পারবেনা: তারেক রহমান
- আপডেট সময় : ০৩:৫৫:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫ ১১৭ বার পড়া হয়েছে
বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আপনাদের কোনো কার্যক্রম নিয়ে কেউ যাতে বিভ্রান্তি ছড়ানো কিংবা বিতর্কে লিপ্ত হওয়ার সুযোগ না পায়, সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস্য। জনগণ সঙ্গে থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই আমাদেরকে পরাভূত করতে পারবেনা, ইনশাআল্লাহ।
শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট আয়োজিত এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
তারেক রহমান বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে একটি প্রভাবশালী জাতি রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকতে হলে এই মুহূর্তে আমাদের সামনে বড়ো চ্যালেঞ্জ জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র এবং সমাজ প্রতিষ্ঠা। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদেরকে যুক্তি-তর্কে অর্থ-বিত্তে মেধা-মননে জ্ঞানে-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ হতেই হবে।
তিনিবলেন, আমি বিশ্বাস করি রাষ্ট্র ও রাজনীতির সংস্কার কিংবা নাগরিক উন্নয়নে আমরা যত উদ্যোগই গ্রহণ করিনা কেন, চূড়ান্ত সফলতা পেতে হলে শিক্ষা ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং শিক্ষকদের আর্থ সামাজিক নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করার বিকল্প নেই। জীবনের শুরুতেই পরিবারের পর কিশোর কিশোরী শিক্ষার্থীদের সামনে শিক্ষক শিক্ষিকারাই আদর্শ রোল মডেল। কিন্তু শিক্ষকরাই যদি রাষ্ট্র ও সমাজে সম্মান-সংসার নিয়ে টানাপোড়েনে থাকেন তাহলে একজন শিক্ষকের পক্ষে শিক্ষার্থীদের সামনে নিজেকে রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন কিভাবে সম্ভব? শিক্ষক-শিক্ষিকারা যাতে শিক্ষার্থীদের সামনে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেকে একজন রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন,সে ধরণেরশিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষার পরিবেশ তৈরী করতে রাষ্ট্র এবং সরকারকেই অবশ্যই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
শিক্ষকতা পেশা কখনোই ‘উপায়হীন বিকল্প’ কিংবা একটি সাধারণ চাকুরী নয় উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, শিক্ষা দীক্ষায় সবচেয়ে মেধাবী মানুষটি যাতে শিক্ষকতা পেশাকেই আনন্দের সঙ্গে প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে বেছে নিতেআগ্রহী হয়ে ওঠেন তেমন পরিবেশ পরিস্থিতি নিশ্চিত করা রাষ্ট্র এবং সরকারের দায়িত্ব বলেই আমি মনে করি। সুতরাং, অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা, স্বাচ্ছন্দময় এবং সম্মানজনক জীবনমানের নিশ্চয়তা প্রদানের মাধ্যমে বিশেষ করে প্রাথমিক এবং মাধ্যমিকপর্যায়ের স্কুল শিক্ষকের চাকুরীকে আরো প্রতিযোগিতামূলক লোভনীয় এবং আকর্ষণীয় করে তোলা জরুরি।





















