ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিপিসির সাড়ে তিন মাসে লোকসান ১৭ হাজার ৩৯ কোটি টাকা: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ অভিযান সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপির এমপি মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অডিও ভাইরাল: অভিযোগ অস্বীকার গাইবান্ধায় সাইফুল্লাহ হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহীতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান: অবাঞ্ছিত ঘোষণা রাজশাহী কলেজে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অত্যন্ত সুকৌশলে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে : অলি আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

দিনভর আটকে থেকে পুলিশ হেফাজতে আওয়ামী নেতা পিএম সফিক

খ্রীষ্টফার জয়
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে দিনভর আটকে রেখে ৭ লাখ টাকা আদায়ের চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধারে গেলে তোপের মুখে পড়ে। তবে শনিবার বিকালে তাকে নগরের সাধুর মোড় এলাকা থেকে উদ্ধার করে থানায় পুলিশী হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের এ নেতার নাম ড. পিএম সফিকুল ইসলাম। তিনি রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা। এছাড়া তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি। সফিকুল ইসলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। পরে নেত্রকোনার শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।

তার গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায়। একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে মনোনয়ন পাননি। অধ্যাপক সফিকুলের গ্রামের বাড়ি বাগমারায় হলেও তিনি রাজশাহী শহরের বাসার রোড এলাকায় থাকেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বেলা সাড়ে ১১টা থেকে পিএম সফিকুল ইসলামকে বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরের একটি স্থানে বসিয়ে রাখা হয়। বিকালে খবর পেয়ে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করতে যায়। এ সময় পুলিশের ওপর চড়াও হন কেউ কেউ। পুলিশকে আক্রমণও করা হয়। ওই সময়ের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা গেছে, ‘আওয়ামী লীগের পুলিশ’ বলে পুলিশের ওপর আক্রমণ করা হয়।

পুলিশ নিয়ে যাওয়ার সময় পিএম সফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আন্দোলনের সময় আমি শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ছিলাম। আমি কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত নই। আমার নামে কোন মামলাও নেই।’ তিনি জানান, স্থানীয় এক বিএনপি নেতা ও পাড়ার ছেলেরা তাকে আটকে রেখেছিলেন। তার কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল।

নগরের বোয়ালিয়া থানার ওসি মেহেদী মাসুদ বলেন, ‘পিএম সফিকুল ইসলামকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আমাদের থানায় তার নামে কোন মামলা নেই। এখন বাগমারা থানায় তার নামে কোন মামলা আছে কি না সেটি আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’ আটকে রেখে চাঁদা দাবি ও পুলিশের ওপর আক্রমণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পুলিশের ওপর আক্রমণ হয়েছে। এটা হয়েই থাকে। সফিকুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবির বিষয়টি আমরা জানি না। তবে খতিয়ে দেখা হবে।


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দিনভর আটকে থেকে পুলিশ হেফাজতে আওয়ামী নেতা পিএম সফিক

আপডেট সময় : ০৪:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে দিনভর আটকে রেখে ৭ লাখ টাকা আদায়ের চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধারে গেলে তোপের মুখে পড়ে। তবে শনিবার বিকালে তাকে নগরের সাধুর মোড় এলাকা থেকে উদ্ধার করে থানায় পুলিশী হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের এ নেতার নাম ড. পিএম সফিকুল ইসলাম। তিনি রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা। এছাড়া তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি। সফিকুল ইসলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। পরে নেত্রকোনার শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।

তার গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায়। একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে মনোনয়ন পাননি। অধ্যাপক সফিকুলের গ্রামের বাড়ি বাগমারায় হলেও তিনি রাজশাহী শহরের বাসার রোড এলাকায় থাকেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বেলা সাড়ে ১১টা থেকে পিএম সফিকুল ইসলামকে বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরের একটি স্থানে বসিয়ে রাখা হয়। বিকালে খবর পেয়ে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করতে যায়। এ সময় পুলিশের ওপর চড়াও হন কেউ কেউ। পুলিশকে আক্রমণও করা হয়। ওই সময়ের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা গেছে, ‘আওয়ামী লীগের পুলিশ’ বলে পুলিশের ওপর আক্রমণ করা হয়।

পুলিশ নিয়ে যাওয়ার সময় পিএম সফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আন্দোলনের সময় আমি শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ছিলাম। আমি কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত নই। আমার নামে কোন মামলাও নেই।’ তিনি জানান, স্থানীয় এক বিএনপি নেতা ও পাড়ার ছেলেরা তাকে আটকে রেখেছিলেন। তার কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল।

নগরের বোয়ালিয়া থানার ওসি মেহেদী মাসুদ বলেন, ‘পিএম সফিকুল ইসলামকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আমাদের থানায় তার নামে কোন মামলা নেই। এখন বাগমারা থানায় তার নামে কোন মামলা আছে কি না সেটি আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’ আটকে রেখে চাঁদা দাবি ও পুলিশের ওপর আক্রমণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পুলিশের ওপর আক্রমণ হয়েছে। এটা হয়েই থাকে। সফিকুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবির বিষয়টি আমরা জানি না। তবে খতিয়ে দেখা হবে।


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি