ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্র রাজনীতি নিয়ে সিদ্ধান্তের পরই রাকসু নির্বাচন: রাবি উপাচার্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৪:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১২৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেছেন, ছাত্র রাজনীতি বিষয়ে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেই রাকসু বিষয়ে আমরা কাজ শুরু করবো। রাকসু নির্বাচনটা আগামী সর্বোচ্চ পাঁচ মাসের মধ্যেই আমরা আয়োজন করার চেষ্টা করবো।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। উপাচার্য বলেন, ছাত্র রাজনীতি বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে নাকি থাকবেনা বা, থাকলেও কিভাবে থাকবে, এ বিষয়ে আমরা কাজ করছি। ছাত্র রাজনীতি বিষয়ে দুইটা অপশন রয়েছে। প্রথমটা হলো, ছাত্র রাজনীতি থাকবেনা। আর দ্বিতীয়টা হলো, আগের ছাত্র রাজনীতি নামের অপরাজনীতিকে সংস্কার করে একটা নতুন ধারায় করা যায় কিনা।

এদিকে, ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধে দাবি জানিয়েছে আসছে বিশ্ববিদ্যালয় অনেক শিক্ষার্থী। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গ্রুপে পোল তৈরী করে ক্যাম্পাসের ছাত্র রাজনীতির বিষয়ে মতামত নিতেও দেখা গেছে। এতে অধিকাংশ শিক্ষার্থীই ক্যাম্পাসে সকল ধরণের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি বন্ধের পক্ষে মত দিতে দেখা গেছে। তবে উল্লেখযোগ্য একটি অংশ সংস্কারমূলক ছাত্র রাজনীতির পক্ষে মতামত দেন।


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ছাত্র রাজনীতি নিয়ে সিদ্ধান্তের পরই রাকসু নির্বাচন: রাবি উপাচার্য

আপডেট সময় : ০৩:৩৪:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেছেন, ছাত্র রাজনীতি বিষয়ে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেই রাকসু বিষয়ে আমরা কাজ শুরু করবো। রাকসু নির্বাচনটা আগামী সর্বোচ্চ পাঁচ মাসের মধ্যেই আমরা আয়োজন করার চেষ্টা করবো।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। উপাচার্য বলেন, ছাত্র রাজনীতি বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে নাকি থাকবেনা বা, থাকলেও কিভাবে থাকবে, এ বিষয়ে আমরা কাজ করছি। ছাত্র রাজনীতি বিষয়ে দুইটা অপশন রয়েছে। প্রথমটা হলো, ছাত্র রাজনীতি থাকবেনা। আর দ্বিতীয়টা হলো, আগের ছাত্র রাজনীতি নামের অপরাজনীতিকে সংস্কার করে একটা নতুন ধারায় করা যায় কিনা।

এদিকে, ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধে দাবি জানিয়েছে আসছে বিশ্ববিদ্যালয় অনেক শিক্ষার্থী। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গ্রুপে পোল তৈরী করে ক্যাম্পাসের ছাত্র রাজনীতির বিষয়ে মতামত নিতেও দেখা গেছে। এতে অধিকাংশ শিক্ষার্থীই ক্যাম্পাসে সকল ধরণের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি বন্ধের পক্ষে মত দিতে দেখা গেছে। তবে উল্লেখযোগ্য একটি অংশ সংস্কারমূলক ছাত্র রাজনীতির পক্ষে মতামত দেন।


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি