ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রামেক হাসপাতালে ভর্তি কাউন্টারে অনিয়মের অভিযোগে কর্মচারী বরখাস্ত

সামিয়া খন্দকার
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ ৮১ বার পড়া হয়েছে

রামেক হাসপাতালে ভর্তি কাউন্টারে অনিয়মের অভিযোগে কর্মচারী বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরী বিভাগে রোগী ভর্তি কাউন্টারে অনিয়মের অভিযোগে এক আউট সোর্সিং কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, অভিযুক্ত কর্মচারীর নাম মোঃ বিপুল হোসেন। তিনি আউটসোর্সিং পদে নিযুক্ত ছিলেন। পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদ প্রতিদিনের মতো হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় জরুরি বিভাগের রোগী ভর্তি কাউন্টারে আসেন। তিনি অবস্থানরত রোগীদের কাছে সাথে কথা বলে জানতে পারেন তারা ভর্তি ফর্ম ২০ টাকা মূল্যে কিনেছেন। অথচ এর নির্ধারিত মূল্য ১৫ টাকা। হাসপাতাল পরিচালক নিজে এর সত্যতা যাচাই করেন ও তৎক্ষণাৎ ওই কর্মচারীকে মৌখিকভাবে বরখাস্ত করেন।

অভিযুক্ত মোঃ বিপুল হোসেন বলেন, আমি প্রতিটি রোগীর কাছ থেকে ভর্তি ফর্মের জন্য ১৫ টাকা করে নিই‌। তবে খুচরা না থাকার কারণে একজন রোগীকে ৫ টাকা ফেরত দিতে পারিনি। ‍

এ বিষয়ে রামেক হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফএম শামীম আহাম্মদ বলেন, আমি এর আগে ভর্তি ফর্মে নির্ধারিত মূল্যের থেকে বেশি টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাই। তাই ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে নিজে সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে হাতেনাতে ধরি‌। আমাদের হাসপাতালে কোনরকম দুর্নীতি বা অনিয়মের জায়গা নেই। যেকোনো অভিযোগের সত্যতা পেলে সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ আমরা নিয়ে থাকি।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রামেক হাসপাতালে ভর্তি কাউন্টারে অনিয়মের অভিযোগে কর্মচারী বরখাস্ত

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরী বিভাগে রোগী ভর্তি কাউন্টারে অনিয়মের অভিযোগে এক আউট সোর্সিং কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, অভিযুক্ত কর্মচারীর নাম মোঃ বিপুল হোসেন। তিনি আউটসোর্সিং পদে নিযুক্ত ছিলেন। পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদ প্রতিদিনের মতো হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় জরুরি বিভাগের রোগী ভর্তি কাউন্টারে আসেন। তিনি অবস্থানরত রোগীদের কাছে সাথে কথা বলে জানতে পারেন তারা ভর্তি ফর্ম ২০ টাকা মূল্যে কিনেছেন। অথচ এর নির্ধারিত মূল্য ১৫ টাকা। হাসপাতাল পরিচালক নিজে এর সত্যতা যাচাই করেন ও তৎক্ষণাৎ ওই কর্মচারীকে মৌখিকভাবে বরখাস্ত করেন।

অভিযুক্ত মোঃ বিপুল হোসেন বলেন, আমি প্রতিটি রোগীর কাছ থেকে ভর্তি ফর্মের জন্য ১৫ টাকা করে নিই‌। তবে খুচরা না থাকার কারণে একজন রোগীকে ৫ টাকা ফেরত দিতে পারিনি। ‍

এ বিষয়ে রামেক হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফএম শামীম আহাম্মদ বলেন, আমি এর আগে ভর্তি ফর্মে নির্ধারিত মূল্যের থেকে বেশি টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাই। তাই ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে নিজে সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে হাতেনাতে ধরি‌। আমাদের হাসপাতালে কোনরকম দুর্নীতি বা অনিয়মের জায়গা নেই। যেকোনো অভিযোগের সত্যতা পেলে সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ আমরা নিয়ে থাকি।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি