ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুন্ডুমালা বঙ্গবন্ধু গোলচত্বর থেকে মোটরসাইকেল চুরি!

সারোয়ার হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৫:০৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অক্টোবর ২০২৩ ৬৩ বার পড়া হয়েছে

তানোর প্রতিনিধি:


রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডুমালা বঙ্গবন্ধু গোলচত্বর থেকে মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে বাইক চুরি হয়েছে।

একের পর এক মুন্ডুমালা বাজার থেকে মোটরসাইকেল চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটতেই আছে। এতে করে ওই এলাকার মোটরসাইকেল মালিকরা চরম আতংকে পড়েছেন। কোন জায়গায় মোটরসাইকেল রাখতে পারছেন না চুরির ভয়ে। মোটরসাইকেলের মালিক মুন্ডুমালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রেজাউল করিম সেলিম, তার বাড়ি পৌর এলাকার সাদিপুর গ্রামে।

শিক্ষক বলেন, স্কুল থেকে বের হয়ে মুন্ডুমালা বাজারের বঙ্গবন্ধু গোলচত্বরের মোটরসাইকেল রেখে কলা কিনতে যায়। কলা কিনে এসে দেখি মোটরসাইকেল চুরি হয়ে গেছে। সাথে সাথে মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেয়া হয় এবং বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করে কোন সন্ধান পাওয়া যায়। মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যবধানে মোটরসাইকেল টি চুরি হয়েছে। কালো ব্লু কালারের ডিসকোভার ১৩৫ সিসি মোটরসাইকেল। যার নম্বর রাজশাহী ল ১১১১৩৮। এখনো বিভিন্ন ভাবে খোঁজ করা হচ্ছে, সন্ধ্যার আগে জিডি করা হবে। মোটরসাইকেল চুরির পর ফাঁড়ির আইসি ও পৌর মেয়র ঘটনাস্থলে এসেছিলেন।

বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, মোটরসাইকেল চুরির আতংকের নাম মুন্ডুমালা বাজার। গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রায় ৬/৭ টি মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে। চলতি বছরে প্রায় ২০/২২ টির মত মোটরসাইকেল চুরি হলেও মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়ির ভূমিকা নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন। কারন একমাসে ৬ টির মত মোটরসাইকেল চুরি হলেও টনক নড়েনি প্রশাসনের।

এমন কি চুরি হওয়া একটি বাইকও উদ্ধার করতে পারেননি ফাঁড়ির পুলিশ প্রশাসন। এখন বাজারের কোন জায়গায় মোটরসাইকেল রাখা নিরাপদ মনে করছেন না। যেখানেই মোটরসাইকেল রাখছে সেখান থেকে চুরি হচ্ছে। অবশ্য গত কয়েকদিন আগে উপজেলার পাঁচন্দর ইউপির কুন্দাইন গ্রাম থেকে মোটরসাইকেল চুরি হয়েছিল সেটি পুলিশ রাতেই উদ্ধার করে দুজনকে আটক করেছিলেন। কিন্তু মুন্ডুমালা বাজার থেকে যতগুলো মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে একটিও উদ্ধার হয়নি।

অবস্থাটা এমন চোরদের যেন নিরাপদ চুরির জায়গা মুন্ডুমালা বাজার। সোমবার করে বসে গরু ছাগলের হাটসহ হাটবারের দিন। আর হাটবারের দিন চুরি হয়ে গেল শিক্ষক রেজাউল করিম সেলিমের ডিসকোভার মোটরসাইকেল টি। পুলিশ প্রশাসনকে আরো সজাগ থাকবে হবে। একের পর এক মোটরসাইকেল চুরি হচ্ছে আর চোরেরা ধরা ছোয়ার বাহিরে। এজন্য কোনভাবেই কমছে না মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা। কমা তো দূরে থাক বেড়েই চলেছে। এক মাসের মধ্যে ৬ টি বাইক চুরি হচ্ছে, কিন্তু কেউ ধরা পড়ছেন।

মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ খবর লাগানো হয়েছে। এখনো অভিযোগ বা জিডি হয়নি। এক বছরে বা গত দু তিন মাসে কতটা মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান আমার কাছে কোন তথ্য নাই।

থানার ওসি আব্দুর রহিম ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারের জন্য কাজ চলছে। আসা করছি চুরি হওয়া বাইকসহ চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার ও উদ্ধার করতে পারব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মুন্ডুমালা বঙ্গবন্ধু গোলচত্বর থেকে মোটরসাইকেল চুরি!

আপডেট সময় : ০৫:০৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অক্টোবর ২০২৩

তানোর প্রতিনিধি:


রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডুমালা বঙ্গবন্ধু গোলচত্বর থেকে মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে বাইক চুরি হয়েছে।

একের পর এক মুন্ডুমালা বাজার থেকে মোটরসাইকেল চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটতেই আছে। এতে করে ওই এলাকার মোটরসাইকেল মালিকরা চরম আতংকে পড়েছেন। কোন জায়গায় মোটরসাইকেল রাখতে পারছেন না চুরির ভয়ে। মোটরসাইকেলের মালিক মুন্ডুমালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রেজাউল করিম সেলিম, তার বাড়ি পৌর এলাকার সাদিপুর গ্রামে।

শিক্ষক বলেন, স্কুল থেকে বের হয়ে মুন্ডুমালা বাজারের বঙ্গবন্ধু গোলচত্বরের মোটরসাইকেল রেখে কলা কিনতে যায়। কলা কিনে এসে দেখি মোটরসাইকেল চুরি হয়ে গেছে। সাথে সাথে মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেয়া হয় এবং বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করে কোন সন্ধান পাওয়া যায়। মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যবধানে মোটরসাইকেল টি চুরি হয়েছে। কালো ব্লু কালারের ডিসকোভার ১৩৫ সিসি মোটরসাইকেল। যার নম্বর রাজশাহী ল ১১১১৩৮। এখনো বিভিন্ন ভাবে খোঁজ করা হচ্ছে, সন্ধ্যার আগে জিডি করা হবে। মোটরসাইকেল চুরির পর ফাঁড়ির আইসি ও পৌর মেয়র ঘটনাস্থলে এসেছিলেন।

বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, মোটরসাইকেল চুরির আতংকের নাম মুন্ডুমালা বাজার। গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রায় ৬/৭ টি মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে। চলতি বছরে প্রায় ২০/২২ টির মত মোটরসাইকেল চুরি হলেও মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়ির ভূমিকা নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন। কারন একমাসে ৬ টির মত মোটরসাইকেল চুরি হলেও টনক নড়েনি প্রশাসনের।

এমন কি চুরি হওয়া একটি বাইকও উদ্ধার করতে পারেননি ফাঁড়ির পুলিশ প্রশাসন। এখন বাজারের কোন জায়গায় মোটরসাইকেল রাখা নিরাপদ মনে করছেন না। যেখানেই মোটরসাইকেল রাখছে সেখান থেকে চুরি হচ্ছে। অবশ্য গত কয়েকদিন আগে উপজেলার পাঁচন্দর ইউপির কুন্দাইন গ্রাম থেকে মোটরসাইকেল চুরি হয়েছিল সেটি পুলিশ রাতেই উদ্ধার করে দুজনকে আটক করেছিলেন। কিন্তু মুন্ডুমালা বাজার থেকে যতগুলো মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে একটিও উদ্ধার হয়নি।

অবস্থাটা এমন চোরদের যেন নিরাপদ চুরির জায়গা মুন্ডুমালা বাজার। সোমবার করে বসে গরু ছাগলের হাটসহ হাটবারের দিন। আর হাটবারের দিন চুরি হয়ে গেল শিক্ষক রেজাউল করিম সেলিমের ডিসকোভার মোটরসাইকেল টি। পুলিশ প্রশাসনকে আরো সজাগ থাকবে হবে। একের পর এক মোটরসাইকেল চুরি হচ্ছে আর চোরেরা ধরা ছোয়ার বাহিরে। এজন্য কোনভাবেই কমছে না মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা। কমা তো দূরে থাক বেড়েই চলেছে। এক মাসের মধ্যে ৬ টি বাইক চুরি হচ্ছে, কিন্তু কেউ ধরা পড়ছেন।

মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ খবর লাগানো হয়েছে। এখনো অভিযোগ বা জিডি হয়নি। এক বছরে বা গত দু তিন মাসে কতটা মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান আমার কাছে কোন তথ্য নাই।

থানার ওসি আব্দুর রহিম ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারের জন্য কাজ চলছে। আসা করছি চুরি হওয়া বাইকসহ চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার ও উদ্ধার করতে পারব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি