ঢাকা ১২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অতিথিদের হাতে তানোর আ”লীগ ক্ষুব্ধ তৃনমু

সারোয়ার হোসেন
  • আপডেট সময় : ০২:৩১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৩৯ বার পড়া হয়েছে

তানোর প্রতিনিধি:


উড়ে এসে জুড়ে বসেছেন অতিথিরা, বাগিয়ে নিয়েছেন পদ পদবি, হাতে রেখেছেন দলের মুল চাবিকাঠি, নিয়োগ বানিজ্য পদপদবি বানিজ্য থেকে শুরু করে যাবতীয় সব কিছুই অতিথিদের হাতের মুঠোয়। রাজশাহীর তানোর আ”লীগে চলছে অতিথি চমক। এমন অতিথি চমক অবশ্য আগে দেখেননি তৃনমুল ও ত্যাগী নেতাকর্মীরা।

এসব অতিথিরা অযথা দলে লোবিং গ্রুপিং তৈরি করে দলকে চরম ভাবে বিভক্ত করে ফেলেছেন বলে মনে করছেন দীর্ঘ দিনের ত্যাগীরা। এসব অতিথি পাখিদের জন্য একাধিক এমপি মনোনায়ন প্রত্যাশীরা মাঠ কাপাচ্ছেন। তাদের একটাই কথা অতিথি পাখি হতে আ”লীগ কে মুক্ত করতে হলে গোলাম রাব্বানী ও আব্দুল্লাহ আল মামুনের কোন বিকল্প দেখছেন না।

জানা গেছে,  গত বছরের জুলাই মাসে আ”লীগের উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে কৌশলে তৎকালীন সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে বাদ দেয়া হয়। নতুন ভাবে কমিটিতে সভাপতি হিসেবে আসেন জামানত হারানো চেয়ারম্যান প্রার্থী মাইনুল ইসলাম স্বপন ও সম্পাদক করা হয় একে সরকার ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক জনপ্রিয় হীন প্রদীপ সরকার কে। এরপরে চলতি বছরে জুলাই মাস থেকে আ”লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি গঠন শুরু হয়। কমিটি গঠনে অতিথিদের পরামর্শে উপজেলার কলমা, কামারগাঁ ও পাচন্দর ইউনিয়ন কে দুভাগে বিভক্ত করা হয়।

যা সম্পূর্ণ রুপে দলীয় গঠনতন্ত্র বিরোধী। ইউনিয়ন ও পৌর কমিটিতে অধিকাংশ শিক্ষকদের দায়িত্বে এনে চরম সমালোচিত হন এমপি। যাকে বলে জনবিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদের কমিটি নিয়ে আসার কারনে গ্রুপিং লবিংয়ের শেষ নেই। এছাড়াও এক প্রকার শিক্ষক নির্ভর আ”লীগ।
বিশেষ করে তানোর ও মুন্ডুমালা পৌর মেয়রকে কোন কমিটিতে নিয়ে আসেননি। তানোর পৌরসভার সভাপতি করা হয় আকচা স্কুলের প্রধান শিক্ষক আসলাম উদ্দিন কে ও সম্পাদক করা হয় আবুল বাসার সুজনকে। অথচ পৌরসভার মেয়র ইমরুল হক সভাপতি থাকলেও তাকে কোন ভাবেই অবহিত করা হয়নি। এক্ষোভের কারনে সুজন ওয়ার্ড কমিটি করতে এসে পাচ্ছেন না তেমন গ্রহণ যোগ্য নেতা।
দলীয় সুত্র জানায়, বিগত ২০১৭ সাল থেকে রাব্বানী ও  এমপির দ্বন্দ্বে দলের হাল ধরে ছিলেন ওই সময় কলমা ইউপির চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর একক ক্ষমতায় বলিয়ান হয়ে উঠেন এমপি। ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে নৌকার প্রতীক পান ময়না। তিনি জাতীয় নির্বাচনে জীবন বাজি রেখে কাজ করার জন্যই তিনি মনোনায়ন পেয়ে চেয়ারম্যান হন। কিন্তু ময়নার ক্ষমতা ধীরে ধীরে খর্ব করে নতুন রুপে ক্ষমতা দেন আবুল বাসার সুজন কে। তিনি এমপির কান ভারি করে একক ক্ষমতা ধরে নেন। তার অনুসারী হাটের কর্মচারী দের পদ পদবি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি করে নতুন রুপে দ্বন্দ্ব শুরু করেন। এত সম্মেলন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে শোক সভা ও বর্ধিত সভা করেও দলকে এক কাতারে আনতে পারছেন না। বরং অতিথিদের কারনে নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে এমপি শিবিরে ততই দ্বন্দ্ব লবিংগ্রপিং বাড়তেই আছে। বিশেষ করে ইউপিতে যে সব সভা করা হয় সেগুলোতে নেতাকর্মীর চেয়ে উপকার ভোগীদের বেশি উপস্থিতি।
এদিকে অতিথিদের জন্য নবীন প্রবীন আ”লীগ এতই ক্ষুব্ধ যে তারা এখন মনোনায়ন প্রত্যাশী গোলাম রাব্বানী ও আয়েশা আক্তার ডালিয়ার সভায় বেশি অংশ নিচ্ছেন। অবস্থাটা এমন জনপ্রিয় হীন নেতৃত্বে ও অতিথি পাখিদের মাস্তানী গুন্ডামী আচরনের কারনে কর্মী সংকট ও ইমেজ সংকটে পড়েছেন এমপি। বিশেষ করে গরু দামানোর মত করে নিয়োগ বানিজ্য করেছেন অতিথি। যার কারনে চরম ইমেজ সংকটে পড়েছেন এমপি। কারন এমপিকে জনবিচ্ছিন্ন করতে অতিথিরা যথেষ্ট বলে মনে করছেন ছিটকে পড়া নেতাকর্মী রা।
দলের একাধিক সিনিয়র নেতারা বলেন, এমপি মনে করছে রাব্বানী ও মামুনকে ছিটকে ফেলে অতিথি দের দিয়ে মাঠ গোছানো হবে। কিন্তু এটা তার দিবাস্বপ্ন ও ক্ষমতার মোহ ছাড়া কিছুই না। অবশ্য তাকে কোন দোষ দিবনা, তার কান ভারি করেছেন অতিথিরা। এই অতিথিই তার সর্বনাশের মুল কারন হবে আগামী নির্বাচনে। এই আসনে যতজন মনোনায়ন প্রত্যাশী আছেন সবার একটাই দাবি এমপি ফারুক চৌধুরী বাদে যাকে মনোনায়ন দিবে তার জন্য দল এক হয়ে কাজ করবে। নচেৎ দলের এই লবিংগ্রপিং দূর হবে না। তৃনমুলের মতামত ও গোয়েন্দা জরীপ চালিয়ে যার জনপ্রিয় তা আছে তাকেই দেয়া হোক নৌকা প্রতীক। তাছাড়া এআসন আর ফিরে আসবে না। কারন জনপ্রিয় নেতাদের দূরে রেখেছেন এমপি। এজন্য তাকেও একদিন মাসুল দিতেই হবে। অবশ্য এমপির অতিথিরা তো সাব বলে দিচ্ছেন মনোনায়ন হয়ে গেছে ঘোষণা বাকি, তারপর প্রত্যাশীদের পিটিয়ে ঘরে তুলবেন। আরেক চাকর তো পদ পেয়ে যারতার হাত পা ভেঙে দিতে চান। এখনো সময় আছে সঠিক পথে আসেন নইলে জনগন কি জিনিস বুঝিয়ে দিবে। যেখানে বিভিন্ন চাপে সরকার তালমাতাল সেখানে অতিথিদের এত কেন বাহাদুরি। আসলে এরাতো সব দিক থেকে সুযোগের পাটি। গায়ে থেকে বিএনপি জাতীয় পার্টির গন্ধ যায় নি তাদের আবার বড় কথা।
তবে মনোনয়ন নিশ্চিত বলে ঘোষণা দিচ্ছেন বর্তমান জনপ্রিয় হীন সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন ও সম্পাদক প্রদীপ সরকার। তারা লবিংগ্রপিংয়ের কথা উড়িয়ে দিয়ে বলেন যে কোন সময়ের চেয়ে দল শক্তিশালী। আগামী নির্বাচনেও ফারুক চৌধুরী এমপি হবেন।

এজন্যই তো গত আগস্ট মাসে গোলাম রাব্বানী বলেছিলেন, সভায় তাদের ভরশা উপকার ভোগীরা, আর আমাদের ভরশা তৃনমুলের ত্যাগীরা। যারা কোন সুযোগ সুবিধা পায়না দলকে পাগলের মত ভালবাসে। মনোনায়ন চেয়ে মাঠে আছি দল যদি মনোনায়ন দেয় ভোট করব না দিলে যিনি নৌকা পাবেন তার হয়ে ভোট করব। কারন বাব দাদা চৌদ্দপুরুষরা আ”লীগ করে এসেছেন, রক্তে মাংসে আ”লীগ, পেলেও থাকতে হবে না পেলেও থাকতে হবে।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অতিথিদের হাতে তানোর আ”লীগ ক্ষুব্ধ তৃনমু

আপডেট সময় : ০২:৩১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

তানোর প্রতিনিধি:


উড়ে এসে জুড়ে বসেছেন অতিথিরা, বাগিয়ে নিয়েছেন পদ পদবি, হাতে রেখেছেন দলের মুল চাবিকাঠি, নিয়োগ বানিজ্য পদপদবি বানিজ্য থেকে শুরু করে যাবতীয় সব কিছুই অতিথিদের হাতের মুঠোয়। রাজশাহীর তানোর আ”লীগে চলছে অতিথি চমক। এমন অতিথি চমক অবশ্য আগে দেখেননি তৃনমুল ও ত্যাগী নেতাকর্মীরা।

এসব অতিথিরা অযথা দলে লোবিং গ্রুপিং তৈরি করে দলকে চরম ভাবে বিভক্ত করে ফেলেছেন বলে মনে করছেন দীর্ঘ দিনের ত্যাগীরা। এসব অতিথি পাখিদের জন্য একাধিক এমপি মনোনায়ন প্রত্যাশীরা মাঠ কাপাচ্ছেন। তাদের একটাই কথা অতিথি পাখি হতে আ”লীগ কে মুক্ত করতে হলে গোলাম রাব্বানী ও আব্দুল্লাহ আল মামুনের কোন বিকল্প দেখছেন না।

জানা গেছে,  গত বছরের জুলাই মাসে আ”লীগের উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে কৌশলে তৎকালীন সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে বাদ দেয়া হয়। নতুন ভাবে কমিটিতে সভাপতি হিসেবে আসেন জামানত হারানো চেয়ারম্যান প্রার্থী মাইনুল ইসলাম স্বপন ও সম্পাদক করা হয় একে সরকার ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক জনপ্রিয় হীন প্রদীপ সরকার কে। এরপরে চলতি বছরে জুলাই মাস থেকে আ”লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি গঠন শুরু হয়। কমিটি গঠনে অতিথিদের পরামর্শে উপজেলার কলমা, কামারগাঁ ও পাচন্দর ইউনিয়ন কে দুভাগে বিভক্ত করা হয়।

যা সম্পূর্ণ রুপে দলীয় গঠনতন্ত্র বিরোধী। ইউনিয়ন ও পৌর কমিটিতে অধিকাংশ শিক্ষকদের দায়িত্বে এনে চরম সমালোচিত হন এমপি। যাকে বলে জনবিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদের কমিটি নিয়ে আসার কারনে গ্রুপিং লবিংয়ের শেষ নেই। এছাড়াও এক প্রকার শিক্ষক নির্ভর আ”লীগ।
বিশেষ করে তানোর ও মুন্ডুমালা পৌর মেয়রকে কোন কমিটিতে নিয়ে আসেননি। তানোর পৌরসভার সভাপতি করা হয় আকচা স্কুলের প্রধান শিক্ষক আসলাম উদ্দিন কে ও সম্পাদক করা হয় আবুল বাসার সুজনকে। অথচ পৌরসভার মেয়র ইমরুল হক সভাপতি থাকলেও তাকে কোন ভাবেই অবহিত করা হয়নি। এক্ষোভের কারনে সুজন ওয়ার্ড কমিটি করতে এসে পাচ্ছেন না তেমন গ্রহণ যোগ্য নেতা।
দলীয় সুত্র জানায়, বিগত ২০১৭ সাল থেকে রাব্বানী ও  এমপির দ্বন্দ্বে দলের হাল ধরে ছিলেন ওই সময় কলমা ইউপির চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর একক ক্ষমতায় বলিয়ান হয়ে উঠেন এমপি। ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে নৌকার প্রতীক পান ময়না। তিনি জাতীয় নির্বাচনে জীবন বাজি রেখে কাজ করার জন্যই তিনি মনোনায়ন পেয়ে চেয়ারম্যান হন। কিন্তু ময়নার ক্ষমতা ধীরে ধীরে খর্ব করে নতুন রুপে ক্ষমতা দেন আবুল বাসার সুজন কে। তিনি এমপির কান ভারি করে একক ক্ষমতা ধরে নেন। তার অনুসারী হাটের কর্মচারী দের পদ পদবি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি করে নতুন রুপে দ্বন্দ্ব শুরু করেন। এত সম্মেলন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে শোক সভা ও বর্ধিত সভা করেও দলকে এক কাতারে আনতে পারছেন না। বরং অতিথিদের কারনে নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে এমপি শিবিরে ততই দ্বন্দ্ব লবিংগ্রপিং বাড়তেই আছে। বিশেষ করে ইউপিতে যে সব সভা করা হয় সেগুলোতে নেতাকর্মীর চেয়ে উপকার ভোগীদের বেশি উপস্থিতি।
এদিকে অতিথিদের জন্য নবীন প্রবীন আ”লীগ এতই ক্ষুব্ধ যে তারা এখন মনোনায়ন প্রত্যাশী গোলাম রাব্বানী ও আয়েশা আক্তার ডালিয়ার সভায় বেশি অংশ নিচ্ছেন। অবস্থাটা এমন জনপ্রিয় হীন নেতৃত্বে ও অতিথি পাখিদের মাস্তানী গুন্ডামী আচরনের কারনে কর্মী সংকট ও ইমেজ সংকটে পড়েছেন এমপি। বিশেষ করে গরু দামানোর মত করে নিয়োগ বানিজ্য করেছেন অতিথি। যার কারনে চরম ইমেজ সংকটে পড়েছেন এমপি। কারন এমপিকে জনবিচ্ছিন্ন করতে অতিথিরা যথেষ্ট বলে মনে করছেন ছিটকে পড়া নেতাকর্মী রা।
দলের একাধিক সিনিয়র নেতারা বলেন, এমপি মনে করছে রাব্বানী ও মামুনকে ছিটকে ফেলে অতিথি দের দিয়ে মাঠ গোছানো হবে। কিন্তু এটা তার দিবাস্বপ্ন ও ক্ষমতার মোহ ছাড়া কিছুই না। অবশ্য তাকে কোন দোষ দিবনা, তার কান ভারি করেছেন অতিথিরা। এই অতিথিই তার সর্বনাশের মুল কারন হবে আগামী নির্বাচনে। এই আসনে যতজন মনোনায়ন প্রত্যাশী আছেন সবার একটাই দাবি এমপি ফারুক চৌধুরী বাদে যাকে মনোনায়ন দিবে তার জন্য দল এক হয়ে কাজ করবে। নচেৎ দলের এই লবিংগ্রপিং দূর হবে না। তৃনমুলের মতামত ও গোয়েন্দা জরীপ চালিয়ে যার জনপ্রিয় তা আছে তাকেই দেয়া হোক নৌকা প্রতীক। তাছাড়া এআসন আর ফিরে আসবে না। কারন জনপ্রিয় নেতাদের দূরে রেখেছেন এমপি। এজন্য তাকেও একদিন মাসুল দিতেই হবে। অবশ্য এমপির অতিথিরা তো সাব বলে দিচ্ছেন মনোনায়ন হয়ে গেছে ঘোষণা বাকি, তারপর প্রত্যাশীদের পিটিয়ে ঘরে তুলবেন। আরেক চাকর তো পদ পেয়ে যারতার হাত পা ভেঙে দিতে চান। এখনো সময় আছে সঠিক পথে আসেন নইলে জনগন কি জিনিস বুঝিয়ে দিবে। যেখানে বিভিন্ন চাপে সরকার তালমাতাল সেখানে অতিথিদের এত কেন বাহাদুরি। আসলে এরাতো সব দিক থেকে সুযোগের পাটি। গায়ে থেকে বিএনপি জাতীয় পার্টির গন্ধ যায় নি তাদের আবার বড় কথা।
তবে মনোনয়ন নিশ্চিত বলে ঘোষণা দিচ্ছেন বর্তমান জনপ্রিয় হীন সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন ও সম্পাদক প্রদীপ সরকার। তারা লবিংগ্রপিংয়ের কথা উড়িয়ে দিয়ে বলেন যে কোন সময়ের চেয়ে দল শক্তিশালী। আগামী নির্বাচনেও ফারুক চৌধুরী এমপি হবেন।

এজন্যই তো গত আগস্ট মাসে গোলাম রাব্বানী বলেছিলেন, সভায় তাদের ভরশা উপকার ভোগীরা, আর আমাদের ভরশা তৃনমুলের ত্যাগীরা। যারা কোন সুযোগ সুবিধা পায়না দলকে পাগলের মত ভালবাসে। মনোনায়ন চেয়ে মাঠে আছি দল যদি মনোনায়ন দেয় ভোট করব না দিলে যিনি নৌকা পাবেন তার হয়ে ভোট করব। কারন বাব দাদা চৌদ্দপুরুষরা আ”লীগ করে এসেছেন, রক্তে মাংসে আ”লীগ, পেলেও থাকতে হবে না পেলেও থাকতে হবে।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি