ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিভাগীয় সরকারি গ্রন্থাগারে পাঠক আড্ডা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

মাইকেল
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০২৩ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:


২০ শে জুন (মঙ্গলবার) বিকেলে বিভাগীয় সরকারি গ্রন্থাগার রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হলো পাঠক আড্ডা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুহম্মদ আলমগীর, পিএইচডি, অধ্যাপক, নাট্যকলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাসুদ রানা, সহকারী পরিচালক, বিভাগীয় সরকারি গ্রন্থাগার রাজশাহী এবং ফারজানা আলী দিনা,সহকারী শিক্ষক (সংগীত), রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল স্কুল এণ্ড কলেজ, রাজশাহী।

সভাপতিত্ব করেন হোসেন ইকবাল,লাইব্রেরি কর্মকর্তা,বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র, রাজশাহী ইউনিট।

প্রধান অথিতির বক্তব্যে অধ্যাপক আলমগীর বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে সংস্কৃতিমণা মানুষের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সংস্কমতিমণা মানুষই সমাজকে সুন্দর রাখতে পারে। তাই আমাদের অতিরিক্ত মোবাইল ফোনের ব্যবহার কমিয়ে দিতে হবে। অনেক বেশি বই পড়তে হবে।তাহলে আমরা ভালো মানুষ হতে পারব।আমরা নিজেরা যদি ভাল মানুষ হতে না পারি তাহলে অন্য ভাল হতে বলতে পারি না।”

তিনি আরো বলেন, ” যেকোনো কিছুতে অভিভাবকদের সময়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।অভিভাবকেরা যদি সংস্কৃতিমনা না হই তাহলে আমটা সন্তানদের কাছ থেকে সেটা আশা করতে পারি না।তাই নিজেদের আগে সমৃদ্ধ করতে হবে।সন্তানদের কখনো চাপ দেওয়া যাবে না।বয়সের সাথে তাল মিলিয়ে সবকিছু করতে হবে”।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে, ”ফারজানা আলী দিনা বলেন,” সংগীত সুন্দর ভাবে শিখতে হবে।সুর, তাল, লয় ঠিক রেখে অন্তর থেকে গাইতে হবে।প্রতিদিন অনুশীলন করতে হবে।তাহলে কণ্ঠ সুন্দর হবে।রেওয়াজের সময় ধীরে ধীরে বাড়াতে হবে।”

সভাপতির বক্তব্যে হোসেন ইকবাল বলেন,”আমরা চাই ছেলেমেয়েরা অনেক বেশি সংস্কৃতিমনা হয়।আর এজন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের সহ শিক্ষামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকি।আমরা ২০২০ সালে করোনার সময় অনলাইনে প্রতিযোগিতা শুরু করি।এখন থেকে প্রতিযোগিতাগুলে সরাসরি হবে।

আপনারা অবশ্যই আমাদের সাথে থাকবেন এবং বই পড়বেন। আমাদের লাইব্রেরি সব সময় আপনাদের জন্য খোলা থাকবে।

একজন অভিভাবক তাঁর অনুভুতি ব্যক্ত করে বলেন,”গণগ্রন্থাগারের কার্যক্রম সত্যি প্রশংসার দাবিদার। আমি এর সদস্য হতে পেরে অনেক খুশি ও গর্বিত।আমরা এখান থেকে পছন্দ মত বই পড়তে পারছি।আমাদের সন্তানেরা অনেক উপকৃত হচ্ছে।

উক্ত অনুষ্ঠানের শুরুতে পাঠক স্বেচ্ছাসেবক এবং অভিভাবকদের  অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে. সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিভাগীয় সরকারি গ্রন্থাগারে পাঠক আড্ডা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

আপডেট সময় : ০২:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক:


২০ শে জুন (মঙ্গলবার) বিকেলে বিভাগীয় সরকারি গ্রন্থাগার রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হলো পাঠক আড্ডা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুহম্মদ আলমগীর, পিএইচডি, অধ্যাপক, নাট্যকলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাসুদ রানা, সহকারী পরিচালক, বিভাগীয় সরকারি গ্রন্থাগার রাজশাহী এবং ফারজানা আলী দিনা,সহকারী শিক্ষক (সংগীত), রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল স্কুল এণ্ড কলেজ, রাজশাহী।

সভাপতিত্ব করেন হোসেন ইকবাল,লাইব্রেরি কর্মকর্তা,বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র, রাজশাহী ইউনিট।

প্রধান অথিতির বক্তব্যে অধ্যাপক আলমগীর বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে সংস্কৃতিমণা মানুষের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সংস্কমতিমণা মানুষই সমাজকে সুন্দর রাখতে পারে। তাই আমাদের অতিরিক্ত মোবাইল ফোনের ব্যবহার কমিয়ে দিতে হবে। অনেক বেশি বই পড়তে হবে।তাহলে আমরা ভালো মানুষ হতে পারব।আমরা নিজেরা যদি ভাল মানুষ হতে না পারি তাহলে অন্য ভাল হতে বলতে পারি না।”

তিনি আরো বলেন, ” যেকোনো কিছুতে অভিভাবকদের সময়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।অভিভাবকেরা যদি সংস্কৃতিমনা না হই তাহলে আমটা সন্তানদের কাছ থেকে সেটা আশা করতে পারি না।তাই নিজেদের আগে সমৃদ্ধ করতে হবে।সন্তানদের কখনো চাপ দেওয়া যাবে না।বয়সের সাথে তাল মিলিয়ে সবকিছু করতে হবে”।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে, ”ফারজানা আলী দিনা বলেন,” সংগীত সুন্দর ভাবে শিখতে হবে।সুর, তাল, লয় ঠিক রেখে অন্তর থেকে গাইতে হবে।প্রতিদিন অনুশীলন করতে হবে।তাহলে কণ্ঠ সুন্দর হবে।রেওয়াজের সময় ধীরে ধীরে বাড়াতে হবে।”

সভাপতির বক্তব্যে হোসেন ইকবাল বলেন,”আমরা চাই ছেলেমেয়েরা অনেক বেশি সংস্কৃতিমনা হয়।আর এজন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের সহ শিক্ষামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকি।আমরা ২০২০ সালে করোনার সময় অনলাইনে প্রতিযোগিতা শুরু করি।এখন থেকে প্রতিযোগিতাগুলে সরাসরি হবে।

আপনারা অবশ্যই আমাদের সাথে থাকবেন এবং বই পড়বেন। আমাদের লাইব্রেরি সব সময় আপনাদের জন্য খোলা থাকবে।

একজন অভিভাবক তাঁর অনুভুতি ব্যক্ত করে বলেন,”গণগ্রন্থাগারের কার্যক্রম সত্যি প্রশংসার দাবিদার। আমি এর সদস্য হতে পেরে অনেক খুশি ও গর্বিত।আমরা এখান থেকে পছন্দ মত বই পড়তে পারছি।আমাদের সন্তানেরা অনেক উপকৃত হচ্ছে।

উক্ত অনুষ্ঠানের শুরুতে পাঠক স্বেচ্ছাসেবক এবং অভিভাবকদের  অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে. সি