বিএনপির নেতা টুকু ও টমাস বাহিনীর তান্ডবে বন্ধ বালু ঘাট
- আপডেট সময় : ০১:০৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক:
টুকু ও টমাস বাহিনীর তান্ডবে গোদাগাড়ী শেখের পাড়া, বালু মহল বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধ করেছে বালু মহলে কর্মরত, মালিক ,শ্রমিক ও রাজশাহীর সচেতন নাগরিক সমাজ ।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কোর্ট চত্বরে বালু মহলে কর্মরত মালিক, শ্রমিক ও রাজশাহীর সচেতন নাগরিক সমাজ মিলে এই কর্মসূচি করে।
মানববন্ধনে বালু মহলের ইজারাদার মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, চলতি বাংলা ১৪৩১ সালে গোদাগাড়ী বালু মহলের নিলামে অংশ নিয়ে আমার প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে এই বালু মহলের ইজারা লাভ করি। গত ১লা বৈশাখ এই বালু মহল আমাদের কাছে জেলা প্রশাসন বুঝিয়ে দেয়। এরপর থেকে আমরা নিয়ম মেনেই সেখান থেকে বালু উত্তোলন করে আসছি।
গত ৫ই আগস্ট ছাত্রজনতা গনঅভ্যুথ্যানের পরেও আমরা নিয়মিত আমাদের বালু উত্তোলন কার্যক্রম অব্যহত রাখি। কিন্তু গত কাল ২৩ তারিখে আনুমানিক রাত সাড়ে ১১টার সময় শেখের পাড়া প্রেমতলী বালু মহলে কর্মরত এক্সেবেটর ড্রাইভার রনি আমাকে মুঠোফোনে জানায় ছাত্রদলের পরিচয় দানকারী টমাসের নেতৃত্যে কয়েকজন স্থানীয় ব্যাক্তি এসে বালু বহনকারী ট্রাক গতিরোধ করে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছে।
তখন আমি টমাসের সাথে মুঠোফোনে যার নম্বর- ০১৭২৯-১২৫০৩২ যোগাযোগ করলে সে জানায় এখান থেকে বালু উত্তোলন করতে হলে আমাকে দৈনিক ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা অথবা এককালীন ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা চাঁদা দিতে হবে।
আপনাকে কেন চাঁদা দিতে হবে এই প্রশ্নের জবাবে টমাস জানায় আমি গোদাগাড়ী মাটিকাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আহসানুল কবির টুকুর ডান হাত এবং আমি গোদাগাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্মসম্পাদক আমাকে চাঁদা না দিলে কোন ভাবেই এখান থেকে বালু উত্তোলন করতে দিবনা। আমি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে টমাসকে অফিসে দেখা করার জন্য অনুরোধ করি। কিন্তু সে আমার সাথে কোন প্রকার দেখা যোগাযোগ করেনাই।
পুনরায় ২৪ তারিখ আনুমানিক দুপুর ১টার দিকে টমাস, রাকিব রাজিব, শরিফুল, রফিক সহ অজ্ঞাত আরো ২০ থেকে ২৫ জন মিলে আমাদের বালু মহলে গিয়ে হট্টোগোল করে পুরোপুরি বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেয় এবং আমাদের শেখেরপাড়া বালু মহলের ক্যাশিয়ার হিটলারকে হত্যার হুমকি দেয়।
এই সময় সেখানে সংবাদ সংগ্রহ করতে বেসরকারী স্যাটেলাইট টেলিভিশন, আরটিভি, একাত্তর টিভি সহ জাতীয় পত্রিকার বেশ কয়েকজন সাংবাদিক সেখানে গেলে তারা সাংবাদিকদের কেও শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করে। সাংবাদিকদের মধ্যে একজন মহিলা সাংবাদিক কেও লাঞ্চিত করে।
বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেওয়ায় আমার প্রতিষ্ঠানের প্রতিদিন আনুমানিক ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। তাদের ভয়ে আমরা সেখানে যেতে পারছিনা। সেখানে কর্মরত এক্সেবেটর ড্রাইভার, ট্রাক ড্রাইভার সহ দ্বায়িতে থাকা সকলকে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে তাড়িয়ে দেয়।
বিষয়টি নিয়ে গোদাগাড়ীর মাটিকাটা বিএনপির সভাপতি আহসানুল কবির টুকুকে মুঠো ফোনে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি
























