শক্তি বাড়াচ্ছে এনসিপি, যুক্ত হচ্ছেন জুলাই নেতারা
- আপডেট সময় : ০৩:৩৯:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় ডেস্ক: তরুণদের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন বৈষম্য ও ফ্যাসিবাদবিরোধী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একঝাঁক পরিচিত মুখ। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে শক্তিগুলোর ঐক্যপ্রক্রিয়া নিয়ে চলমান আলোচনায় বেশ অগ্রগতি হয়েছে। আপ বাংলাদেশের একাংশসহ বেশ কয়েকটি দলের নেতা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাবেক সমন্বয়ক ও ফ্রন্ট লাইনের পরিচিত অনেক মুখ এনসিপিতে যুক্ত হচ্ছেন। সে সঙ্গে জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়া বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় নেতার মেধাবী সন্তানসহ বিভিন্ন স্তরের নেতার এনসিপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে বলে জানা গেছে।
এনসিপির একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, এবি পার্টি ও আপ বাংলাদেশের সঙ্গে এনসিপির অনেক দিন ধরে আলোচনা চলছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাবেক সমন্বয়ক ও ফ্রন্টলাইনের পরিচিত অনেক মুখের সঙ্গেও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে বিএনপির বিভিন্ন স্তরের বঞ্চিত ও সম্প্রতি নির্বাচন করে পরাজিত হওয়া নেতা এবং গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সন্তানদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে এনসিপির। এ তিনদিকের নেতাদের সঙ্গে এনসিপির দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু নেতা ইতিবাচক সম্পর্ক ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন। দলের শক্তিমত্তা বাড়ানোর এ প্রচেষ্টায় বেশ অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করছেন তারা।
সূত্রমতে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, দেশে-বিদেশে একাডেমিশিয়ান, পরিচিত নারী মুখসহ সিভিল সোসাইটির গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এনসিপির অনেক দিন ধরে আলোচনা চলছে। তাদের মধ্য থেকে বেশকিছু পরিচিত ও আলোচিত মুখ দলটিতে শিগগির যুক্ত হবেন। এর মাধ্যমে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারি দলের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চায় এনসিপি। এখনো যারা এনসিপিতে যোগ দেওয়ার আলোচনায় থাকলেও পর্যাপ্ত অগ্রগতি আসেনি, তারাও পরিস্থিতি দেখে পরবর্তীতে যুক্ত হতে পারেন। এর মাধ্যমে পরিধি বাড়িয়ে আগামীর রাজনীতির অন্যতম বিকল্প শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার কথা ভাবছে দলটি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দলটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব আমার দেশকে বলেন, গণতন্ত্রের পক্ষের এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী যেকোনো দল ও ব্যক্তি এনসিপিতে যুক্ত হলে আমরা স্বাগত জানাব। জুলাই শক্তিগুলোর আলাদাভাবে লড়াইয়ের চেয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে পথচলা শক্তিশালী করবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং জুলাইয়ে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা রাখা তরুণদের একটি অংশের এনসিপিতে যুক্ত হওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে। এ ক্ষেত্রে আলোচনা অগ্রগতির দিকে এগোচ্ছে।
এনসিপি সূত্র জানায়, ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের (আপ বাংলাদেশ) আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাতসহ সংগঠনটির একটি বড় অংশের এনসিপিতে যুক্ত হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে শিগগির। তবে এবি পার্টির নেতাদের এনসিপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে আলোচনা অনেক আগে থেকে চললেও এখনো সে পর্যায়েই রয়েছে। দুটি দলই নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত হওয়া, নেতৃত্বের পুনর্বিন্যাসসহ কিছু বিষয়ে জটিলতা রয়েছে; সেগুলো সমাধান হয়ে যাওয়ার আশা করছেন এনসিপি নেতারা। তবে এবি পার্টির একটি সূত্র জানিয়েছে, এনসিপির সঙ্গে ঐক্যপ্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা অনেক দিন ধরে চলছে, তাতে কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি এখনো। দুটি নিবন্ধিত দলের এক হওয়া জটিল প্রক্রিয়া। শীর্ষ নেতারা বসে সিদ্ধান্ত নিলেই হয় না, মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদেরও ভূমিকা থাকে। দেখা যাক সামনে কোন দিকে আগানো যায়।
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু আমার দেশকে বলেন, জুলাই শক্তিগুলোর মধ্যে ঐক্যবদ্ধতা ধরে রাখার জন্য আমরা প্রথম থেকেই চেষ্টা করে এসেছি। তারই একটি অংশ ছিল এনসিপি, এবি পার্টি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ে একটি রাজনৈতিক জোট গঠন। যার নাম ছিল ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’। নির্বাচনের ডামাডোলে আমাদের সে জোটটি কন্টিনিউ করেনি। এনসিপি ও এবি পার্টি একীভূত হওয়ার কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। যা শোনা যাচ্ছে, সেগুলো ধারণাপ্রসূত, এর বেশি কিছু নয়।
এ ছাড়া জুলাই সংগ্রাম পরিষদ, জুলাই বিপ্লব পরিষদ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক প্ল্যাটফর্মগুলোর কিছু এনসিপির সঙ্গে একীভূত বা ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আলোচনাও অনেক দূর এগিয়েছে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন সাবেক সমন্বয়ক ও সহ-সমন্বয়ক, সাবেক বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কিছু পরিচিত নেতা, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংগঠকসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ছাত্র-জনতা এনসিপিতে যোগ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাদের সঙ্গে নানা চ্যানেলে আলোচনা চলমান রয়েছে। কার্যকর অগ্রগতি হলেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা আসবে।
সূত্রমতে, নির্বাচনের আগে সংস্কার নিয়ে বিএনপির অবস্থান আর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলটির ভূমিকা নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বিশেষ করে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর একটি অংশ এতে ক্ষুব্ধ, যা সামাজিকমাধ্যমেও প্রকাশ হচ্ছে। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার পক্ষে অবস্থান নেওয়া বিএনপির কিছু নেতা, পদপদবি ও মনোনয়নবঞ্চিত কিছু নেতা এবং গুরু্ত্বপূর্ণ কিছু নেতার সন্তানরা এনসিপির সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। তারা যুক্ত হলে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে যথাযথ মূল্যায়নের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছে দলটি। এমনকি সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদের অনেকে প্রার্থী হতে চাইলেও সায় দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আকরাম হুসাইন সিএফ আমার দেশকে বলেন, জুলাই শক্তিগুলোর পাশাপাশি বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতারা এনসিপির সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। দলটির গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেতার ছেলে-মেয়েসহ নানা স্তরের তরুণ নেতা, জুলাইয়ের পক্ষে কাজ করা পরিচিত একাডেমিশিয়ান, সাবেক আমলা ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তা ও পেশাজীবীদের থেকে আমরা ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছি। তাদের অনেকের রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী অঙ্গনে দীর্ঘ জার্নি রয়েছে, তাদের এই জার্নি এনসিপিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। তাদের বরণ করে নিতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। জুলাই শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধ না থাকলে আগামীর বাংলাদেশ নিরাপদ করা যাবে না। বিচার, সংস্কার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হলে আজ না হয় কাল ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনসিপির একজন যুগ্ম আহ্বায়ক আমার দেশকে বলেন, বিএনপি নির্বাচনের আগে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন নিয়ে যে অবস্থান নিয়েছিল, সরকার গঠনের পর দলটির সেই অবস্থান বদলে প্রায় বিপরীতে এসে দাঁড়িয়েছে। এতে সংস্কার বাস্তবায়নে জুলাই সনদে বিএনপি স্বাক্ষর করলেও তা অকার্যকর করার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। গণভোট ও সাংবিধানিক সংস্কারসহ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো আটকে দেওয়া হচ্ছে। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে বিদ্যমান ব্যবস্থায় রাষ্ট্র চালানোর পথে হাঁটছে বিএনপি। এতে জুলাই শক্তিগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ফলে আমাদের সবার ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। সামনের সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় জুলাই শক্তিগুলোর সঙ্গে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি এবং তাদের মধ্যে একটি অংশ এনসিপিতে যুক্ত হচ্ছে শিগগিরই। সব মিলিয়ে এনসিপিতে অর্ধশত নতুন মুখ যুক্ত হতে পারে।
সূত্র জানায়, চলতি মাসে অর্থাৎ এপ্রিলে একটি সাধারণ সভা হতে পারে এনসিপির। সেখানে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির বয়স এক বছর হওয়ায় আরো ছয়মাস বাড়ানো হতে পারে। কমিটির আকারও বাড়তে পারে। এনসিপিতে যোগদান নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে চলমান আলোচনার ফলাফলও আসতে পারে এ মাসে। রাজনীতিক থেকে পেশাজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এলে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটিরর সদস্যদের সংখ্যা বাড়ানো হবে। উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করে অনেককে পদায়ন করা হবে। নতুন করে যুক্ত হওয়াদের একটি অংশ এনসিপির মূল দলে, কিছু অঙ্গ-সহযোগী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্বে আসবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একজন নেতা আমার দেশকে বলেন, বিএনপি সরকার সংস্কারের আকাঙ্ক্ষার প্রায় বিপরীত মেরুতে অবস্থান নিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ আদেশগুলো যেভাবে বাতিল বা অকার্যকর করার পথে হাঁটছে এই সরকার, যেটি বিএনপির জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে। ফলে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে জুলাই শক্তিগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। সেটি বিবেচনা করে জুলাই শক্তিগুলোর অধিকতর অন্তর্ভুক্তির রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে হাজির হতে চায় এনসিপি। ঐক্যের যে আলোচনা চলমান রয়েছে, তা বাস্তবে ঘটলে আগামীর রাজনীতিক অন্যতম প্রধান বিকল্প রাজনৈতিক দল হিসেবে আবির্ভূত হবে এনসিপি।
এনসিপি বলছে, জুলাই শক্তিগুলোর মধ্যে যারা এনসিপিতে না এসে একটিভিজমে সক্রিয় থাকবে, তাদের অবস্থানকেও স্বাগত জানানো হবে। জুলাই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের পক্ষে অবস্থান নেওয়া সব রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও প্ল্যাটফর্মের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন থাকবে এনসিপির।
সূত্রমতে, বিরোধী জোট হিসেবে ১১ দলীয় ঐক্য কর্মসূচি দিলে তাতে অংশ নেবে এনসিপি। তবে সাংগঠনিক শক্তি বাড়িয়ে পৃথক কর্মসূচিও দেবে এনসিপি। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সংস্কার টেকসই করা এবং সংবিধান সংস্কারের ইস্যুতে কী ধরনের কর্মসূচি আসবে, তা সামনের সাধারণ সভায় ঠিক করা হবে।
গত রোববার জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা আবারও প্রস্তুতি নিচ্ছি; আমরা দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ আছি। এটি কোনো দলের বিষয় নয়, এটি কোনো জোটের বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশকে রক্ষা করার বিষয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে রক্ষা করার বিষয়। জুলাইয়ের শহীদদের রক্ত যাতে বৃথা না যায়, এটি সেই উদ্যোগের বিষয়। এর জন্য আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকব।
তিনি আরো বলেন, এবার আপনারা সামনে নয়, বরং আজকে এই মঞ্চে যারা বসে আছি, আমরাই সবার সামনের সারিতে থাকব। গুলি এলে আগে আমাদের বুকে লাগবে। আপনারা শুধু আমাদের সহযোগিতা করবেন এবং দোয়া করবেন। ইনশাআল্লাহ, নতুন বাংলাদেশ ও সংস্কার প্রতিষ্ঠিত হবেই। শুধু বিএনপি কেন, অন্য যে শক্তিই হোক না কেন, চাই সে কোনো পরাশক্তি বা বৈদেশিক শক্তি হোক, আমরা তাদের পরাজিত করে ছাড়ব।
এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সম্প্রতি বলেছেন, ‘আপনারা (বিএনপি সরকার) প্রায়ই বলেন যে, আগামী ১৫-২০ বছরেও দেশে কোনো গণঅভ্যুত্থান হবে না। কিন্তু ইতিহাসে এর নজির রয়েছে। ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের অর্জন যখন রক্ষা করা যায়নি, তখনই ৭১ সংঘটিত হয়েছিল। একইভাবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের অর্জন ও চেতনা যদি রক্ষা করা না যায়, তবে ২০২৬ বা ২০২৭ সালে আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে পারে।’





















