ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিব্র তাপদাহে পুড়ছে রাজশাহী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:  রাজশাহীসহ দেশের ছয়টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এক দিনের ব্যবধানে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়েছে ১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহীতে ৩৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা বুধবার বেড়ে দাঁড়ায় ৩৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রতিবেদন ও পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। গত মঙ্গলবার পয়লা বৈশাখের দিনও এই ছয় জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে।

বুধবার সন্ধ্যার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। এতে আজ বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি কমতে পারে ও সাময়িকভাবে প্রশমিত হতে পারে তাপপ্রবাহ। আগামীকাল শুক্রবার তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। হতে পারে শিলাবৃষ্টিও। শনিবার আবহাওয়ার তেমন কোনো তারতম্য না হলেও রোববার থেকে ফের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।

তাপপ্রবাহের মাত্রা নির্ধারণে বলা হয়েছে, তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা মৃদু, ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে মাঝারি এবং ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে বিবেচিত হয়।

দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ মাসে দুই থেকে চারটি মৃদু বা মাঝারি এবং এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে ৫ থেকে ৭ দিন হালকা থেকে মাঝারি বজ্রঝড় এবং ১ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব ঝড়বৃষ্টির সময় তাপমাত্রা সাময়িকভাবে কমলেও পরে আবার তা বাড়তে পারে। জুন পর্যন্ত তিন থেকে চারটি তীব্র এবং ছয় থেকে আটটি মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ হতে পারে।

২০২৪ সালে দেশে টানা ৩৬ দিনের দীর্ঘ তাপপ্রবাহ রেকর্ড হয়েছিল, যা গত ৭৬ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থা ডব্লিউএমওর ‘স্টেট অব দ্য গ্লোবাল ক্লাইমেট-২০২৫’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৫ থেকে ২০২৫ এই সময়কাল ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ ১১ বছর। ২০২৫ সাল ছিল গত ১৭৬ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় বা তৃতীয় উষ্ণতম বছর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তিব্র তাপদাহে পুড়ছে রাজশাহী

আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:  রাজশাহীসহ দেশের ছয়টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এক দিনের ব্যবধানে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়েছে ১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহীতে ৩৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা বুধবার বেড়ে দাঁড়ায় ৩৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রতিবেদন ও পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। গত মঙ্গলবার পয়লা বৈশাখের দিনও এই ছয় জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে।

বুধবার সন্ধ্যার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। এতে আজ বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি কমতে পারে ও সাময়িকভাবে প্রশমিত হতে পারে তাপপ্রবাহ। আগামীকাল শুক্রবার তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। হতে পারে শিলাবৃষ্টিও। শনিবার আবহাওয়ার তেমন কোনো তারতম্য না হলেও রোববার থেকে ফের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।

তাপপ্রবাহের মাত্রা নির্ধারণে বলা হয়েছে, তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা মৃদু, ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে মাঝারি এবং ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে বিবেচিত হয়।

দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ মাসে দুই থেকে চারটি মৃদু বা মাঝারি এবং এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে ৫ থেকে ৭ দিন হালকা থেকে মাঝারি বজ্রঝড় এবং ১ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব ঝড়বৃষ্টির সময় তাপমাত্রা সাময়িকভাবে কমলেও পরে আবার তা বাড়তে পারে। জুন পর্যন্ত তিন থেকে চারটি তীব্র এবং ছয় থেকে আটটি মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ হতে পারে।

২০২৪ সালে দেশে টানা ৩৬ দিনের দীর্ঘ তাপপ্রবাহ রেকর্ড হয়েছিল, যা গত ৭৬ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থা ডব্লিউএমওর ‘স্টেট অব দ্য গ্লোবাল ক্লাইমেট-২০২৫’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৫ থেকে ২০২৫ এই সময়কাল ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ ১১ বছর। ২০২৫ সাল ছিল গত ১৭৬ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় বা তৃতীয় উষ্ণতম বছর।