ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে বাড়ছে হাসপাতাল-ক্লিনিক: বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয়-মান নিয়ে প্রশ্ন অধিকার’র মানববন্ধনে বক্তারা: গুমের অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা শৃঙ্খলা বাহিনী নয় রাবির সহযোগী অধ্যাপক সুজন সেনের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবীতে শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম রাজশাহীতে ২১ পিস ইয়াবাসহ কথিত সাংবাদিক ও বহিষ্কৃত যুবদল নেতা মিশাল আটক পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১৮৫৫ পদে নিয়োগে ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল সরকার জনগণের গণরায় উপেক্ষা করায় রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছি: এটিএম আজহারুল ইসলাম রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে শ্রমিক কল্যানের ষান্মাসিক রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত  পুলিশ সদস্যকে প্রকাশ্যে থাপ্পড় মারলেন ছাত্রদল নেতা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: ভারতের হুঁশিয়ারি কেন

জুলাই সনদের বাস্তবায়ন কোনো রাজনৈতিক দলের ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না: পোস্টে ড. মির্জা গালিব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৮:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
প্রসঙ্গ অনলাইন: জুলাই সনদের বাস্তবায়ন কোনো একটা রাজনৈতিক দলের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিবির নেতা ড. মির্জা গালিব। তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করেই আমাদের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করতে হবে। এইখানে কোনো কম্প্রোমাইজ হবে না। শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

পোস্টে ড. গালিব বলেন—জুলাই সনদের বাস্তবায়ন আমাদের লাগবেই। এটা না হলে আমরা ফেরত যাব হাসিনার আমলের সিস্টেমে। এই সিস্টেমে হাসিনা এসে আবার দাবি করতে পারবে যে, সে নিজে অবৈধ ছিল না; বরং তার বিপক্ষে যে আন্দোলন হয়েছে, সেই আন্দোলনই অবৈধ ছিল।

জুলাই সনদ জনগণের সামষ্টিক ইচ্ছার প্রতিফলন উল্লেখ করে ড. গালিব বলেন, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন কোনো একটি রাজনৈতিক দলের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না। এটা জনগণের সামষ্টিক ইচ্ছার প্রতিফলন হতে হবে। গণভোট হলো একমাত্র পদ্ধতি যার মাধ্যমে এই সামষ্টিক ইচ্ছার প্রতিফলন তৈরি করা যাবে। কাজেই গণভোট হতে হবে এবং এই গণভোটের রায় পরের সংসদের ওপর বাইন্ডিং হতে হবে। পরের সংসদকে এই জনরায় বাস্তবায়ন করতে বাধ্য থাকতে হবে।

গণভোটের সময় নিয়ে তিনি বলেন, এই গণভোট ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে হবে, না একসাথে হবে-এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন না। বিএনপি যদি জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে এটা একসঙ্গে করতে চায়- অন্যদের এটা মেনে নিতে খুব আপত্তি করা উচিত না। মূল প্রশ্ন হলো— গণভোটের মধ্য দিয়ে সনদকে আইনি বাধ্যবাধকতায় নিয়ে যাওয়া।

দুইটা প্যাকেজ গণভোটে যাওয়া উচিত উল্লেখ করে ড. মির্জা গালিব বলেন, সনদের মধ্যে যে সব বিষয়ে সব দল একমত হয়েছে, সেগুলো একটা প্যাকেজ, আর যে সব বিষয়ে কিছু দলের দ্বিমত/ডিসেন্ট আছে-সেগুলো আলাদা একটা প্যাকেজ হওয়া উচিত। এই দুইটা প্যাকেজ গণভোটে যাওয়া উচিত। দুইটা আলাদা আলাদা প্রশ্ন থাকবে। জনগণ দুইটাতে আলাদা আলাদা ইয়েস/নো ভোট দেবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ যেইটাতে এগ্রি করবে, সেটাই আমাদের সামষ্টিক চয়েজ।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করেই আমাদের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করতে হবে। এখানে কোনো কম্প্রোমাইজ হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জুলাই সনদের বাস্তবায়ন কোনো রাজনৈতিক দলের ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না: পোস্টে ড. মির্জা গালিব

আপডেট সময় : ০৮:১৮:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫
প্রসঙ্গ অনলাইন: জুলাই সনদের বাস্তবায়ন কোনো একটা রাজনৈতিক দলের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিবির নেতা ড. মির্জা গালিব। তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করেই আমাদের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করতে হবে। এইখানে কোনো কম্প্রোমাইজ হবে না। শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

পোস্টে ড. গালিব বলেন—জুলাই সনদের বাস্তবায়ন আমাদের লাগবেই। এটা না হলে আমরা ফেরত যাব হাসিনার আমলের সিস্টেমে। এই সিস্টেমে হাসিনা এসে আবার দাবি করতে পারবে যে, সে নিজে অবৈধ ছিল না; বরং তার বিপক্ষে যে আন্দোলন হয়েছে, সেই আন্দোলনই অবৈধ ছিল।

জুলাই সনদ জনগণের সামষ্টিক ইচ্ছার প্রতিফলন উল্লেখ করে ড. গালিব বলেন, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন কোনো একটি রাজনৈতিক দলের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না। এটা জনগণের সামষ্টিক ইচ্ছার প্রতিফলন হতে হবে। গণভোট হলো একমাত্র পদ্ধতি যার মাধ্যমে এই সামষ্টিক ইচ্ছার প্রতিফলন তৈরি করা যাবে। কাজেই গণভোট হতে হবে এবং এই গণভোটের রায় পরের সংসদের ওপর বাইন্ডিং হতে হবে। পরের সংসদকে এই জনরায় বাস্তবায়ন করতে বাধ্য থাকতে হবে।

গণভোটের সময় নিয়ে তিনি বলেন, এই গণভোট ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে হবে, না একসাথে হবে-এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন না। বিএনপি যদি জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে এটা একসঙ্গে করতে চায়- অন্যদের এটা মেনে নিতে খুব আপত্তি করা উচিত না। মূল প্রশ্ন হলো— গণভোটের মধ্য দিয়ে সনদকে আইনি বাধ্যবাধকতায় নিয়ে যাওয়া।

দুইটা প্যাকেজ গণভোটে যাওয়া উচিত উল্লেখ করে ড. মির্জা গালিব বলেন, সনদের মধ্যে যে সব বিষয়ে সব দল একমত হয়েছে, সেগুলো একটা প্যাকেজ, আর যে সব বিষয়ে কিছু দলের দ্বিমত/ডিসেন্ট আছে-সেগুলো আলাদা একটা প্যাকেজ হওয়া উচিত। এই দুইটা প্যাকেজ গণভোটে যাওয়া উচিত। দুইটা আলাদা আলাদা প্রশ্ন থাকবে। জনগণ দুইটাতে আলাদা আলাদা ইয়েস/নো ভোট দেবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ যেইটাতে এগ্রি করবে, সেটাই আমাদের সামষ্টিক চয়েজ।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করেই আমাদের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করতে হবে। এখানে কোনো কম্প্রোমাইজ হবে না।