ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান: অবাঞ্ছিত ঘোষণা রাজশাহী কলেজে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অত্যন্ত সুকৌশলে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে : অলি আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ কওমি মাদরাসার বাজেট ইস্যু-বিএনপি কোনো কওমের জন্য কাজ করে না : নিলোফার চৌধুরী মনি বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যার ঘটনায় ৫ জনের ফাঁসি, ৫ জনের কারাদণ্ড বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজশাহী কলেজে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে জামায়াত: সেলিম উদ্দিন মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় দুবাই ভিসা, ৪ হাজারে মিলছে থাকার হোটেল মামুনুল হককে নিয়ে আলোচনা: নিজের বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার

বিএনপির মাধবী মার্মার প্রার্থিতা বাতিল চান ছাত্রদল নেত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪১:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে

আপিল আবেদনা জমা দেওয়ার পর চন্দ্রা চাকমা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি চন্দ্রা চাকমা। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীত নারী প্রার্থী মাধবী মার্মা বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ না করে, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ ব্যতীত গত ২১ এপ্রিল জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। যা আইনগতভাবে অবৈধ।’

চন্দ্রা চাকমা বলেন, ‘সেজন্য আমি তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বরাবর আবেদন করেছি। আশা করি, নির্বাচন কমিশন থেকে এ বিষয় গুরুত্বর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এ সময় সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী আপনিও ছিলেন কি না—জানতে চাইলে চন্দ্রা চাকমা বলেন, ‘হ্যাঁ, আমিও প্রার্থী ছিলাম। বিএনপি থেকে নমিনেশন কিনেছিলাম এবং নির্বাচন কমিশন অফিস থেকেও আমি নিয়েছিলাম।’ চন্দ্রা চাকমা আরও জানান, তিনি নিজেও এই আসনের একজন প্রার্থী ছিলেন এবং বিএনপি ও নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে চন্দ্রা চাকমা বলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদ আইনে সদস্যদের জনসেবক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং পদত্যাগ কার্যকর হওয়ার জন্য নির্ধারিত প্রক্রিয়া রয়েছে। তাঁর দাবি, সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই মাধবী মারমা প্রার্থী হয়েছেন, যা জেলা পরিষদ আইন ও নির্বাচন কমিশনের বিধান লঙ্ঘনের শামিল।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাধবী মার্মা। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ২০ এপ্রিলই তিনি জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। তাঁর দাবি, পদত্যাগের বিষয়টি যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে, ২০ এপ্রিল স্বাক্ষরিত মাধবী মার্মার পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মুহা. আবুল মনসুর। তিনি জানান, পদত্যাগপত্র সংক্রান্ত ফাইল আজ তাঁর কাছে পৌঁছেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিএনপির মাধবী মার্মার প্রার্থিতা বাতিল চান ছাত্রদল নেত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৪১:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

আপিল আবেদনা জমা দেওয়ার পর চন্দ্রা চাকমা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি চন্দ্রা চাকমা। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীত নারী প্রার্থী মাধবী মার্মা বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ না করে, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ ব্যতীত গত ২১ এপ্রিল জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। যা আইনগতভাবে অবৈধ।’

চন্দ্রা চাকমা বলেন, ‘সেজন্য আমি তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বরাবর আবেদন করেছি। আশা করি, নির্বাচন কমিশন থেকে এ বিষয় গুরুত্বর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এ সময় সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী আপনিও ছিলেন কি না—জানতে চাইলে চন্দ্রা চাকমা বলেন, ‘হ্যাঁ, আমিও প্রার্থী ছিলাম। বিএনপি থেকে নমিনেশন কিনেছিলাম এবং নির্বাচন কমিশন অফিস থেকেও আমি নিয়েছিলাম।’ চন্দ্রা চাকমা আরও জানান, তিনি নিজেও এই আসনের একজন প্রার্থী ছিলেন এবং বিএনপি ও নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে চন্দ্রা চাকমা বলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদ আইনে সদস্যদের জনসেবক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং পদত্যাগ কার্যকর হওয়ার জন্য নির্ধারিত প্রক্রিয়া রয়েছে। তাঁর দাবি, সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই মাধবী মারমা প্রার্থী হয়েছেন, যা জেলা পরিষদ আইন ও নির্বাচন কমিশনের বিধান লঙ্ঘনের শামিল।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাধবী মার্মা। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ২০ এপ্রিলই তিনি জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। তাঁর দাবি, পদত্যাগের বিষয়টি যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে, ২০ এপ্রিল স্বাক্ষরিত মাধবী মার্মার পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মুহা. আবুল মনসুর। তিনি জানান, পদত্যাগপত্র সংক্রান্ত ফাইল আজ তাঁর কাছে পৌঁছেছে।