ঢাকা ০৪:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান: অবাঞ্ছিত ঘোষণা রাজশাহী কলেজে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অত্যন্ত সুকৌশলে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে : অলি আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ কওমি মাদরাসার বাজেট ইস্যু-বিএনপি কোনো কওমের জন্য কাজ করে না : নিলোফার চৌধুরী মনি বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যার ঘটনায় ৫ জনের ফাঁসি, ৫ জনের কারাদণ্ড বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজশাহী কলেজে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে জামায়াত: সেলিম উদ্দিন মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় দুবাই ভিসা, ৪ হাজারে মিলছে থাকার হোটেল মামুনুল হককে নিয়ে আলোচনা: নিজের বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার

ইভ্যালির মালিক দম্পতির বিরুদ্ধে ৩১০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক: অনলাইনে পণ্য বিক্রির নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্ডার নিয়ে নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ না করে ৩১০ কোটি ৯৯ লাখ ১৩ হাজার ৪০৭ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে ইভ্যালিডটকম লিমিটেডের মালিক মো. রাসেল (৪৩) ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের (৪০) বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছে সিআইডি। সোমবার দুপুরে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, মো. রাসেল ও শামীমা নাসরিনসহ অজ্ঞাতনামা সহযোগীরা পরস্পর যোগসাজশে ঢাকার কাফরুল থানাধীন ৩০৩/ডি, পূর্ব কাজীপাড়া, মিরপুরে ইভ্যালি.কম লিমিটেড নামে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটি খুলে ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে অসংখ্য গ্রাহকের কাছ থেকে পণ্য বিক্রি ও ডেলিভারির জন্য অনলাইনে অর্ডার গ্রহণ করেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পণ্য সরবরাহ না করে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ সংগ্রহ করেন।

একই সঙ্গে বিভিন্ন মার্চেন্ট প্রতিষ্ঠান থেকে বড় অঙ্কের পণ্য কিনে মূল্য পরিশোধ না করে সেই অর্থও আত্মসাৎ করেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। আত্মসাৎকৃত টাকা দিয়ে তারা বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়, বিভিন্ন সম্পদ অর্জন এবং স্বামী-স্ত্রী মিলে বিদেশভ্রমণসহ ভোগ-বিলাসিতায় ব্যয় করেছেন। গ্রাহকদের বারবার নতুন ডেলিভারির তারিখ দিয়ে আশ্বস্ত করা হলেও শেষ পর্যন্ত পণ্য সরবরাহ করা হয়নি, যা স্পষ্ট প্রতারণার শামিল।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের মাধ্যমে হাজার হাজার গ্রাহক ও মার্চেন্ট প্রতারিত হয়েছেন। সিআইডি এ ঘটনায় আরও গভীর তদন্ত চালিয়ে আত্মসাৎকৃত অর্থের হদিস ও সহযোগীদের চিহ্নিত করার লক্ষ্যে মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। সিআইডির অনুসন্ধানে এসব অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ডিএমপির কাফরুল থানায় গতকাল ২৮ মার্চ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়।

আসামিরা হলেন— মো. রাসেল (৪৩), শামীমা নাসরিন (৪০), ইভ্যালি.কম লিমিটেড এবং অজ্ঞাতনামা সহযোগী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইভ্যালির মালিক দম্পতির বিরুদ্ধে ৩১০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলা

আপডেট সময় : ১০:০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

আইন আদালত ডেস্ক: অনলাইনে পণ্য বিক্রির নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্ডার নিয়ে নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ না করে ৩১০ কোটি ৯৯ লাখ ১৩ হাজার ৪০৭ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে ইভ্যালিডটকম লিমিটেডের মালিক মো. রাসেল (৪৩) ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের (৪০) বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছে সিআইডি। সোমবার দুপুরে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, মো. রাসেল ও শামীমা নাসরিনসহ অজ্ঞাতনামা সহযোগীরা পরস্পর যোগসাজশে ঢাকার কাফরুল থানাধীন ৩০৩/ডি, পূর্ব কাজীপাড়া, মিরপুরে ইভ্যালি.কম লিমিটেড নামে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটি খুলে ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে অসংখ্য গ্রাহকের কাছ থেকে পণ্য বিক্রি ও ডেলিভারির জন্য অনলাইনে অর্ডার গ্রহণ করেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পণ্য সরবরাহ না করে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ সংগ্রহ করেন।

একই সঙ্গে বিভিন্ন মার্চেন্ট প্রতিষ্ঠান থেকে বড় অঙ্কের পণ্য কিনে মূল্য পরিশোধ না করে সেই অর্থও আত্মসাৎ করেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। আত্মসাৎকৃত টাকা দিয়ে তারা বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়, বিভিন্ন সম্পদ অর্জন এবং স্বামী-স্ত্রী মিলে বিদেশভ্রমণসহ ভোগ-বিলাসিতায় ব্যয় করেছেন। গ্রাহকদের বারবার নতুন ডেলিভারির তারিখ দিয়ে আশ্বস্ত করা হলেও শেষ পর্যন্ত পণ্য সরবরাহ করা হয়নি, যা স্পষ্ট প্রতারণার শামিল।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের মাধ্যমে হাজার হাজার গ্রাহক ও মার্চেন্ট প্রতারিত হয়েছেন। সিআইডি এ ঘটনায় আরও গভীর তদন্ত চালিয়ে আত্মসাৎকৃত অর্থের হদিস ও সহযোগীদের চিহ্নিত করার লক্ষ্যে মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। সিআইডির অনুসন্ধানে এসব অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ডিএমপির কাফরুল থানায় গতকাল ২৮ মার্চ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়।

আসামিরা হলেন— মো. রাসেল (৪৩), শামীমা নাসরিন (৪০), ইভ্যালি.কম লিমিটেড এবং অজ্ঞাতনামা সহযোগী।