ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিপিসির সাড়ে তিন মাসে লোকসান ১৭ হাজার ৩৯ কোটি টাকা: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ অভিযান সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপির এমপি মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অডিও ভাইরাল: অভিযোগ অস্বীকার গাইবান্ধায় সাইফুল্লাহ হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহীতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান: অবাঞ্ছিত ঘোষণা রাজশাহী কলেজে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অত্যন্ত সুকৌশলে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে : অলি আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

হাদির হত্যাকারী ফয়সাল ও আলমগীরকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ ভারতে গ্রেপ্তার দুজনকে বাংলাদেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) তথ্যের ভিত্তিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক হাদি হত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও আলমগীর হোসেনকে (৩৪) পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী সম্প্রতি ভারত সফর করেন। তার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে যাওয়া সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশটি কঠোর হয়।

জানা গেছে, হাদি হত্যায় জড়িত ফয়সাল ও আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন। এরপর তারা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করেন। সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে ফিরতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁর সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

গত শনিবার রাতে গ্রেপ্তারের পর রোববার ফয়সাল ও আলমগীরকে পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের ১৪ দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। ভারতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ফয়সাল ও আলমগীরকে দ্রুত বাংলাদেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

আইএসপিআর আরও জানায়, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে হামলার শিকার হন শরিফ ওসমান হাদি। সে সময় গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ওই মাসের ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হাদির হত্যাকারী ফয়সাল ও আলমগীরকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে

আপডেট সময় : ০৩:১৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ ভারতে গ্রেপ্তার দুজনকে বাংলাদেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) তথ্যের ভিত্তিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক হাদি হত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও আলমগীর হোসেনকে (৩৪) পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী সম্প্রতি ভারত সফর করেন। তার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে যাওয়া সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশটি কঠোর হয়।

জানা গেছে, হাদি হত্যায় জড়িত ফয়সাল ও আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন। এরপর তারা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করেন। সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে ফিরতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁর সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

গত শনিবার রাতে গ্রেপ্তারের পর রোববার ফয়সাল ও আলমগীরকে পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের ১৪ দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। ভারতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ফয়সাল ও আলমগীরকে দ্রুত বাংলাদেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

আইএসপিআর আরও জানায়, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে হামলার শিকার হন শরিফ ওসমান হাদি। সে সময় গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ওই মাসের ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান।