ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যুর ঘটনায় সরকারের গভীর উদ্বেগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৬০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: শেরপুরে সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যুতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এক বিবৃতিতে সরকার জানায়, সহিংসতার সঙ্গে জড়িত যেকোনো প্রাণহানি অগ্রহণযোগ্য ও গভীরভাবে দুঃখজনক।

জাতীয় নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি থাকায় সরকার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ সব রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এবং তাদের সমর্থকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছে। এতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয় দেখানো এবং প্রাণহানির কোনো স্থান নেই। বিবৃতিতে বলা হয়, শেরপুরের সংঘর্ষের ঘটনা ও হত্যার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সব অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনা হবে। জেলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

সব দল, নেতা ও সমর্থকদের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়। এতে আরো বলা হয়, শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক উপায়ে ভোটারদের সম্পৃক্ত করতে তাদের ভূমিকা পালন করতে হবে। জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে সব পক্ষের শান্তি, শৃঙ্খলা এবং গণতান্ত্রিক আচরণের ওপর। সবশেষে বল হয়, শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বুধবার শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনি ইশতেহার অনুষ্ঠান মঞ্চে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নিহত হন। আহত হন উভয় পক্ষের প্রায় ৫০ জন। ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে ইশতেহার অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শেরপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যুর ঘটনায় সরকারের গভীর উদ্বেগ

আপডেট সময় : ১১:০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: শেরপুরে সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যুতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এক বিবৃতিতে সরকার জানায়, সহিংসতার সঙ্গে জড়িত যেকোনো প্রাণহানি অগ্রহণযোগ্য ও গভীরভাবে দুঃখজনক।

জাতীয় নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি থাকায় সরকার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ সব রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এবং তাদের সমর্থকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছে। এতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয় দেখানো এবং প্রাণহানির কোনো স্থান নেই। বিবৃতিতে বলা হয়, শেরপুরের সংঘর্ষের ঘটনা ও হত্যার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সব অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনা হবে। জেলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

সব দল, নেতা ও সমর্থকদের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়। এতে আরো বলা হয়, শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক উপায়ে ভোটারদের সম্পৃক্ত করতে তাদের ভূমিকা পালন করতে হবে। জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে সব পক্ষের শান্তি, শৃঙ্খলা এবং গণতান্ত্রিক আচরণের ওপর। সবশেষে বল হয়, শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বুধবার শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনি ইশতেহার অনুষ্ঠান মঞ্চে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নিহত হন। আহত হন উভয় পক্ষের প্রায় ৫০ জন। ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে ইশতেহার অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।