ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান: অবাঞ্ছিত ঘোষণা রাজশাহী কলেজে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অত্যন্ত সুকৌশলে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে : অলি আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ কওমি মাদরাসার বাজেট ইস্যু-বিএনপি কোনো কওমের জন্য কাজ করে না : নিলোফার চৌধুরী মনি বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যার ঘটনায় ৫ জনের ফাঁসি, ৫ জনের কারাদণ্ড বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজশাহী কলেজে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে জামায়াত: সেলিম উদ্দিন মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় দুবাই ভিসা, ৪ হাজারে মিলছে থাকার হোটেল মামুনুল হককে নিয়ে আলোচনা: নিজের বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার

আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও সিরাজগঞ্জ-৩: সংকট, আতঙ্ক এবং আশার খোঁজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

আমিনুর রহমান: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৩ আসন—যা রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা এই তিনটি থানা নিয়ে গঠিত—বর্তমানে এক গভীর সামাজিক ও আইন-শৃঙ্খলা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে জমে ওঠা নানা সমস্যায় এলাকাটি আজ কার্যত জর্জরিত। এসব সমস্যার দ্রুত ও কার্যকর সমাধান এখন এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

এই অঞ্চলের প্রধান ও সবচেয়ে ভয়াবহ সমস্যাগুলোর মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে বেকারত্ব এবং অনলাইন জুয়ার মারাত্মক বিস্তার। এই দুটি সমস্যা এমন ভয়ংকরভাবে সমাজের ভেতরে ঢুকে পড়েছে যে বহু পরিবার ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। তরুণ সমাজ দিকভ্রান্ত হয়ে পড়ছে, সংসারে নেমে আসছে অশান্তি ও অনিশ্চয়তা।

এর পাশাপাশি এলাকায় ছিনতাই ও চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি মাত্র কয়েকদিন আগেই রায়গঞ্জ পৌরসভার ধানগড়ার মতো একটি জনবহুল এলাকায় দিনের আলোতে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে, যা এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

আরও ভয়াবহভাবে বেড়েছে মাদকাসক্তি ও মাদক ব্যবসা। মাদক এখন আর গোপন কোনো বিষয় নয়—এটি যেন এলাকায় একটি “ওপেন সিক্রেট”। প্রকাশ্যেই মাদক ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে, অথচ কার্যকর কোনো প্রতিরোধ চোখে পড়ছে না।

বেকারত্ব বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়েছে আইন-শৃঙ্খলার ওপর। নিয়মিতই সাধারণ কৃষকদের গোয়াল থেকে গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। রাস্তাঘাটে অটো রিকশা ছিনতাই এখন প্রায় নিত্যদিনের ঘটনা। এমনকি মাঝেমাঝেই শোনা যাচ্ছে ভয়াবহ খবর—চালককে হত্যা করে অটো ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। রাত আটটার পর এলাকাটির বহু রাস্তা কার্যত অপরাধের আড্ডাখানায় পরিণত হয়।

এলাকাবাসীর মতে, বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলেই মূলত এই অপরাধপ্রবণতা চরম আকার ধারণ করে। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে অনেকের কাছে এসব অপকর্ম যেন একটি “শিল্পে” রূপ নিয়েছে। এর পেছনে বড় কারণ হিসেবে উঠে আসছে তৎকালীন প্রশাসনের চরম দুর্নীতি।

বিশেষ করে রায়গঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম–এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি সরাসরি আওয়ামী সন্ত্রাসীদের উস্কে দিতেন এবং নিজেও চাঁদাবাজি, মিথ্যা মামলা বাণিজ্যসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এসব অভিযোগে তার নামে মামলা হওয়ার ঘটনাও সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় আসে। এছাড়াও আরেকজন ওসির বিরুদ্ধে তেল চুরির মামলা হওয়ার ঘটনাও এলাকায় প্রশাসনের চরিত্র নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দেয়।

যখন নিয়মিতভাবে প্রশাসনের একটি অংশই এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকে, তখন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা যে কতটা ভঙ্গুর হয়ে পড়ে, সিরাজগঞ্জ-৩ তার বাস্তব উদাহরণ। পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে বিগত স্বৈরাচার আমলে তৎকালীন এমপি আব্দুল আজিজের অথর্ব ও ব্যর্থ দায়িত্ব পালন। তার সময়ে চুরি-ছিনতাই আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে এলাকায় চার (চাঁদা) আদায়ের নামে বিচার ব্যবসা ও চাঁদাবাজি অবাধে চলেছে। এসব কারণে রায়গঞ্জসহ পুরো আসনের মানুষ আজ রীতিমতো বিরক্ত, ক্ষুব্ধ এবং আতঙ্কিত।

এই চরম সংকটময় পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর সামনে আশার আলো হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুস সামাদ। ইতিমধ্যে তিনি এলাকায় চলমান সমস্যাগুলো নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলেছেন, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

অধ্যাপক আব্দুস সামাদ স্পষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন—ক্ষমতায় আসতে পারলে তিনি বেকারত্ব দূরীকরণ, আইন-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং মাদক ব্যবসা সমূলে উৎখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবেন। বিশেষ করে যুব সমাজকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সঠিক পথে ফেরানো এবং অপরাধের মূল উৎসগুলো বন্ধ করতে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

এই কারণেই এলাকাবাসীর মধ্যে অধ্যাপক আব্দুস সামাদকে নিয়ে আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। তার পক্ষে কাজ করা, আলোচনা করা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে আশা দেখার প্রবণতা স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ব্যক্তিগত জীবনে অধ্যাপক আব্দুস সামাদ একজন সৎ, পরিচ্ছন্ন ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তিনি ইসলামী ব্যাংকের মতো দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় অংশীদার ছিলেন এবং দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে সুনাম অর্জন করেছেন। তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত জীবনে কোনো কেলেঙ্কারি কিংবা সামান্য অভিযোগেরও দৃষ্টান্ত নেই।

সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের এই চরম সংকটময় মুহূর্তে তাই অনেকের চোখে অধ্যাপক আব্দুস সামাদ একজন ত্রাতা ও পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছেন। এলাকাবাসীর ন্যায্য অধিকার, নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ জীবন ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রে আজ তার নামই সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও সিরাজগঞ্জ-৩: সংকট, আতঙ্ক এবং আশার খোঁজ

আপডেট সময় : ০৪:০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

আমিনুর রহমান: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৩ আসন—যা রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা এই তিনটি থানা নিয়ে গঠিত—বর্তমানে এক গভীর সামাজিক ও আইন-শৃঙ্খলা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে জমে ওঠা নানা সমস্যায় এলাকাটি আজ কার্যত জর্জরিত। এসব সমস্যার দ্রুত ও কার্যকর সমাধান এখন এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

এই অঞ্চলের প্রধান ও সবচেয়ে ভয়াবহ সমস্যাগুলোর মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে বেকারত্ব এবং অনলাইন জুয়ার মারাত্মক বিস্তার। এই দুটি সমস্যা এমন ভয়ংকরভাবে সমাজের ভেতরে ঢুকে পড়েছে যে বহু পরিবার ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। তরুণ সমাজ দিকভ্রান্ত হয়ে পড়ছে, সংসারে নেমে আসছে অশান্তি ও অনিশ্চয়তা।

এর পাশাপাশি এলাকায় ছিনতাই ও চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি মাত্র কয়েকদিন আগেই রায়গঞ্জ পৌরসভার ধানগড়ার মতো একটি জনবহুল এলাকায় দিনের আলোতে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে, যা এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

আরও ভয়াবহভাবে বেড়েছে মাদকাসক্তি ও মাদক ব্যবসা। মাদক এখন আর গোপন কোনো বিষয় নয়—এটি যেন এলাকায় একটি “ওপেন সিক্রেট”। প্রকাশ্যেই মাদক ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে, অথচ কার্যকর কোনো প্রতিরোধ চোখে পড়ছে না।

বেকারত্ব বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়েছে আইন-শৃঙ্খলার ওপর। নিয়মিতই সাধারণ কৃষকদের গোয়াল থেকে গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। রাস্তাঘাটে অটো রিকশা ছিনতাই এখন প্রায় নিত্যদিনের ঘটনা। এমনকি মাঝেমাঝেই শোনা যাচ্ছে ভয়াবহ খবর—চালককে হত্যা করে অটো ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। রাত আটটার পর এলাকাটির বহু রাস্তা কার্যত অপরাধের আড্ডাখানায় পরিণত হয়।

এলাকাবাসীর মতে, বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলেই মূলত এই অপরাধপ্রবণতা চরম আকার ধারণ করে। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে অনেকের কাছে এসব অপকর্ম যেন একটি “শিল্পে” রূপ নিয়েছে। এর পেছনে বড় কারণ হিসেবে উঠে আসছে তৎকালীন প্রশাসনের চরম দুর্নীতি।

বিশেষ করে রায়গঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম–এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি সরাসরি আওয়ামী সন্ত্রাসীদের উস্কে দিতেন এবং নিজেও চাঁদাবাজি, মিথ্যা মামলা বাণিজ্যসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এসব অভিযোগে তার নামে মামলা হওয়ার ঘটনাও সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় আসে। এছাড়াও আরেকজন ওসির বিরুদ্ধে তেল চুরির মামলা হওয়ার ঘটনাও এলাকায় প্রশাসনের চরিত্র নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দেয়।

যখন নিয়মিতভাবে প্রশাসনের একটি অংশই এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকে, তখন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা যে কতটা ভঙ্গুর হয়ে পড়ে, সিরাজগঞ্জ-৩ তার বাস্তব উদাহরণ। পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে বিগত স্বৈরাচার আমলে তৎকালীন এমপি আব্দুল আজিজের অথর্ব ও ব্যর্থ দায়িত্ব পালন। তার সময়ে চুরি-ছিনতাই আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে এলাকায় চার (চাঁদা) আদায়ের নামে বিচার ব্যবসা ও চাঁদাবাজি অবাধে চলেছে। এসব কারণে রায়গঞ্জসহ পুরো আসনের মানুষ আজ রীতিমতো বিরক্ত, ক্ষুব্ধ এবং আতঙ্কিত।

এই চরম সংকটময় পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর সামনে আশার আলো হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুস সামাদ। ইতিমধ্যে তিনি এলাকায় চলমান সমস্যাগুলো নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলেছেন, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

অধ্যাপক আব্দুস সামাদ স্পষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন—ক্ষমতায় আসতে পারলে তিনি বেকারত্ব দূরীকরণ, আইন-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং মাদক ব্যবসা সমূলে উৎখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবেন। বিশেষ করে যুব সমাজকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সঠিক পথে ফেরানো এবং অপরাধের মূল উৎসগুলো বন্ধ করতে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

এই কারণেই এলাকাবাসীর মধ্যে অধ্যাপক আব্দুস সামাদকে নিয়ে আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। তার পক্ষে কাজ করা, আলোচনা করা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে আশা দেখার প্রবণতা স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ব্যক্তিগত জীবনে অধ্যাপক আব্দুস সামাদ একজন সৎ, পরিচ্ছন্ন ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তিনি ইসলামী ব্যাংকের মতো দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় অংশীদার ছিলেন এবং দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে সুনাম অর্জন করেছেন। তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত জীবনে কোনো কেলেঙ্কারি কিংবা সামান্য অভিযোগেরও দৃষ্টান্ত নেই।

সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের এই চরম সংকটময় মুহূর্তে তাই অনেকের চোখে অধ্যাপক আব্দুস সামাদ একজন ত্রাতা ও পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছেন। এলাকাবাসীর ন্যায্য অধিকার, নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ জীবন ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রে আজ তার নামই সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।