ঢাকা ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৩২ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন:  প্রার্থী হচ্ছেন যে ৩ জন অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনে ১৩ খাতে ব্যর্থতার ফিরিস্তি তুলে ধরল এনসিপি লংমার্চ নিয়ে আইজিপির সঙ্গে ১১ দলের বৈঠক সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পিছিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রংপুরে শিক্ষক পরিবারে চার খুন, নেপথ্যে কী ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেত্রী ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম গড়তে পাইলট প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফেক পেজ থেকে অপতথ্য প্রচারের প্রতিবাদ মহিলা জামায়াতের

সিলেট সীমান্তে গুম-খুনের ডকুমেন্টারির শুটিংয়ে অংশ নিলেন সালাহউদ্দিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ সিলেটের তামাবিল সীমান্তে সরকারের গঠিত গুম-খুন কমিশনের ডকুমেন্টারির শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন। শনিবার (১১ অক্টোবর) সকালের একটি ফ্লাইটে সিলেট আসার পর তামাবিল সীমান্ত এলাকায় যান তিনি। পরে সালাহউদ্দিন সেই স্থান পরিদর্শন করেন- তাকে যে পথ দিয়ে গুম করে ভারতে নেয়া হয়েছিল। ২০১৫ সালের ১০ মে সন্ধ্যায় তাকে এই পথে ভারতের শিলং নেয়া হয় বলে জানান সালাউদ্দিন। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম-খুন নিয়ে ডকুমেন্টারি করা হচ্ছে। সেই ডকুমেন্টারির অংশের শুটিংয়ে অংশ নিতে তিনি তামাবিল সীমান্তে আছেন এখন।

২০১৫ সালের ১০ মার্চ গুম হওয়ার ৬৩ দিন পর তাকে ভারতের শিলংয়ে পাওয়া যায়। শিলংয়ে আইনি জটিলতা ও মামলা মোকাবেলা করার কারণে তিনি প্রায় নয় বছর অবস্থান করেন। দেশে ফেরার পথ সুগম হয় ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর, ৬ আগস্ট তিনি ভ্রমণ অনুমোদন বা ট্রাভেল পাস পান। ১১ আগস্ট তিনি দেশে ফেরেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গুমের ঘটনার তদন্ত করতে হাইকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিশন গঠন করা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পুলিশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), বিশেষ শাখা, গোয়েন্দা শাখা, আনসার ব্যাটালিয়ন, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা বাহিনী, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতর (ডিজিএফআই), কোস্টগার্ডসহ দেশের আইন প্রয়োগকারী বা বলবৎকারী কোনো সংস্থার সদস্যের হাতে জোরপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান ও তদন্তের জন্য এই কমিশন গঠন করা হয়েছে।

এদিকে শনিবার সকালে সিলেট বিমানবন্দরে সালাউদ্দিন আহমেদকে অভ্যর্থনা জানান সিলেটের বিএনপি নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারা।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাতে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ নিখোঁজ হন। নিখোঁজের দু’মাস পর ভারতের মেঘালয় রাজ্যের একটি হাসপাতাল থেকে তার স্ত্রীকে ফোন করলে সালাহউদ্দিন আহমেদের অবস্থান সম্পর্কে জানা যায়। তার পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছিল যে সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গেছে। তবে আওয়ামী সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলে আসছিল যে সালাহউদ্দিন আহমেদের অবস্থান সম্পর্কে তাদের কিছু জানা নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট সীমান্তে গুম-খুনের ডকুমেন্টারির শুটিংয়ে অংশ নিলেন সালাহউদ্দিন

আপডেট সময় : ১১:৪১:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

জাতীয় ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ সিলেটের তামাবিল সীমান্তে সরকারের গঠিত গুম-খুন কমিশনের ডকুমেন্টারির শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন। শনিবার (১১ অক্টোবর) সকালের একটি ফ্লাইটে সিলেট আসার পর তামাবিল সীমান্ত এলাকায় যান তিনি। পরে সালাহউদ্দিন সেই স্থান পরিদর্শন করেন- তাকে যে পথ দিয়ে গুম করে ভারতে নেয়া হয়েছিল। ২০১৫ সালের ১০ মে সন্ধ্যায় তাকে এই পথে ভারতের শিলং নেয়া হয় বলে জানান সালাউদ্দিন। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম-খুন নিয়ে ডকুমেন্টারি করা হচ্ছে। সেই ডকুমেন্টারির অংশের শুটিংয়ে অংশ নিতে তিনি তামাবিল সীমান্তে আছেন এখন।

২০১৫ সালের ১০ মার্চ গুম হওয়ার ৬৩ দিন পর তাকে ভারতের শিলংয়ে পাওয়া যায়। শিলংয়ে আইনি জটিলতা ও মামলা মোকাবেলা করার কারণে তিনি প্রায় নয় বছর অবস্থান করেন। দেশে ফেরার পথ সুগম হয় ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর, ৬ আগস্ট তিনি ভ্রমণ অনুমোদন বা ট্রাভেল পাস পান। ১১ আগস্ট তিনি দেশে ফেরেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গুমের ঘটনার তদন্ত করতে হাইকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিশন গঠন করা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পুলিশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), বিশেষ শাখা, গোয়েন্দা শাখা, আনসার ব্যাটালিয়ন, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা বাহিনী, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতর (ডিজিএফআই), কোস্টগার্ডসহ দেশের আইন প্রয়োগকারী বা বলবৎকারী কোনো সংস্থার সদস্যের হাতে জোরপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান ও তদন্তের জন্য এই কমিশন গঠন করা হয়েছে।

এদিকে শনিবার সকালে সিলেট বিমানবন্দরে সালাউদ্দিন আহমেদকে অভ্যর্থনা জানান সিলেটের বিএনপি নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারা।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাতে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ নিখোঁজ হন। নিখোঁজের দু’মাস পর ভারতের মেঘালয় রাজ্যের একটি হাসপাতাল থেকে তার স্ত্রীকে ফোন করলে সালাহউদ্দিন আহমেদের অবস্থান সম্পর্কে জানা যায়। তার পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছিল যে সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গেছে। তবে আওয়ামী সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলে আসছিল যে সালাহউদ্দিন আহমেদের অবস্থান সম্পর্কে তাদের কিছু জানা নেই।