ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে ২১ পিস ইয়াবাসহ কথিত সাংবাদিক ও বহিষ্কৃত যুবদল নেতা মিশাল আটক পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১৮৫৫ পদে নিয়োগে ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল সরকার জনগণের গণরায় উপেক্ষা করায় রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছি: এটিএম আজহারুল ইসলাম রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে শ্রমিক কল্যানের ষান্মাসিক রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত  পুলিশ সদস্যকে প্রকাশ্যে থাপ্পড় মারলেন ছাত্রদল নেতা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: ভারতের হুঁশিয়ারি কেন পে-স্কেল কবে, জানা গেল সম্ভাব্য সময় দেশের উন্নয়নে বিরোধী দলের সহযোগিতা দরকার : পানিসম্পদ মন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন

সংস্কৃতির ভেতরেই রাজনীতির সৃজনশীলতা নিহিত : দুদু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫ ৪২ বার পড়া হয়েছে

প্রসঙ্গ অনলাইন: সংস্কৃতির ভেতরেই রাজনীতির সৃজনশীলতা নিহিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, ‘রাজনীতির সৃজনশীলতার সর্বোচ্চ রূপ হচ্ছে সংস্কৃতি। সংস্কৃতির ভেতরেই দেশের জীবনব্যবস্থা, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের সম্পূর্ণ প্রতিফলন ঘটে।’শুক্রবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুরাগ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজিত আলোচনা, সম্মাননা প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই থেমে থাকেননি, নয় মাস রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন। শত শহীদের মতো তিনিও শহীদ হতে পারতেন কিন্তু আল্লাহ তাকে জীবিত রেখেছিলেন। তিনি যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে আবার তিনি তার পেশায় চলে গিয়েছিলেন রাজনীতিতে আসেননি। নানান বিবর্তনের মধ্যে এক সময় সিপাহী এবং জনতা ৭ নভেম্বরে তাকে আবার সামনে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি দেশের হাল ধরেন। তার রাজনৈতিক আদর্শ ও ত্যাগ আজো বাংলাদেশের মানুষকে প্রেরণা দেয়।’

তিনি বলেন, ‘শহীদ জিয়াউর রহমান মানুষের হৃদয়ের মধ্যে যে গভীরতার স্থান অর্জন করেছিলেন। তার স্ত্রী ও সহধর্মিণী পরবর্তী সময়ে আপসহীন নেত্রী হিসেবে শুধু জাতির কাছেই নয়, সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি বেগম খালেদা জিয়া। এই কারণেই আমরা তাকে (বেগম জিয়া) আপসহীন বলি। শত নির্যাতন, শত হামলা-মামলা কোনোটাই তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। ‘এরশাদকে যেতে হবে’-এই প্রতিশ্রুতি তিনি জাতিকে দিয়েছিলেন এবং তা পালন করেছিলেন। ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই এরশাদকে বিদায় করা হয়েছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপির অ্যাক্টিং চেয়ারপারসন যিনি ১৬ বছর ধরে হাসিনার নির্যাতন, স্বৈরাচার, গুম-খুন, গণহত্যা ও লুটপাটের কাল অতিক্রম করতে চেয়েছেন। হাসিনার স্বৈরশাসন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে শয়তানও হয়তো তার তুলনায় কম ভয়ঙ্কর মনে হয়। তাকে বিদায় করার অন্যতম নেতৃত্ব দিয়েছেন আমাদের নেতা তারেক রহমান।’

দুদু বলেন, ‘একটি পরিবার বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ থেকে স্বৈরাচার উৎখাত পর্যন্ত দু’টি গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছে, আরেকটি পরিবার পরিচিত হয়েছে ব্যাংক ডাকাত হিসেবে। শেখ হাসিনা প্রথম ব্যাংক ডাকাত নন, তার পরিবারের একজন মুজিবের জীবদ্দশায়ই এক বিখ্যাত ব্যাংক ডাকাতির সাথে যুক্ত ছিলেন। এই ঘটনা শুধু দেশবাসী নয়, সারা বিশ্ব জানে।’

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন, গুম-খুন, দমন-পীড়ন ও দুর্নীতির মাধ্যমে দেশকে অচল অবস্থায় নিয়ে গেছেন। এখন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য একটি সাচ্চা ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন জরুরি।’ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অনুরাগ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতি মোস্তফা মতিহার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি শামীম মাহমুদ, অভিনেতা এ বি এম সোহেল রশিদ, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রুবিনা আলমগীর, কবি ও সাংবাদিক আকাশমনি প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সংস্কৃতির ভেতরেই রাজনীতির সৃজনশীলতা নিহিত : দুদু

আপডেট সময় : ০৫:২৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

প্রসঙ্গ অনলাইন: সংস্কৃতির ভেতরেই রাজনীতির সৃজনশীলতা নিহিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, ‘রাজনীতির সৃজনশীলতার সর্বোচ্চ রূপ হচ্ছে সংস্কৃতি। সংস্কৃতির ভেতরেই দেশের জীবনব্যবস্থা, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের সম্পূর্ণ প্রতিফলন ঘটে।’শুক্রবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুরাগ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজিত আলোচনা, সম্মাননা প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই থেমে থাকেননি, নয় মাস রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন। শত শহীদের মতো তিনিও শহীদ হতে পারতেন কিন্তু আল্লাহ তাকে জীবিত রেখেছিলেন। তিনি যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে আবার তিনি তার পেশায় চলে গিয়েছিলেন রাজনীতিতে আসেননি। নানান বিবর্তনের মধ্যে এক সময় সিপাহী এবং জনতা ৭ নভেম্বরে তাকে আবার সামনে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি দেশের হাল ধরেন। তার রাজনৈতিক আদর্শ ও ত্যাগ আজো বাংলাদেশের মানুষকে প্রেরণা দেয়।’

তিনি বলেন, ‘শহীদ জিয়াউর রহমান মানুষের হৃদয়ের মধ্যে যে গভীরতার স্থান অর্জন করেছিলেন। তার স্ত্রী ও সহধর্মিণী পরবর্তী সময়ে আপসহীন নেত্রী হিসেবে শুধু জাতির কাছেই নয়, সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি বেগম খালেদা জিয়া। এই কারণেই আমরা তাকে (বেগম জিয়া) আপসহীন বলি। শত নির্যাতন, শত হামলা-মামলা কোনোটাই তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। ‘এরশাদকে যেতে হবে’-এই প্রতিশ্রুতি তিনি জাতিকে দিয়েছিলেন এবং তা পালন করেছিলেন। ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই এরশাদকে বিদায় করা হয়েছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপির অ্যাক্টিং চেয়ারপারসন যিনি ১৬ বছর ধরে হাসিনার নির্যাতন, স্বৈরাচার, গুম-খুন, গণহত্যা ও লুটপাটের কাল অতিক্রম করতে চেয়েছেন। হাসিনার স্বৈরশাসন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে শয়তানও হয়তো তার তুলনায় কম ভয়ঙ্কর মনে হয়। তাকে বিদায় করার অন্যতম নেতৃত্ব দিয়েছেন আমাদের নেতা তারেক রহমান।’

দুদু বলেন, ‘একটি পরিবার বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ থেকে স্বৈরাচার উৎখাত পর্যন্ত দু’টি গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছে, আরেকটি পরিবার পরিচিত হয়েছে ব্যাংক ডাকাত হিসেবে। শেখ হাসিনা প্রথম ব্যাংক ডাকাত নন, তার পরিবারের একজন মুজিবের জীবদ্দশায়ই এক বিখ্যাত ব্যাংক ডাকাতির সাথে যুক্ত ছিলেন। এই ঘটনা শুধু দেশবাসী নয়, সারা বিশ্ব জানে।’

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন, গুম-খুন, দমন-পীড়ন ও দুর্নীতির মাধ্যমে দেশকে অচল অবস্থায় নিয়ে গেছেন। এখন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য একটি সাচ্চা ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন জরুরি।’ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অনুরাগ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতি মোস্তফা মতিহার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি শামীম মাহমুদ, অভিনেতা এ বি এম সোহেল রশিদ, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রুবিনা আলমগীর, কবি ও সাংবাদিক আকাশমনি প্রমুখ।