তারেক রহমানের শাস্তি চাওয়া সেই ডাক্তার এখন ইউনাইটেডের প্রধান
- আপডেট সময় : ০৪:০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫ ৪৪ বার পড়া হয়েছে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডি থেকে এক পোস্টে ডা. মহসীন দাবি করেন, দেশের শান্তির স্বার্থে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া উচিত। তার এ বক্তব্য সে সময় রাজনৈতিক আলোচনা সৃষ্টি করে।
তার এ ফেসবুক পোস্টটি গত বছর জুলাই বিপ্লব চলাকালীন ২৭ জুলাই রাত ৮টা ১৫ মিনিটে দেওয়া হয়। এর আগে ১৮ জুলাই তিনি আরেকটি পোস্টে লিখেন—‘অভিভাবকদের অনুরোধ করছি আপনাদের রাজনৈতিক আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য আর কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহার করবেন না। আর কত মৃত্যু হলে খুশি হবেন? আর একটা মৃত্যুও কাম্য নয়। সরাসরি বলছি, আপনারা সরকার পতনের আন্দোলন চাইছেন। কোনো হিপোক্রেসি করে শিশু-কিশোর-যুবকদের ব্যবহার করছেন? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কার মেনে নিয়েছেন, ছাত্রদের দাবি আস্তে আস্তে সব মেনে নেবেন। এ মুহূর্তে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। দয়া করে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা অপপ্রচার করে ছাত্রছাত্রীদের উত্তেজিত করবেন না। এতে দেশ, দশের, আপনার ও আমার অপূরণীয় ক্ষতি ছাড়া আর কোনো লাভ হবে না।’
তারেক রহমানের বিচার চাওয়া প্রসঙ্গে জানতে ডা. মহসীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি একজন প্রফেশনাল মানুষ। আমি ছাত্র পড়াই ও রোগী দেখি। আমি চক্রান্তের শিকার। আমার ২৭ বছরের চাকরিজীবনে আমি পড়াশোনা ও শিক্ষকতায় নিয়োজিত ছিলাম। ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার হচ্ছে। আমার সম্পর্কে জানতে হলে আমার শিক্ষক ও সহকর্মী অধ্যাপক আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরী স্যারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।
তখন তার কাছে অধ্যাপক ওয়াদুদের নম্বর চাইলে তিনি বলেন, আমার ফেসবুক অথবা হোয়াটসঅ্যাপ থেকে এ ধরনের পোস্ট আমি দিইনি। একজন আমার পেছনে লেগেছে, ব্যক্তিগত কারণে।
তবে আমার দেশ তথ্য বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় পরীক্ষা করে দেখেছে, বিতর্কিত পোস্টগুলো ডা. মহসীন আহমেদের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকেই প্রকাশিত হয়েছিল।




















