ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাকসু নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের একপাক্ষিক আচরণের অভিযোগ শিবির সমর্থিত প্যানেলের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫ ৫৬ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন ডাকসু নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট ছাত্র সংগঠনকে সুবিধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ইসলামী ছাত্র শিবির সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’। বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ের সামনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম ও জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ এ অভিযোগ করেন।

জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ বলেন, আমরা আচরণবিধি মেনে ফেস্টুন লাগিয়েছিলাম। কিন্তু রাত একটার সময় নির্বাচন কমিশনের কাছে হঠাৎ নির্দেশ আসে—সব ব্যানার সরিয়ে নিতে হবে। অথচ হলে হলে কমল মেডি এইডের নামে খিচুড়ি পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। পরে আবার নোটিশ দিয়ে বলা হলো খাবার দিয়ে প্রচারণা করা যাবে না। এমনকি ওই সংগঠন শুক্রবার জুমার নামাজের পর সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানালেও কমিশন বলছে—এতে কোনো সমস্যা নেই। অর্থাৎ ওরা কিছু করলে সমস্যা নেই, আমরা করলেই ওপর থেকে নির্দেশ আসে।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, তাদের ব্যানারে থাকা নারী প্রার্থীদের ছবি বিকৃত করা হয়েছে, যা ‘হিজাবোফোবিয়ার বহিঃপ্রকাশ’। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়নি বলেও দাবি করেন ফরহাদ।

এসময় প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম বলেন, “একটি সুষ্ঠু ও আস্থার নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড অপরিহার্য। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি ছাত্র সংগঠনকে ফেভার দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মাঝে গোলাপ ফুল বিতরণের পর রাতারাতি গায়েবি নোটিশ জারি হচ্ছে। আমরা আশঙ্কা করছি, শিগগিরই নোটিশ আসবে যাতে ফুলও বিতরণ করা না যায়।”

তিনি আরো বলেন, “ফেস্টুন লাগানোর অনুমতি পেয়েও আমাদের রাতের বেলা নোটিশ দিয়ে সেগুলো সরাতে বাধ্য করা হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত আমাদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই নেওয়া হচ্ছে এবং সবই একটি সংগঠনের পক্ষে যাচ্ছে।”

চারুকলায় তাদের ব্যানার বিকৃতির প্রসঙ্গ টেনে সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, নারী প্রার্থীদের ছবিকে বিকৃত করে হেনস্থা করা হয়েছে, কিন্তু প্রশাসন এখনও দোষীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ সময় নির্বাচনী ইশতেহারের কিছু দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হতে হয়। নির্বাচিত হলে আমরা অনলাইনে ফি জমা দেওয়া, সাবেক শিক্ষার্থীদের ডকুমেন্টস সংগ্রহসহ সব প্রশাসনিক সেবা ডিজিটালাইজ করব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ডাকসু নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের একপাক্ষিক আচরণের অভিযোগ শিবির সমর্থিত প্যানেলের

আপডেট সময় : ১১:০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন ডাকসু নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট ছাত্র সংগঠনকে সুবিধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ইসলামী ছাত্র শিবির সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’। বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ের সামনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম ও জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ এ অভিযোগ করেন।

জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ বলেন, আমরা আচরণবিধি মেনে ফেস্টুন লাগিয়েছিলাম। কিন্তু রাত একটার সময় নির্বাচন কমিশনের কাছে হঠাৎ নির্দেশ আসে—সব ব্যানার সরিয়ে নিতে হবে। অথচ হলে হলে কমল মেডি এইডের নামে খিচুড়ি পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। পরে আবার নোটিশ দিয়ে বলা হলো খাবার দিয়ে প্রচারণা করা যাবে না। এমনকি ওই সংগঠন শুক্রবার জুমার নামাজের পর সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানালেও কমিশন বলছে—এতে কোনো সমস্যা নেই। অর্থাৎ ওরা কিছু করলে সমস্যা নেই, আমরা করলেই ওপর থেকে নির্দেশ আসে।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, তাদের ব্যানারে থাকা নারী প্রার্থীদের ছবি বিকৃত করা হয়েছে, যা ‘হিজাবোফোবিয়ার বহিঃপ্রকাশ’। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়নি বলেও দাবি করেন ফরহাদ।

এসময় প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম বলেন, “একটি সুষ্ঠু ও আস্থার নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড অপরিহার্য। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি ছাত্র সংগঠনকে ফেভার দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মাঝে গোলাপ ফুল বিতরণের পর রাতারাতি গায়েবি নোটিশ জারি হচ্ছে। আমরা আশঙ্কা করছি, শিগগিরই নোটিশ আসবে যাতে ফুলও বিতরণ করা না যায়।”

তিনি আরো বলেন, “ফেস্টুন লাগানোর অনুমতি পেয়েও আমাদের রাতের বেলা নোটিশ দিয়ে সেগুলো সরাতে বাধ্য করা হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত আমাদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই নেওয়া হচ্ছে এবং সবই একটি সংগঠনের পক্ষে যাচ্ছে।”

চারুকলায় তাদের ব্যানার বিকৃতির প্রসঙ্গ টেনে সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, নারী প্রার্থীদের ছবিকে বিকৃত করে হেনস্থা করা হয়েছে, কিন্তু প্রশাসন এখনও দোষীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ সময় নির্বাচনী ইশতেহারের কিছু দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হতে হয়। নির্বাচিত হলে আমরা অনলাইনে ফি জমা দেওয়া, সাবেক শিক্ষার্থীদের ডকুমেন্টস সংগ্রহসহ সব প্রশাসনিক সেবা ডিজিটালাইজ করব।