ইসলামী সভ্যতা রক্ষার জন্য পাকিস্তানের অপরিহার্যতা
- আপডেট সময় : ০১:৩১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫ ৬২ বার পড়া হয়েছে
মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, প্রতিটি মুসলিম রিয়াসাতের জন্য ইসলামী সভ্যতা রক্ষার জন্য চেষ্টা করা আবশ্যক। ১৯২৪ সালে তুর্কি খিলাফত এর পতনের পর ইসলামী সভ্যতার পক্ষে বলার মতো কোন মুসলিম রিয়াসাত ছিল না।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর মধ্য এশিয়ার বিশাল মুসলিম ভূখন্ড কমিউনিস্টদের পদানত হলে সেখানে ইসলামী সভ্যতার বিপর্যয় ঘটে। আবার তুরস্ক ইসলামী সভ্যতাকে নির্বাসনে পাঠিয়ে দেয়। আফগানিস্তানের বাদশাহ আমানুল্লাহ পাশ্চাত্যের অনুকরণে চলা শুরু করে।
বস্তুত ১৯২৪ সালে উসমানী খিলাফত পতনের পর মুসলমানরা শুধু মাত্র রাজ্যহারা হয় নি , বরং পূথিবীর বিভিন্ন মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা হতে ইসলামী সভ্যতা ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে যাচ্ছিল ।
বস্তুত খিলাফতের অবর্তমানে মুসলিম জাতিসত্তার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র ব্যতিত ইসলামী সভ্যতা রক্ষা করা সম্ভব নয়।
ধর্মীয় অস্তিত্ব রাজনৈতিক অস্তিত্বের উপর নির্ভর করে। রাজনৈতিক অস্তিত্বের উপর ধর্মীয় অস্তিত্ব নির্ভর করে। উদাহরণ স্বরূপ স্পেনে মুসলমানদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব নেই, সেখানে ইসলামী সভ্যতার অস্তিত্ব নেই। আরাকানে মুসলমানদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব নেই, সেখানে ইসলামী সভ্যতার অস্তিত্ব নেই।
যা হোক, ইসলামী সভ্যতা রক্ষার জন্য একটি মুসলিম রিয়াসাত প্রতিষ্ঠা আবশ্যক ছিল। মুসলমানদের এহেন ক্রান্তিকালে ইসলামী সভ্যতা রক্ষার জন্য একটি মুসলিম রিয়াসাত প্রতিষ্ঠা আবশ্যক ছিল এজন্য পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য ছিল।
পাঠক, পাকিস্তান জন্মলগ্ন থেকেই ইসলামী সভ্যতার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করে আসছে। ১৯৯১ সালে বেইজিং সম্মেলনে যখন একটি ইনিফাইড সিভিল কোডের প্রস্তাব এসেছিল , তখন একমাত্র পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো এর বিরুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালন কর
কাজেই ইসলামী সভ্যতা রক্ষার জন্য পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা আবশ্যক ছিল। এখনো পাকিস্তান বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে ইসলামী সভ্যতার পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়ে থাকে।





















