ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান: অবাঞ্ছিত ঘোষণা রাজশাহী কলেজে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অত্যন্ত সুকৌশলে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে : অলি আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ কওমি মাদরাসার বাজেট ইস্যু-বিএনপি কোনো কওমের জন্য কাজ করে না : নিলোফার চৌধুরী মনি বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যার ঘটনায় ৫ জনের ফাঁসি, ৫ জনের কারাদণ্ড বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজশাহী কলেজে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে জামায়াত: সেলিম উদ্দিন মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় দুবাই ভিসা, ৪ হাজারে মিলছে থাকার হোটেল মামুনুল হককে নিয়ে আলোচনা: নিজের বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার

উচ্চ বর্নের হিন্দুত্ববাদীদের অত্যাচারের কবল থেকে বৌদ্ধ ও নিন্ম বর্নের হিন্দুদের রক্ষার জন্য পাকিস্তানের অপরিহার্যতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫ ৬৬ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, মুসলিম শাসন মজলুম মানুষের জন্য মুক্তির মহা সনদ । মুসলিম শাসন পতনের পর মানবতার পতন ঘটেছে। একবি‌‌্শ শতাব্দীর মহান বুজুর্গ সাইয়েদ আবুল হাসান নদভী তার ” মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কি হারাল” , মানব সভ্যতার জন্য মুসলিম শাসন কতটুকু আবশ্যক তা অনুধাবন করা যায়।

হিন্দুত্ববাদী শক্তি শুধু মুসলমানদের জন্য হুমকি নয় , বরং নিন্ম বর্নের হিন্দুদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি। নিন্ম বর্নের হিন্দুরা সব সময় উচ্চ বর্নের হিন্দুত্ববাদী শক্তি দ্বারা নির্যাতিত ও নিপীড়িত। মুসলিম শাসনে নিন্ম বর্নের হিন্দুরা উচ্চ বর্নের হিন্দুদের দ্বারা কিছু কম নির্যাতিত ছিল। এজন্য নিন্ম বর্নের হিন্দুরা তাদের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য একটি মুসলিম রিয়াসাতের আশা করেছিল এবং এটিই স্বাভাবিক।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, ভারতীয় মুসলিম শাসকদের কারনে উচ্চ বর্নের হিন্দুত্ববাদী শক্তি নিন্ম বর্নের হিন্দুদের উপর অত্যাচার করার সাহস করে নি । তাই নিন্ম বর্নের হিন্দুরা মুসলমানদের আশ্রয়ের জন্য ব্যাকুল ছিল। মুসলিম লীগ নিন্ম বর্নের হিন্দুদের আশ্রয় দিয়েছিল।

ভারতের স‌‌্ বিধান প্রনেতা আম্বেদকর ছিলেন একজন নিন্ম বর্নের হিন্দু । তাকে উচ্চ বর্নের হিন্দুরা সব সময় কোনঠাসা করে রাখত । আম্বেদকর উচ্চ বর্নের হিন্দুত্ববাদী শক্তির মোকাবেলায় তিনি মুসলমানদের নিকট আশ্রয় নেয় এবং মুসলিম লীগের সহায়তায় তিনি স‌‌্সদ সদস্য হন এবং দিল্লির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হন । হিন্দুত্ববাদী শক্তি কখনো একজন দলিতকে মন্ত্রী হিসেবে সহ্য করে নি ।

মুসলমানদের এই বদান্যতা নিন্ম বর্নের হিন্দুরা মুসলিম রিয়াসাতের প্রতি অনুরক্ত হয়ে পড়ে। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হল ১৯৪৬ সালে সিলেটের রেফারেন্ডামে নিন্ম বর্নের হিন্দুরা পাকিস্তানের পক্ষে ভোট দেয়। দলিত নেতা যোগেন মন্ডল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন ।

অনুরূপ ভাবে উপজাতিরা একটি মুসলিম রিয়াসাত প্রতিষ্ঠার জন্য উদগ্রীব ছিল। নিন্ম বর্নের হিন্দু ও উপজাতিদের ভয় ছিল যে, তারা উচ্চ বর্নের হিন্দুত্ববাদী শক্তির অধীনে নিষ্পেষিত হবে। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিরা স্বেচ্ছায় পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করেছে।

দলিত হিন্দু নেতা আম্বেদকর পাকিস্তানের অপরিহার্যতা সম্পর্কে বলিষ্ঠ কন্ঠে বক্তব্য দিতেন। বস্তুত নিন্ম বর্নের হিন্দুদের জন্য উচ্চ বর্নের হিন্দুত্ববাদী শাষন অপেক্ষা পাকিস্তান নামক একটি মুসলিম রিয়াসাত প্রতিষ্ঠা আবশ্যক ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উচ্চ বর্নের হিন্দুত্ববাদীদের অত্যাচারের কবল থেকে বৌদ্ধ ও নিন্ম বর্নের হিন্দুদের রক্ষার জন্য পাকিস্তানের অপরিহার্যতা

আপডেট সময় : ০১:৫৯:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, মুসলিম শাসন মজলুম মানুষের জন্য মুক্তির মহা সনদ । মুসলিম শাসন পতনের পর মানবতার পতন ঘটেছে। একবি‌‌্শ শতাব্দীর মহান বুজুর্গ সাইয়েদ আবুল হাসান নদভী তার ” মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কি হারাল” , মানব সভ্যতার জন্য মুসলিম শাসন কতটুকু আবশ্যক তা অনুধাবন করা যায়।

হিন্দুত্ববাদী শক্তি শুধু মুসলমানদের জন্য হুমকি নয় , বরং নিন্ম বর্নের হিন্দুদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি। নিন্ম বর্নের হিন্দুরা সব সময় উচ্চ বর্নের হিন্দুত্ববাদী শক্তি দ্বারা নির্যাতিত ও নিপীড়িত। মুসলিম শাসনে নিন্ম বর্নের হিন্দুরা উচ্চ বর্নের হিন্দুদের দ্বারা কিছু কম নির্যাতিত ছিল। এজন্য নিন্ম বর্নের হিন্দুরা তাদের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য একটি মুসলিম রিয়াসাতের আশা করেছিল এবং এটিই স্বাভাবিক।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, ভারতীয় মুসলিম শাসকদের কারনে উচ্চ বর্নের হিন্দুত্ববাদী শক্তি নিন্ম বর্নের হিন্দুদের উপর অত্যাচার করার সাহস করে নি । তাই নিন্ম বর্নের হিন্দুরা মুসলমানদের আশ্রয়ের জন্য ব্যাকুল ছিল। মুসলিম লীগ নিন্ম বর্নের হিন্দুদের আশ্রয় দিয়েছিল।

ভারতের স‌‌্ বিধান প্রনেতা আম্বেদকর ছিলেন একজন নিন্ম বর্নের হিন্দু । তাকে উচ্চ বর্নের হিন্দুরা সব সময় কোনঠাসা করে রাখত । আম্বেদকর উচ্চ বর্নের হিন্দুত্ববাদী শক্তির মোকাবেলায় তিনি মুসলমানদের নিকট আশ্রয় নেয় এবং মুসলিম লীগের সহায়তায় তিনি স‌‌্সদ সদস্য হন এবং দিল্লির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হন । হিন্দুত্ববাদী শক্তি কখনো একজন দলিতকে মন্ত্রী হিসেবে সহ্য করে নি ।

মুসলমানদের এই বদান্যতা নিন্ম বর্নের হিন্দুরা মুসলিম রিয়াসাতের প্রতি অনুরক্ত হয়ে পড়ে। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হল ১৯৪৬ সালে সিলেটের রেফারেন্ডামে নিন্ম বর্নের হিন্দুরা পাকিস্তানের পক্ষে ভোট দেয়। দলিত নেতা যোগেন মন্ডল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন ।

অনুরূপ ভাবে উপজাতিরা একটি মুসলিম রিয়াসাত প্রতিষ্ঠার জন্য উদগ্রীব ছিল। নিন্ম বর্নের হিন্দু ও উপজাতিদের ভয় ছিল যে, তারা উচ্চ বর্নের হিন্দুত্ববাদী শক্তির অধীনে নিষ্পেষিত হবে। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিরা স্বেচ্ছায় পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করেছে।

দলিত হিন্দু নেতা আম্বেদকর পাকিস্তানের অপরিহার্যতা সম্পর্কে বলিষ্ঠ কন্ঠে বক্তব্য দিতেন। বস্তুত নিন্ম বর্নের হিন্দুদের জন্য উচ্চ বর্নের হিন্দুত্ববাদী শাষন অপেক্ষা পাকিস্তান নামক একটি মুসলিম রিয়াসাত প্রতিষ্ঠা আবশ্যক ছিল।