ঢাকা ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান: অবাঞ্ছিত ঘোষণা রাজশাহী কলেজে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অত্যন্ত সুকৌশলে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে : অলি আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ কওমি মাদরাসার বাজেট ইস্যু-বিএনপি কোনো কওমের জন্য কাজ করে না : নিলোফার চৌধুরী মনি বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যার ঘটনায় ৫ জনের ফাঁসি, ৫ জনের কারাদণ্ড বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজশাহী কলেজে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে জামায়াত: সেলিম উদ্দিন মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় দুবাই ভিসা, ৪ হাজারে মিলছে থাকার হোটেল মামুনুল হককে নিয়ে আলোচনা: নিজের বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার

পাকিস্তানের আবশ্যকতা ও অপরিহার্যতা, পর্ব ০১

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫ ৬৬ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: বিষয় ‘- ভূমিকা– পাঠক, পাকিস্তান নাম শুনলেই অনেক বা‌‌্লাদেশের অনেক মুসলিম ঘূনাভরে বাজে মন্তব্য করে। পাকিস্তানের প্রতি এই ঘূনা মূর্খতার জন্য সূষ্টি হয়েছে। বর্তমান প্রজন্ম পাকিস্তান সূষ্টির অপরিহার্যতার ইতিহাস সম্পর্কে অবহিত না থাকায় তারা নিজেদের পূর্ব পূরুষদের অর্জিত একটি বিষয় কে বিসর্জন দিয়ে ভারতের গোলামীর পথ বেচে নিয়েছে।

পাঠক, বাংলাদেশের মুসলমানদের উপর ভারতীয় আগ্রাসনের অন্যতম কারণ হলো এদেশের অধিকাংশ মুসলমান মুসলিম জাতিসত্তা ও পাকিস্তান সূষ্টির উদ্দেশ্য ও অপরিহার্যতা সম্পর্কে অবগত নয় । ভারতীয় আগ্রাসন প্রতিহত করার জন্য পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র সূষ্টির অপরিহার্যতা সম্পর্কে জানা আবশ্যক। পাকিস্তান সূষ্টির আবশ্যকতা সম্পর্কে আপনি অবহিত না হলে আপনি নিজের অজান্তেই ভারতের দালাল হয়ে যাবেন ।

পাঠক, পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেছেন, পাকিস্তান কোন দেশের নাম নয় , পাকিস্তান হল একটি আদর্শ যে আদর্শ ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তির আগ্রাসন মোকাবেলায় মুসলমানদের অস্তিত্বের জন্য আবশ্যক। আপনি লক্ষ্য করবেন যে, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভারতের সেবা দাস আওয়ামী লীগের শাসনামলে পাকিস্তানী হিসেবে আখ্যায়িত করত। জিয়াউর রহমানকে পাকিস্তানের চর হিসেবে আখ্যায়িত করত । বাংলাদেশে যারা হিন্দুত্ববাদী শক্তির আধিপত্য মেনে নিতে নারাজ তাদেরকে হিন্দুত্ববাদী শক্তি পাকিস্তানী অথবা পাকিস্তানের চর অথবা পাকিস্তানের দালাল হিসেবে আখ্যায়িত করে। হিন্দুত্ববাদী শক্তি যাদেরকে পাকিস্তানী অথবা পাকিস্তানের দালাল বলে আখ্যায়িত করে তারাই হল প্রকূত দেশ প্রেমিক। এই হিসেবে বেগম জিয়া ও জিয়াউর রহমান খাটি দেশপ্রেমিক।

পাঠক, দেশপ্রেমিক জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেও পাকিস্তানের চর বা পাকিস্তানের দালাল হিসেবে আখ্যায়িত হবার কারন হল জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া কখনো ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীদের সাথে আপোষ করে নি । পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেও একজন মুসলিম পাকিস্তানী যদি সে ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তির আধিপত্য মেনে না নেয় । এতে স্পষ্ট যে, পাকিস্তান কোন দেশের নাম নয়, পাকিস্তান হল মুসলমানদের অস্তিত্বের জন্য স‌‌্গ্রামের একটি পতাকা বা আদর্শের নাম।

পাঠক, পাকিস্তানের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে খোদ শেখ মজিবুর রহমান বলিষ্ঠ কন্ঠে বক্তব্য রেখেছেন। তিনি জীবিনে কোন দিন পাকিস্তানের অপরিহার্যতা সম্পর্কে অস্বীকার করে নি । পাকিস্তান ছিল পূর্ব বাংলার মুসলমানদের মুক্তির মহা সনদ। পাকিস্তানের সূষ্টির মূল কারিগর হল পূর্ব বাংলার মুসলমানরা, ১৯০৬ সালে ঢাকায় মুসলিম লীগ গঠিত হয়, অতঃপর ১৯৪০ সালে মুসলিম লীগের নেতূত্বে লাহোর প্রস্তাব হয় — এই লাহোর প্রস্তাব পূর্ব বাংলার মুসলমান শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক সাহেব করেছেন। ১৯৪৬ সালে বাংলার মুসলমানরা পাকিস্তানের পক্ষে নির‌‌্কুশ ভোট দেয় ।

অপরদিকে বর্তমান পাকিস্তানের তৎকালীন নেতাদের ভূমিকা পাকিস্তান সূষ্টিতে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের তূলনায় খুবই কম যা ১৬ ভাগের এক ভাগ হবে কি না সন্দেহ আছে। উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে পাকিস্তানের পক্ষের লোকদের ধরে পিঠানো হত । পাকিস্তানের অন্যান্য অংশের লোকদের অনেকেই ফতোয়া সহকারে ঈমানের সাথে সওয়াবের নিয়তে পাকিস্তানের বিরোধীতা করে। তৎকালীন একজন পাকিস্তানি মাওলানা বলেছিলেন , ইয়া আল্লাহ পাকিস্তান কায়েম কারনে মে জু গুনাহ হায় , উসমে ম্যায় শামীল নেহী , মূজে মাফি ফরমা , অথাৎ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা করার মধ্যে যে গুনাহ হয়েছে এর মধ্যে আমি নেই, হে আল্লাহ আমাকে মাফ কর । এই হল পশ্চিম পাকিস্তানের নেতাদের অবস্থা। অপরদিকে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও লিয়াকত আলী খান ছিলেন ভারতীয়। ১৯৪৭ সাল হতে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত পূর্ব বাংলার মুসলমানরা পাকিস্তানকে শাসন করে। বস্তুত বর্তমান পাকিস্তান হল পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অবদান।

এত কিছুর পরও পাকিস্তানের সূষ্টির অপরিহার্যতা সম্পর্কে ইতিহাস না জানার কারণে বাংলাদেশের মুসলমানরা বার বার ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীদের আগ্রাসনের শিকার হয় ।

পাঠক, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ এক হওয়া সম্ভব নয়। এটি কল্পনা বিলাস মাত্র এবং বাস্তবতা বিবর্জিত একটি কল্পনা। কিন্তু আমাদের পূর্ব পূরষগন কি জন্য নিজেদের জান মাল বিসর্জন দিয়ে পাকিস্তান করেছেন, এর ইতিহাস জানা আবশ্যক। যদি ও পাকিস্তান কুরআন ও সুন্নাহর হতে দূরে সরে যাবার কারণে পতন ঘটে।

পাকিস্তানের অপরিহার্যতা ও পতনের কারণ সম্পর্কে অবগত হওয়া আবশ্যক, নতুবা বাংলাদেশ নামক মুসলিম রাষ্ট্রটি বারবার ভারতীয় আগ্রাসনের শিকার হবে। যারা নিজেদের ইতিহাস জানে তারা বার বার পরাজিত হয় । আমি পর্ব আকারে পাকিস্তান সূষ্টির অপরিহার্যতা সম্পর্কে ধারাবাহিক আলোচনা করব , ওমা তাওফিকী ইল্লা বিল্লাহ

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাকিস্তানের আবশ্যকতা ও অপরিহার্যতা, পর্ব ০১

আপডেট সময় : ০১:০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: বিষয় ‘- ভূমিকা– পাঠক, পাকিস্তান নাম শুনলেই অনেক বা‌‌্লাদেশের অনেক মুসলিম ঘূনাভরে বাজে মন্তব্য করে। পাকিস্তানের প্রতি এই ঘূনা মূর্খতার জন্য সূষ্টি হয়েছে। বর্তমান প্রজন্ম পাকিস্তান সূষ্টির অপরিহার্যতার ইতিহাস সম্পর্কে অবহিত না থাকায় তারা নিজেদের পূর্ব পূরুষদের অর্জিত একটি বিষয় কে বিসর্জন দিয়ে ভারতের গোলামীর পথ বেচে নিয়েছে।

পাঠক, বাংলাদেশের মুসলমানদের উপর ভারতীয় আগ্রাসনের অন্যতম কারণ হলো এদেশের অধিকাংশ মুসলমান মুসলিম জাতিসত্তা ও পাকিস্তান সূষ্টির উদ্দেশ্য ও অপরিহার্যতা সম্পর্কে অবগত নয় । ভারতীয় আগ্রাসন প্রতিহত করার জন্য পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র সূষ্টির অপরিহার্যতা সম্পর্কে জানা আবশ্যক। পাকিস্তান সূষ্টির আবশ্যকতা সম্পর্কে আপনি অবহিত না হলে আপনি নিজের অজান্তেই ভারতের দালাল হয়ে যাবেন ।

পাঠক, পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেছেন, পাকিস্তান কোন দেশের নাম নয় , পাকিস্তান হল একটি আদর্শ যে আদর্শ ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তির আগ্রাসন মোকাবেলায় মুসলমানদের অস্তিত্বের জন্য আবশ্যক। আপনি লক্ষ্য করবেন যে, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভারতের সেবা দাস আওয়ামী লীগের শাসনামলে পাকিস্তানী হিসেবে আখ্যায়িত করত। জিয়াউর রহমানকে পাকিস্তানের চর হিসেবে আখ্যায়িত করত । বাংলাদেশে যারা হিন্দুত্ববাদী শক্তির আধিপত্য মেনে নিতে নারাজ তাদেরকে হিন্দুত্ববাদী শক্তি পাকিস্তানী অথবা পাকিস্তানের চর অথবা পাকিস্তানের দালাল হিসেবে আখ্যায়িত করে। হিন্দুত্ববাদী শক্তি যাদেরকে পাকিস্তানী অথবা পাকিস্তানের দালাল বলে আখ্যায়িত করে তারাই হল প্রকূত দেশ প্রেমিক। এই হিসেবে বেগম জিয়া ও জিয়াউর রহমান খাটি দেশপ্রেমিক।

পাঠক, দেশপ্রেমিক জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেও পাকিস্তানের চর বা পাকিস্তানের দালাল হিসেবে আখ্যায়িত হবার কারন হল জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া কখনো ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীদের সাথে আপোষ করে নি । পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেও একজন মুসলিম পাকিস্তানী যদি সে ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তির আধিপত্য মেনে না নেয় । এতে স্পষ্ট যে, পাকিস্তান কোন দেশের নাম নয়, পাকিস্তান হল মুসলমানদের অস্তিত্বের জন্য স‌‌্গ্রামের একটি পতাকা বা আদর্শের নাম।

পাঠক, পাকিস্তানের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে খোদ শেখ মজিবুর রহমান বলিষ্ঠ কন্ঠে বক্তব্য রেখেছেন। তিনি জীবিনে কোন দিন পাকিস্তানের অপরিহার্যতা সম্পর্কে অস্বীকার করে নি । পাকিস্তান ছিল পূর্ব বাংলার মুসলমানদের মুক্তির মহা সনদ। পাকিস্তানের সূষ্টির মূল কারিগর হল পূর্ব বাংলার মুসলমানরা, ১৯০৬ সালে ঢাকায় মুসলিম লীগ গঠিত হয়, অতঃপর ১৯৪০ সালে মুসলিম লীগের নেতূত্বে লাহোর প্রস্তাব হয় — এই লাহোর প্রস্তাব পূর্ব বাংলার মুসলমান শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক সাহেব করেছেন। ১৯৪৬ সালে বাংলার মুসলমানরা পাকিস্তানের পক্ষে নির‌‌্কুশ ভোট দেয় ।

অপরদিকে বর্তমান পাকিস্তানের তৎকালীন নেতাদের ভূমিকা পাকিস্তান সূষ্টিতে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের তূলনায় খুবই কম যা ১৬ ভাগের এক ভাগ হবে কি না সন্দেহ আছে। উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে পাকিস্তানের পক্ষের লোকদের ধরে পিঠানো হত । পাকিস্তানের অন্যান্য অংশের লোকদের অনেকেই ফতোয়া সহকারে ঈমানের সাথে সওয়াবের নিয়তে পাকিস্তানের বিরোধীতা করে। তৎকালীন একজন পাকিস্তানি মাওলানা বলেছিলেন , ইয়া আল্লাহ পাকিস্তান কায়েম কারনে মে জু গুনাহ হায় , উসমে ম্যায় শামীল নেহী , মূজে মাফি ফরমা , অথাৎ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা করার মধ্যে যে গুনাহ হয়েছে এর মধ্যে আমি নেই, হে আল্লাহ আমাকে মাফ কর । এই হল পশ্চিম পাকিস্তানের নেতাদের অবস্থা। অপরদিকে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও লিয়াকত আলী খান ছিলেন ভারতীয়। ১৯৪৭ সাল হতে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত পূর্ব বাংলার মুসলমানরা পাকিস্তানকে শাসন করে। বস্তুত বর্তমান পাকিস্তান হল পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অবদান।

এত কিছুর পরও পাকিস্তানের সূষ্টির অপরিহার্যতা সম্পর্কে ইতিহাস না জানার কারণে বাংলাদেশের মুসলমানরা বার বার ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীদের আগ্রাসনের শিকার হয় ।

পাঠক, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ এক হওয়া সম্ভব নয়। এটি কল্পনা বিলাস মাত্র এবং বাস্তবতা বিবর্জিত একটি কল্পনা। কিন্তু আমাদের পূর্ব পূরষগন কি জন্য নিজেদের জান মাল বিসর্জন দিয়ে পাকিস্তান করেছেন, এর ইতিহাস জানা আবশ্যক। যদি ও পাকিস্তান কুরআন ও সুন্নাহর হতে দূরে সরে যাবার কারণে পতন ঘটে।

পাকিস্তানের অপরিহার্যতা ও পতনের কারণ সম্পর্কে অবগত হওয়া আবশ্যক, নতুবা বাংলাদেশ নামক মুসলিম রাষ্ট্রটি বারবার ভারতীয় আগ্রাসনের শিকার হবে। যারা নিজেদের ইতিহাস জানে তারা বার বার পরাজিত হয় । আমি পর্ব আকারে পাকিস্তান সূষ্টির অপরিহার্যতা সম্পর্কে ধারাবাহিক আলোচনা করব , ওমা তাওফিকী ইল্লা বিল্লাহ