ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপি নেতার পাম্পে পুলিশ সদস্যকে পিটুনি আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো নিয়ে হাইকোর্টের রুল বিএনপির মাধবী মার্মার প্রার্থিতা বাতিল চান ছাত্রদল নেত্রী জাতীয় কাউন্সিলের আগেই ঢাকা মহানগর কমিটি পুনর্গঠন হচ্ছে জামায়াত নির্মূল করতে গিয়ে অনেকেই নির্মূল হয়ে গেছে: গোলাম পরওয়ার খাল কেটে কুমির আনবেন না: বিরোধী দলকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী যুদ্ধ বন্ধে ইরানের নতুন প্রস্তাব—হরমুজ খোলা, পরমাণু আলোচনা পরের ধাপে খুলনা প্রেসক্লাবে দুর্বৃত্তদের হানা, হুমকির প্রতিবাদে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ, অবরোধ শিক্ষার্থী-সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি ‘জুলাই ঐক্যের’ খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতার জামিন

অখন্ড ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন ভূলুণ্ঠিত করার জন্য জুলাই বিপ্লবের আবশ্যিকতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫ ১০৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তি সবসময়ই হিন্দুত্ববাদের রাজত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য অখণ্ড ভারতের স্বপ্নে বিভোর । এই হিন্দুত্ববাদী শক্তি মুসলমানদেরকে গোলাম বানিয়ে অথবা মুসলমানদেরকে সমূলে বিনাশ করে রাম রাজত্ব কায়েম করার জন্য অখন্ড ভারতের প্রবক্তা হইয়াছে ।

১৯৪৭ সালের পর হইতেই এই হিন্দুত্ববাদী শক্তি পাকিস্তানকে ভাঙার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করে এবং ১৯৭১ সালে সেই ষড়যন্ত্র সফলতা লাভ করে । অতঃপর যখনই আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের ক্ষমতার মসনদে আরোহন করে তখনই এই হিন্দুত্ববাদে শক্তি বাংলাদেশকে প্রথমে গ্রাস করে রাম রাজত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা চালায় ।

অখন্ড ভারত প্রতিষ্ঠার জন্য হিন্দুত্ববাদী শক্তি আওয়ামী লীগের পাশাপাশি তাদের নিজস্ব বাহিনী বাংলাদেশের মোতায়ন করে , যেমন ইসকন সহ আরো বিভিন্ন সংগঠন রয়েছে এগুলি অখণ্ড ভারতের বাস্তবায়ন করতে বদ্ধপরিকর ।

এই অখণ্ড ভারত প্রতিষ্ঠা হিন্দুত্ববাদীদের স্বপ্নের আশা পূরণে হাসিনা সরকার সহায়ক ভূমিকা পালন করে । এই হাসিনা সরকার হিন্দুত্ববাদীদের এমন সুবিধা নিয়ে যা সে দেয়নি ।

এমনকি হাসিনা পতনের কয়েক দিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতীয় জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। একটি মুসলিম রিয়াসাতে মুসলিম বিরোধী রাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত গাওয়ার ইতিহাস নেই। ভারতীয় জাতীয় সংগীত গাওয়ার মাধ্যমে প্রমাণ হয়ে যায় যে, ভারত এদেশকে তাদের গোলাম মনে করে এবং গোলাম হিসেবে ঘোষণা করা সময়ের ব্যাপার মাত্র। হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগ ছিল নেহেরু ডকট্রিন বাস্তবায়নের হাতিয়ার।

অখন্ড ভারত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মাদরাসা শিক্ষাকে ধ্বংস করা, নৈতিকতা শূন্যে নিয়ে যাওয়া, জেনারেল শিক্ষাতে দুর্বল scripts দেয়া, চাকরির বাজার বৃদ্ধি না করে কথিত বিসিএস এর প্রতি মোহ তৈরি করে খুবই সূক্ষ্মভাবে দেশের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে ভারত। এতে করে দেশের বেকারত্ব বৃদ্ধির সঙ্গে নৈতিকতা শূন্যে এসে দাঁড়িয়েছে। ঐদিকে সিস্টেমে দেশের মধ্যে মাদক ছড়িয়ে দিয়ে দেশের যুব সমাজকে শারীরিক ভাবে, মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছে। এই সবই সূক্ষ্ম ব্রেইনের খেলা খেলছে ভারত এবং মায়ানমার মিলে। ভারতের উদ্দেশ্যে ছিল ধীরে ধীরে এদেশকে অখন্ড ভারতের অ‌‌্শ করা। এমতাবস্থায় অখন্ড ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন ভূলুণ্ঠিত করার জন্য জুলাই বিপ্লবের আবশ্যক ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অখন্ড ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন ভূলুণ্ঠিত করার জন্য জুলাই বিপ্লবের আবশ্যিকতা

আপডেট সময় : ০১:৩৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তি সবসময়ই হিন্দুত্ববাদের রাজত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য অখণ্ড ভারতের স্বপ্নে বিভোর । এই হিন্দুত্ববাদী শক্তি মুসলমানদেরকে গোলাম বানিয়ে অথবা মুসলমানদেরকে সমূলে বিনাশ করে রাম রাজত্ব কায়েম করার জন্য অখন্ড ভারতের প্রবক্তা হইয়াছে ।

১৯৪৭ সালের পর হইতেই এই হিন্দুত্ববাদী শক্তি পাকিস্তানকে ভাঙার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করে এবং ১৯৭১ সালে সেই ষড়যন্ত্র সফলতা লাভ করে । অতঃপর যখনই আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের ক্ষমতার মসনদে আরোহন করে তখনই এই হিন্দুত্ববাদে শক্তি বাংলাদেশকে প্রথমে গ্রাস করে রাম রাজত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা চালায় ।

অখন্ড ভারত প্রতিষ্ঠার জন্য হিন্দুত্ববাদী শক্তি আওয়ামী লীগের পাশাপাশি তাদের নিজস্ব বাহিনী বাংলাদেশের মোতায়ন করে , যেমন ইসকন সহ আরো বিভিন্ন সংগঠন রয়েছে এগুলি অখণ্ড ভারতের বাস্তবায়ন করতে বদ্ধপরিকর ।

এই অখণ্ড ভারত প্রতিষ্ঠা হিন্দুত্ববাদীদের স্বপ্নের আশা পূরণে হাসিনা সরকার সহায়ক ভূমিকা পালন করে । এই হাসিনা সরকার হিন্দুত্ববাদীদের এমন সুবিধা নিয়ে যা সে দেয়নি ।

এমনকি হাসিনা পতনের কয়েক দিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতীয় জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। একটি মুসলিম রিয়াসাতে মুসলিম বিরোধী রাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত গাওয়ার ইতিহাস নেই। ভারতীয় জাতীয় সংগীত গাওয়ার মাধ্যমে প্রমাণ হয়ে যায় যে, ভারত এদেশকে তাদের গোলাম মনে করে এবং গোলাম হিসেবে ঘোষণা করা সময়ের ব্যাপার মাত্র। হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগ ছিল নেহেরু ডকট্রিন বাস্তবায়নের হাতিয়ার।

অখন্ড ভারত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মাদরাসা শিক্ষাকে ধ্বংস করা, নৈতিকতা শূন্যে নিয়ে যাওয়া, জেনারেল শিক্ষাতে দুর্বল scripts দেয়া, চাকরির বাজার বৃদ্ধি না করে কথিত বিসিএস এর প্রতি মোহ তৈরি করে খুবই সূক্ষ্মভাবে দেশের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে ভারত। এতে করে দেশের বেকারত্ব বৃদ্ধির সঙ্গে নৈতিকতা শূন্যে এসে দাঁড়িয়েছে। ঐদিকে সিস্টেমে দেশের মধ্যে মাদক ছড়িয়ে দিয়ে দেশের যুব সমাজকে শারীরিক ভাবে, মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছে। এই সবই সূক্ষ্ম ব্রেইনের খেলা খেলছে ভারত এবং মায়ানমার মিলে। ভারতের উদ্দেশ্যে ছিল ধীরে ধীরে এদেশকে অখন্ড ভারতের অ‌‌্শ করা। এমতাবস্থায় অখন্ড ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন ভূলুণ্ঠিত করার জন্য জুলাই বিপ্লবের আবশ্যক ছিল।