রাষ্ট্রে পৌত্তলিক বিশ্বাস রোধের জন্য জুলাই বিপ্লবের জন্য আবশ্যিকতা
- আপডেট সময় : ১০:৫২:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫ ৯৮ বার পড়া হয়েছে
মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, একটি মুসলিম রিয়াসাতে পৌত্তলিকতার উৎসাহিত করা গর্হিত অপরাধ, কারণ মুসলিম দেশ পরিচালিত হয় মুসলমানদের করের টাকায় এমতাবস্থায় যদি কোন মুসলিম দল বা কোন শাসক পৌত্তলিকতাকে উৎসাহিত করে সে অবশ্যই মুসলমানদের সাথে গাদ্দারি করল। আওয়ামী লীগ সব সময় পৌত্তলিকতাকে উৎসাহিত করে।
পাঠক, এই সেই আওয়ামী লীগ যে একটু সুযোগ পেলেই বা্গালী জাতীয়তাবাদের নামে পৌত্তলিকতাকে উৎসাহিত করে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন কে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে কে ভাষা মিনার করে সেখানে ফুল দেয়ার মাধ্যমে পৌত্তলিকতাকে উৎসাহিত করে।
পাঠক, অতঃপর ১৯৯৬ সালে তারা বাংলাদেশের ক্ষমতায় এসে অগ্নি শিখা নামক অগ্নিপূজা শুরু করে। এই সময় মাওলানা আজিজুল হক সাহেব এই অগ্নি শিখার বিরুদ্ধে হুংকার দিলে হাসিনা সরকার অগ্নি পূজা বন্ধ করতে বাধ্য হয় ।
অতঃপর এই ২০০৯ সালে হাসিনা সরকার বাংলাদেশ ক্ষমতায় আসার পর তার পিতার মূর্তিতে সারা দেশ সয়লাব করে ফেলেছিল । এই মূর্তি পূজার বিরুদ্ধে মাওলানা মামুনুল হক হু্কার দিলে তাকে মিথ্যা মামলায় হাজতে প্রেরণ করে ।
আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতারাই ছিল পৌত্তলিক সংস্কৃতির ধারক বাহক। তাদের নেতারা এমন বক্তব্য দিয়েছে যে, অনেক সময় তাদের ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে সংশয় তৈরি হত। এমনি ভাবে শিক্ষা ব্যবস্থায় তারা সব সময় পৌত্তলিকতাকে উৎসাহিত করত ।
এমতাবস্থায় এদেশের মুসলমানদেরকে পৌত্তলিকতা হতে মুক্তির জন্য জুলাই বিপ্লব আবশ্যক ছিল।
তারিখ —-২৬.০৭.২০২৫ ইং
চলমান





















