বাংলাদেশে ভাষা ভিত্তিক আছাবিয়্যাত ও আদর্শিক লিগ্যাসির দ্বন্দ্ব
- আপডেট সময় : ০৩:২০:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫ ৪৫ বার পড়া হয়েছে
মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, আমি বিগত পর্বে লিগ্যাসি সম্পর্কে আলোচনা করেছি এবং বাংলাদেশ কোন লিগ্যাসি বহন করে বিষয়টি স্পষ্ট নয়। বাংলাদেশে মূলত ভাষা ভিত্তিক আছাবিয়্যাত ও আদর্শিক লিগ্যাসির দ্বন্দ্ব চলমান। যারা মনে করে যে, ভাষার ভিত্তিতে এদেশের জন্ম তারা কোন লিগ্যাসি ধারন করে না।
কারণ ভাষার ভিত্তিতে এই ভূখণ্ডে কখনো কোন রাজ্য ছিল না অথবা রাজ্য গঠনের উদ্যোগ ও নেয়া হয় নি।
এই ভূখণ্ডে আদর্শের ভিত্তিতে রাষ্ট্র গঠন হয়েছে অথবা করার জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। এজন্য যারা মনে করে যে, দেশটির উপাদান হল ভাষা তারা কখনো ১৯৫২ সালের আগের ইতিহাস বলবে না, ১৯৫২ সালের পূর্বে এদেশের মুসলমানদের অবস্থা কত করুন ছিল তারা ভূলেও উচ্চারন করবে না।আবার এদেশের অখন্ড ভারতের সমর্থক কিছু মৌলভী ১৯১৯ সালের পূর্বের ইতিহাস মুখে নেয় না। এই দুই শ্রেণীর লোকজন ভারতীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নে লিপ্ত। প্রথম দল অপেক্ষা দ্বিতীয় দল এদেশের মুসলমানদের অস্তিত্বের জন্য অধিকতর ক্ষতিকর ।
এদিকে আরেক গন্ড মূর্খ জাহেলে মুরাক্কাবের দল ১৯৭১ সালের সালের পূর্বের ইতিহাস উচ্চারন করে না। আবার ইসলাম পন্থীদের মধ্যে কিছু লোক আছে যারা এই ইতিহাস সম্পর্কে জাহেল । এই দুই শ্রেণীর মধ্যে দেশপ্রেম থাকলে ও যোগ্য রাহবারের অভাবে পথহারা। এই দুই শ্রেণী তাদের পূর্ব পুরুষদের অস্তিত্বের স্গ্রামের ইতিহাস জানে না। ভূল নেতূত্ব এদেরকে বিভ্রান্ত করতেছে। এই শ্রেণীর উচিত ভূল নেতূত্ব পরিহার করে মুসলিম জাতিসত্তার পতাকার নীচে সমবেত হওয়া।
বস্তুত ভাষা ভিত্তিক আছাবিয়্যাত এর কোন লিগ্যাসি অথবা আদর্শ নেই। এদের মূল উদ্দেশ্য হল ক্ষমতায় এসে লুটপাট করা এবং লুটপাটের জন্য প্রয়োজনে দেশকে অমুসলিমদের নিকট বন্ধক রাখবে। বিগত দিনের ইতিহাস আমাদেরকে তাই বলে।
পাঠক, এদেশে এখন রাজনৈতিক ময়দানে ভাষা ভিত্তিক আছাবিয়্যাত ধারী ও ইসলামী আদর্শের লিগ্যাসি বহন কারীদের দ্বন্দ্ব চলমান। তবে এদেশের মুসলমানদের অস্তিত্বের জন্য মুসলিম ও ইসলামী লিগ্যাসির বিজয় আবশ্যক। ইসলামী লিগ্যাসির বিজয়ের অন্যতম সোপান হল ১৯০৫ সালকে এদেশের ভিত্তি মূল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা ।





















