মুসলিম জাতিসত্তা এবং ১৯০৫ সালই হল বাংলাদেশের ভিত্তি মূল
- আপডেট সময় : ০২:৪১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫ ৬২ বার পড়া হয়েছে
মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, এই পর্বে আমি জাতীসত্তা (Nationhood), জাতীয়তা (Nationality) এবং জাতীয়তাবাদ (Nationalism ) সম্পর্কে আলোচনা করব। কারন এই সব বিষয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকলে আপনি মুসলিম জাতিসত্তার স্বরূপ এবং এর ভিত্তিতে বাংলাদেশ ভিত্তি মূল ১৯০৫ সাল সম্পর্কে বিভ্রান্তিতে নিপতিত হবেন ।
জাতীসত্তা (Nationhood) হল এমন একটি অনুভূতি যা কোন জনগোষ্ঠীকে আত্মরক্ষা সহ নিজেদের স্বার্থ , অস্তিত্ব সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে নেয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ স্বরূপ ১৯০৫ সালে মুসলিম স্খ্যাগরিষ্ট বে্গল আসাম প্রদেশ যা জাতি সত্তার প্রকূষ্ট উদাহরণ। ফিলিপাইনের মরো মুসলমানগণ দীর্ঘ লড়াইয়ের পর মুসলিম জাতিসত্তার ভিত্তিতে স্বায়ত্তশাসন লাভ করে।
জাতীয়তাবাদ হল যে চেতনার ভিত্তিতে কোন রাষ্ট্র গঠিত হয় যেমন ১৯৪৭ সালে মুসলিম জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা।
জাতীয়তা হল রাষ্ট্র গঠনের পর রাষ্ট্রের সব ধরনের নাগরিকদের সাধারণ পরিচিতি। উদাহরণ স্বরূপ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ সবাই পাকিস্তানী ।
জাতীসত্বা অনেক সময় রাষ্ট্র গঠনের মূল নেয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে, উদাহরণ স্বরূপ ১৯০৫ সালে মুসলিম জাতিসত্তা পরবর্তী কালে মুসলিম জাতীয়তাবাদে রূপান্তরিত হয়ে মুসলিম জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে পাকিস্তান গঠন করে।
বর্তমানে ভারতের কাশ্মীরে জাতিসত্তার ভিত্তিতে চলছে, যখন রাষ্ট্র গঠনের দিকে যাবে তখন এটি অবশ্যই মুসলিম জাতীয়তাবাদে রূপান্তরিত হবে।
বিগত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর পূর্ব ইউরোপের কমিউনিস্ট দেশগুলোতে সমাজতান্ত্রিক শক্তির পতন হয়। অতঃপর বসনিয়া প্রথমে মুসলিম জাতিসত্তার জন্য গণহত্যার শিকার হয় এবং তা মুসলিম জাতীয়তাবাদের দিকে মোড় নেয়।
মুসলিম জাতিসত্তা হল অমুসলিমদের আগ্রাসন হতে কোন মুসলিম জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব রক্ষা করাকে বুঝায়। মুসলিম জাতিসত্তা উম্মাহ কনসেপ্ট এর সহযোগী কনসেপ্ট , কারণ দারুল খেলাফত এর এলাকার বাইরে অন্যত্র বসবাসরত মুসলিম জনগোষ্ঠীর অস্তিত্বের জন্য মুসলিম জাতিসত্তা ব্যতিত সম্ভব নয়। চলমান,





















