সূদ বিহীন অর্থনীতির রূপরেখা ০১
- আপডেট সময় : ০২:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫ ১০৮ বার পড়া হয়েছে
মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: আমাদের পূরো অর্থনীতি হল সূদ ভিত্তিক। সূদের বাইরে হাতে গোনা কয়েকজন লোক পাওয়া যাবে।
অথচ সূদকে আল্লাহ নিষিদ্ধ করেছেন এবং এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। সূদকে নির্মূল করে কিভাবে সূদবিহীন ব্যাক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র গড়া আবশ্যক । এজন্য আমি প্রথমে ইউরোপীয় সূদী অর্থনীতির সাথে তূলনামূলক সোনালী দিনের মুসলমানদের কনসেপ্ট এর আলোচনা করব । আবার সূদের সাথে সা্ঘর্ষিক বিষয়াদির আলোকে অর্থনীতির নতুন শাখা সম্পর্কে আলোচনা করব। আমি পাশ্চাত্যের সূদ ভিত্তিক অর্থনীতির অসাড়তা প্রমাণ করে ইসলামের সাথে সা্ঘর্ষিক নয় অর্থনীতির আলোচনা করব ।
এখন প্রশ্ন হলো সূদ বিহীন অর্থনীতিই কি ইসলামী অর্থনীতি । তাহলে সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি ও কি ইসলামী অর্থনীতির অন্তর্ভুক্ত। উত্তর হল না। ইসলামী অর্থনীতি হল কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে প্রণীত অর্থনীতি। অর্থনীতির পরিসর অনেক ব্যাপক, যেমন রাজস্ব অর্থনীতির অংশ । আমার মূল উদ্দেশ্য হল সূদের বিকল্প একটি অর্থনীতি উপস্থাপন করা।
অর্থনীতিতে চাহিদা ও ভোগ অন্যতম মূল আলোচ্য বিষয়:-
চাহিদা ও ভোগকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
প্রথমত – জরুরিয়াত
দ্বিতীয়ত – হাজিয়াত
তূতীয়ত – তাহসিনিয়াত
জরুরিয়াত হল জীবন ধারণের জন্য অতীব প্রয়োজনীয় বিষয়াদি, যেমন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ইত্যাদি।
হাজিয়াত হল জরুরিয়াত এর পরবর্তী ধাপ। এগুলো জীবন বাঁচাতে আবশ্যক নয়, বরং একটু সুবিধা হয়। যেমন ঘরের মধ্যে একটি ফ্যান
তাহসিনিয়াত হল বিলাসীতা বা চাক চিক্যতা। যেমন বাসায় এয়ার কন্ডিশন থাকা , ইত্যাদি।





















