ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিপিসির সাড়ে তিন মাসে লোকসান ১৭ হাজার ৩৯ কোটি টাকা: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ অভিযান সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপির এমপি মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অডিও ভাইরাল: অভিযোগ অস্বীকার গাইবান্ধায় সাইফুল্লাহ হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহীতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান: অবাঞ্ছিত ঘোষণা রাজশাহী কলেজে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অত্যন্ত সুকৌশলে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে : অলি আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

রামেক হাসপাতালে গ্র্যাজুয়েট নার্সিং শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপে বৈষম্য নিরসনে স্মারকলিপি

খ্রীষ্টফার জয়
  • আপডেট সময় : ০৫:২৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৪ ২০৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গ্র্যাজুয়েট নার্সিং শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপে দীর্ঘদিন ধরে চরম বৈষম্য হয়ে আসছে। রহস্যজনক কারণে এ হাসপাতালে বন্ধ রয়েছে রাজশাহীস্থ বেসরকারি নার্সিং কলেজের বিএসসি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ। তবে এ বৈষম্য দূর করে দ্রুত ইন্টার্নশিপ চালুর দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ডাকযোগে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো স্মারকলিপিতে তারা এ দাবি জানান। এর আগে একই দাবিতে গত সোমবার রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক, রামেক হাসপাতাল পরিচালক এবংও সিভিল সার্জনেরকাছেও স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ও ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্বাধীনতা লাভ করলেও রামেক হাসপাতালে এখনো বৈষম্য রয়ে গেছে।

চার বছর মেয়াদি বিএসসি নার্সিং ও তিন বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা নার্সিং কোর্স সম্পন্ন করার পর হাসপাতালে শিক্ষার্থীদের ৬ মাস বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ করতে হয়। রাজশাহী নার্সিং কলেজ (সরকারি) থেকে বিএসসি সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা রামেক হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ করেন। তারা প্রতিজন মাসিক ৬ হাজার টাকা করে ইন্টার্ন ভাতাও পান। একইসঙ্গে বেসরকারি নার্সিং কলেজের ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরাও ইন্টার্নশিপ করে আসছেন রামেক হাসপাতালে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে বেসরকারি নার্সিং কলেজের বিএসসি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ এ হাসপাতালে বন্ধ রাখা হয়েছে। যা স্পষ্টত বৈষম্য ও অবিচার।’

শিক্ষার্থীরা বলেন, রামেক হাসপাতালে শত শত রোগী ভর্তি হন। বিএসসি শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেলে রোগীরা আরও সেবা পাবেন। তাছাড়া বিভাগীয় শহরের সরকারি হাসপাতালে নার্সিং শিক্ষার্থীরা ডিউটি, প্র্যাকটিস ও ইন্টার্নশিপ করতে পারবেন না, এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আমরা এর অবসান চাই।

এ ব্যাপারে রামেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এফএম শামীম আহমেদ বলেন,‘আমি পজিটিভ। তবে এটি আমার একক সিদ্ধান্তে সম্ভব নয়। ব্যবস্থাপনা কমিটিতে বিষয়টি তুলে ধরবো, তারা সম্মতি দিলে সম্ভব। তবে কমিটি বর্তমানে নেই, গঠন হওয়ার পর এটা সভায় তুলে ধরবো। অবশ্য স্বাস্থ্য সচিব বা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পেলে তাদের ইন্টার্নশিপ চালু করা যাবে বলেও জানান তিনি।


 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রামেক হাসপাতালে গ্র্যাজুয়েট নার্সিং শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপে বৈষম্য নিরসনে স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ০৫:২৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গ্র্যাজুয়েট নার্সিং শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপে দীর্ঘদিন ধরে চরম বৈষম্য হয়ে আসছে। রহস্যজনক কারণে এ হাসপাতালে বন্ধ রয়েছে রাজশাহীস্থ বেসরকারি নার্সিং কলেজের বিএসসি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ। তবে এ বৈষম্য দূর করে দ্রুত ইন্টার্নশিপ চালুর দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ডাকযোগে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো স্মারকলিপিতে তারা এ দাবি জানান। এর আগে একই দাবিতে গত সোমবার রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক, রামেক হাসপাতাল পরিচালক এবংও সিভিল সার্জনেরকাছেও স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ও ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্বাধীনতা লাভ করলেও রামেক হাসপাতালে এখনো বৈষম্য রয়ে গেছে।

চার বছর মেয়াদি বিএসসি নার্সিং ও তিন বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা নার্সিং কোর্স সম্পন্ন করার পর হাসপাতালে শিক্ষার্থীদের ৬ মাস বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ করতে হয়। রাজশাহী নার্সিং কলেজ (সরকারি) থেকে বিএসসি সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা রামেক হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ করেন। তারা প্রতিজন মাসিক ৬ হাজার টাকা করে ইন্টার্ন ভাতাও পান। একইসঙ্গে বেসরকারি নার্সিং কলেজের ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরাও ইন্টার্নশিপ করে আসছেন রামেক হাসপাতালে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে বেসরকারি নার্সিং কলেজের বিএসসি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ এ হাসপাতালে বন্ধ রাখা হয়েছে। যা স্পষ্টত বৈষম্য ও অবিচার।’

শিক্ষার্থীরা বলেন, রামেক হাসপাতালে শত শত রোগী ভর্তি হন। বিএসসি শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেলে রোগীরা আরও সেবা পাবেন। তাছাড়া বিভাগীয় শহরের সরকারি হাসপাতালে নার্সিং শিক্ষার্থীরা ডিউটি, প্র্যাকটিস ও ইন্টার্নশিপ করতে পারবেন না, এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আমরা এর অবসান চাই।

এ ব্যাপারে রামেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এফএম শামীম আহমেদ বলেন,‘আমি পজিটিভ। তবে এটি আমার একক সিদ্ধান্তে সম্ভব নয়। ব্যবস্থাপনা কমিটিতে বিষয়টি তুলে ধরবো, তারা সম্মতি দিলে সম্ভব। তবে কমিটি বর্তমানে নেই, গঠন হওয়ার পর এটা সভায় তুলে ধরবো। অবশ্য স্বাস্থ্য সচিব বা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পেলে তাদের ইন্টার্নশিপ চালু করা যাবে বলেও জানান তিনি।