বাংলাদেশের আদর্শিক লিগ্যাসি কি ?
- আপডেট সময় : ১১:২০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫ ৪১ বার পড়া হয়েছে
মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: বাংলাদেশের আদর্শিক লিগ্যাসি কি ?
পাঠক, বাংলাদেশের আদর্শিক লিগ্যাসি কি? এই বিষয়ে আলোচনা করার পূর্বে আদর্শিক লিগ্যাসি সম্পর্কে আলোচনা করা আবশ্যক।
পূথিবীর রাষ্ট্র সমূহের ইতিহাস পাঠ করলে আপনি দেখতে পাবেন অনেক রাষ্ট্র আদর্শিক লিগ্যাসি বহন করে। উদাহরণ স্বরূপ যুক্ত রাজ্য –প্রোটেষ্টান ধর্মীয় লিগ্যাসি বহন করে। রাশিয়া –অর্থোডক্স ধর্মীয় লিগ্যাসি বহন করে, ভ্যাটিকান– ক্যাথলিক ধর্মীয় আদর্শিক লিগ্যাসি বহন করে। ইরান —শিয়া আদর্শিক লিগ্যাসি বহন করে।
এখন প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ কোন আদর্শিক লিগ্যাসি বহন করে। ভাষা ও রক্তধারা হতে উৎসারিত আছাবিয়্যাত কখনো আদর্শিক লিগ্যাসি নয় । ভাষা ভিত্তিক আছাবিয়্যাত ও রক্ত ধারা ভিত্তিক আছাবিয়্যাত এর মধ্যে পার্থক্য হল ভাষা ভিত্তিক আছাবিয়্যাত বাহির থেকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত, পক্ষান্তরে রক্তধারা ভিত্তিক আছাবিয়্যাত ভিতর হতে উজ্জীবিত হয়ে থাকে। যদিও উভয় প্রকার আছাবিয়্যাত ইসলামে কোন স্হান নেই।
আদর্শিক লিগ্যাসি ভিতর থেকে উজ্জ্বীবিত হয়ে থাকে। পূথিবীর ভাষা ভিত্তিক রাষ্ট্র গুলো কূত্রিম ভাবে তৈরি করা হয় গোলাম হিসেবে ব্যবহার করার জন্য, উদাহরণ স্বরূপ আরব জাতীয়তাবাদের বদৌলতে মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলো খ্রিস্টানরা গোলাম হিসেবে ব্যবহার করার জন্য তৈরি করেছে। আরো অনেক মুসলিম স্খ্যা গরিষ্ঠ দেশ রয়েছে যা গঠনের মূল উদ্দেশ্য হল গোলাম হিসেবে ব্যবহার করা।
এখন প্রশ্ন হলো বাংলাদেশের আদর্শিক লিগ্যাসি কি? বাংলাদেশ তো দুইটি পৌত্তলিক সভ্যতার দ্বন্দ্বে বিজয়ী একটি দেশ যার অন্যতম লিগ্যাসি হল ১৯০৫ সালের মুসলিম স্খ্যা গরিষ্ঠ বে্গল আসাম প্রদেশ ।
ভাষা কখনো এদেশের লিগ্যাসি হতে পারে না, যদি ভাষাকে আপনি আদর্শের উপরে স্হান দেন, তাহলে এদেশের অস্তিত্ব অচিরেই বিলীন হয়ে যাবে।
কাজেই এদেশের অস্তিত্বের জন্য আদর্শিক লিগ্যাসি বহন করতে হবে আর এই আদর্শিক লিগ্যাসি হল ইসলাম তথা খিলাফত রাষ্ট্র ব্যবস্থা এবং নিকট অতীতের ১৯০৫ সালে ইসলামের ভিত্তিতে মুসলিম স্খ্যাগরিষ্ট বে্গল আসাম প্রদেশ যার ভিত্তিতে মুসলিম জাতিসত্তার পদযাত্রা।





















