ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান: অবাঞ্ছিত ঘোষণা রাজশাহী কলেজে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অত্যন্ত সুকৌশলে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে : অলি আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ কওমি মাদরাসার বাজেট ইস্যু-বিএনপি কোনো কওমের জন্য কাজ করে না : নিলোফার চৌধুরী মনি বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যার ঘটনায় ৫ জনের ফাঁসি, ৫ জনের কারাদণ্ড বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজশাহী কলেজে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে জামায়াত: সেলিম উদ্দিন মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় দুবাই ভিসা, ৪ হাজারে মিলছে থাকার হোটেল মামুনুল হককে নিয়ে আলোচনা: নিজের বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার

চিকিৎসক ডা. শিপ্রা চৌধুরীসহ ২ জনের বিরুদ্ধে রাজশাহীর আদালতে অভিযোগ দায়ের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

আসেফ আবিদ: শৈশব থেকে যাদের মা-বাবা হিসেবে জেনে বড় হয়েছেন, একদিন হঠাৎ জানতে পারলেন তারা তার জৈবিক বাবা-মা নন। এরপর পরিবর্তন করা হয় জন্মনিবন্ধন, শিক্ষাগত সনদ ও অন্যান্য সরকারি নথিতে থাকা বাবা-মায়ের পরিচয়। অভিযোগ রয়েছে, পরে তাকে বাড়ি থেকেও বের করে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে নিজের প্রকৃত পরিচয়ের সন্ধানে থাকা ক্লাউডিয়া চৌধুরী এবার আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুন) রাজশাহীর আদালতে ক্লাউডিয়া চৌধুরী নিজেই বাদী হয়ে চিকিৎসক ডা. শিপ্রা চৌধুরী এবং তার সহযোগী হিসেবে উল্লেখিত মো. নাজমুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রতারণা, জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান, অবৈধভাবে পরিচয় পরিবর্তন, জোরপূর্বক হলফনামা করানো, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জন্মনিবন্ধন সংক্রান্ত আইনের বিভিন্ন ধারা উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর বাদীপক্ষের আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট ও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট মো. হযরত আলী সাংবাদিকদের জানান, আদালত প্রাথমিকভাবে সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) রাজশাহীকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আইনজীবী বলেন, ক্লাউডিয়া চৌধুরীকে শিশুকালে অজ্ঞাত স্থান থেকে নিয়ে এসে ডা. শিপ্রা চৌধুরী নিজের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়ে লালন-পালন করেন। তবে এ ক্ষেত্রে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে অভিভাবকত্ব গ্রহণ বা সমাজসেবা অধিদপ্তরের কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, জন্মনিবন্ধন, টিকা কার্ড, নাগরিকত্ব সনদ, স্কুলের নথিপত্র, এসএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন ও প্রবেশপত্রসহ সব সরকারি ও শিক্ষাগত নথিতে দীর্ঘদিন ডা. ওবায়দুর রহমান চৌধুরী ও ডা. শিপ্রা চৌধুরীকে ক্লাউডিয়ার বাবা-মা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

কিন্তু ২০২৩ সালে হঠাৎ করে জন্মনিবন্ধনে বাবা-মায়ের নাম পরিবর্তন করে ‘মো. বাবুল’ ও ‘মোসা. টগরী বেগম’ নাম যুক্ত করা হয়, যাদের ক্লাউডিয়া কখনো দেখেননি কিংবা চিনতেন না বলে দাবি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের জুন মাসে ক্লাউডিয়াকে জোরপূর্বক আদালতে নিয়ে গিয়ে একটি হলফনামায় স্বাক্ষর করানো হয়। পরদিন তাকে জানানো হয়, তিনি পরিবারের জৈবিক সন্তান নন এবং পরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তার পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্রও ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। ফলে পরিচয় জটিলতার কারণে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি, কলেজে ভর্তি ও অন্যান্য সরকারি কার্যক্রমে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এমনকি তার শিক্ষাজীবনের একটি বছরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৮ সালে জন্মনিবন্ধন করার সময় ক্লাউডিয়ার নাম, জন্মতারিখ এবং বাবা-মায়ের পরিচয় নিয়ে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছিল। পরে ২০২৩ সালে আবার নতুন তথ্য সংযোজন করে জন্মনিবন্ধন সংশোধন করা হয়।

বাদীপক্ষের দাবি, জন্মনিবন্ধনের পাশাপাশি শিক্ষাবোর্ডের নথি, এসএসসি রেজিস্ট্রেশন ও প্রবেশপত্রেও একইভাবে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এসব পরিবর্তন ক্লাউডিয়ার অগোচরে এবং তার সম্মতি ছাড়া করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

আইনজীবী হযরত আলী দাবি করেন, মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ক্লাউডিয়ার পাসপোর্টও তৈরি করা হয়েছিল। এসব অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোর আওতায় আসামিদের বিরুদ্ধে গুরুতর শাস্তির বিধান রয়েছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনজীবী বলেন, নিজের প্রকৃত জন্মপরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য না থাকায় ক্লাউডিয়া চরম মানসিক সংকটের মধ্যে রয়েছেন।

তিনি বলেন, “একজন মানুষ যখন জানে না তার প্রকৃত বাবা-মা কে, তার পরিচয় কী, তখন তার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়াটাই স্বাভাবিক। ক্লাউডিয়া বর্তমানে পরিচয় সংকট, অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে জীবনযাপন করছেন।” বাদীপক্ষের দাবি, নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষার বিষয় বিবেচনায় সম্প্রতি ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক ক্লাউডিয়ার বিয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে।

মামলায় বর্তমানে দুইজনকে আসামি করা হলেও তদন্তের মাধ্যমে অন্য কোনো ব্যক্তি, কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী।

এদিকে আদালতের নির্দেশে পিবিআই এখন অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু করবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মামলার পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ হবে।

অভিযোগের বিষয়ে ডা. শিপ্রা চৌধুরীর বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তিনি ফোন কেটে দেন। এর আগে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দিতেও তিনি অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চিকিৎসক ডা. শিপ্রা চৌধুরীসহ ২ জনের বিরুদ্ধে রাজশাহীর আদালতে অভিযোগ দায়ের

আপডেট সময় : ০৯:২৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

আসেফ আবিদ: শৈশব থেকে যাদের মা-বাবা হিসেবে জেনে বড় হয়েছেন, একদিন হঠাৎ জানতে পারলেন তারা তার জৈবিক বাবা-মা নন। এরপর পরিবর্তন করা হয় জন্মনিবন্ধন, শিক্ষাগত সনদ ও অন্যান্য সরকারি নথিতে থাকা বাবা-মায়ের পরিচয়। অভিযোগ রয়েছে, পরে তাকে বাড়ি থেকেও বের করে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে নিজের প্রকৃত পরিচয়ের সন্ধানে থাকা ক্লাউডিয়া চৌধুরী এবার আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুন) রাজশাহীর আদালতে ক্লাউডিয়া চৌধুরী নিজেই বাদী হয়ে চিকিৎসক ডা. শিপ্রা চৌধুরী এবং তার সহযোগী হিসেবে উল্লেখিত মো. নাজমুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রতারণা, জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান, অবৈধভাবে পরিচয় পরিবর্তন, জোরপূর্বক হলফনামা করানো, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জন্মনিবন্ধন সংক্রান্ত আইনের বিভিন্ন ধারা উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর বাদীপক্ষের আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট ও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট মো. হযরত আলী সাংবাদিকদের জানান, আদালত প্রাথমিকভাবে সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) রাজশাহীকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আইনজীবী বলেন, ক্লাউডিয়া চৌধুরীকে শিশুকালে অজ্ঞাত স্থান থেকে নিয়ে এসে ডা. শিপ্রা চৌধুরী নিজের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়ে লালন-পালন করেন। তবে এ ক্ষেত্রে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে অভিভাবকত্ব গ্রহণ বা সমাজসেবা অধিদপ্তরের কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, জন্মনিবন্ধন, টিকা কার্ড, নাগরিকত্ব সনদ, স্কুলের নথিপত্র, এসএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন ও প্রবেশপত্রসহ সব সরকারি ও শিক্ষাগত নথিতে দীর্ঘদিন ডা. ওবায়দুর রহমান চৌধুরী ও ডা. শিপ্রা চৌধুরীকে ক্লাউডিয়ার বাবা-মা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

কিন্তু ২০২৩ সালে হঠাৎ করে জন্মনিবন্ধনে বাবা-মায়ের নাম পরিবর্তন করে ‘মো. বাবুল’ ও ‘মোসা. টগরী বেগম’ নাম যুক্ত করা হয়, যাদের ক্লাউডিয়া কখনো দেখেননি কিংবা চিনতেন না বলে দাবি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের জুন মাসে ক্লাউডিয়াকে জোরপূর্বক আদালতে নিয়ে গিয়ে একটি হলফনামায় স্বাক্ষর করানো হয়। পরদিন তাকে জানানো হয়, তিনি পরিবারের জৈবিক সন্তান নন এবং পরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তার পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্রও ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। ফলে পরিচয় জটিলতার কারণে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি, কলেজে ভর্তি ও অন্যান্য সরকারি কার্যক্রমে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এমনকি তার শিক্ষাজীবনের একটি বছরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৮ সালে জন্মনিবন্ধন করার সময় ক্লাউডিয়ার নাম, জন্মতারিখ এবং বাবা-মায়ের পরিচয় নিয়ে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছিল। পরে ২০২৩ সালে আবার নতুন তথ্য সংযোজন করে জন্মনিবন্ধন সংশোধন করা হয়।

বাদীপক্ষের দাবি, জন্মনিবন্ধনের পাশাপাশি শিক্ষাবোর্ডের নথি, এসএসসি রেজিস্ট্রেশন ও প্রবেশপত্রেও একইভাবে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এসব পরিবর্তন ক্লাউডিয়ার অগোচরে এবং তার সম্মতি ছাড়া করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

আইনজীবী হযরত আলী দাবি করেন, মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ক্লাউডিয়ার পাসপোর্টও তৈরি করা হয়েছিল। এসব অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোর আওতায় আসামিদের বিরুদ্ধে গুরুতর শাস্তির বিধান রয়েছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনজীবী বলেন, নিজের প্রকৃত জন্মপরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য না থাকায় ক্লাউডিয়া চরম মানসিক সংকটের মধ্যে রয়েছেন।

তিনি বলেন, “একজন মানুষ যখন জানে না তার প্রকৃত বাবা-মা কে, তার পরিচয় কী, তখন তার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়াটাই স্বাভাবিক। ক্লাউডিয়া বর্তমানে পরিচয় সংকট, অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে জীবনযাপন করছেন।” বাদীপক্ষের দাবি, নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষার বিষয় বিবেচনায় সম্প্রতি ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক ক্লাউডিয়ার বিয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে।

মামলায় বর্তমানে দুইজনকে আসামি করা হলেও তদন্তের মাধ্যমে অন্য কোনো ব্যক্তি, কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী।

এদিকে আদালতের নির্দেশে পিবিআই এখন অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু করবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মামলার পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ হবে।

অভিযোগের বিষয়ে ডা. শিপ্রা চৌধুরীর বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তিনি ফোন কেটে দেন। এর আগে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দিতেও তিনি অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।