ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তানোরে তৃণমূল পর্যায়ে চেয়ারম্যান ময়নার উপরেই আস্থা

সারোয়ার হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৪:১০:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪ ২৫১ বার পড়া হয়েছে

তানোর প্রতিনিধি:


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গত ৭ জানুয়ারি শেষ হয়েছে। এবার দোড় গড়াই কড়া নাড়ছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে রাজশাহীর তানোর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার বিকল্প ভাবছেন তৃনমুলের নেতাকর্মীরা। কারন হিসেবে নানান দিক বিবেচনা করা হয়েছে। লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বিগত ২০১৯ সালের নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা পেয়ে প্রথমবারের মত উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। যার কারনে তরুন উদীয়মান ময়নার উপরেই আস্থা বিশ্বাস নেতাকর্মী দের। দেখার বিষয় কে পাচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন। তবে ময়নার বিকল্প ভাবতেই নারাজ নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, বিগত সময়ে এউপজেলায় আওয়ামী যুবলীগের তেমন ভাবে সাংগঠনিক কাঠামো ছিল না। কিন্তু চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হয়ে দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করেছেন। যা প্রতিটি নির্বাচনে যুবলীগের ভূমিকাও চোখে পড়ার মত। প্রতি ইউনিয়ন ও পৌরসভা এবং ওয়ার্ডে রয়েছে যুবলীগের শক্তিশালী নেতৃত্ব। যার কারনে যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বিগত ২০১১ সাল থেকে জনপ্রতিনিধির চেয়ারে রয়েছেন। ২০১১ সালে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে কলমা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপির) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার সাংগঠনিক গতিশীলতা যেমন রয়েছে, ঠিক তেমনিভাবে জনপ্রতিনিধি হিসেবেও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

তালন্দ ইউপির যুবলীগ সভাপতি মুখলেসুর বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না যোগ্য নেতা। তার কোন বিকল্প নেই। অনেক নেতা চেয়ার পেয়ে দলের সাথে বা নৌকা ফুটো করতে মরিয়া হয়ে পড়েন। কিন্তু ব্যতিক্রম ময়না। তিনি স্থানীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে জাতীয় নির্বাচনেও নৌকা বা দলের প্রার্থীর জন্য অবিরাম মাঠে কাজ করেন। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ময়নায় দলের যোগ্য প্রার্থী।

উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম বলেন, আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার বিকল্প নেই। তিনি কত দক্ষ সংগঠক সেটা তার সাংগঠনিক কাঠামোতেই বোঝা যায়। তিনি যুবলীগকে যেভাবে প্রতিষ্ঠিত ও শক্তিশালী করেছেন সেটা কল্পনাতীত। ময়না ভাই যেভাবে সংগঠন নিয়ে চিন্তা ভাবনা করেন অন্যরা করেন কিনা সন্দেহের ব্যাপার। সবচেয়ে বড় ব্যাপার তিনি এমপি ফারুক চৌধুরীর অত্যান্ত আস্থাভাজন বিশ্বস্ত সৈনিক। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও ময়নাকে নিয়েই ভোট করতে চায় তৃনমুলের নেতাকর্মীরা।

তৃণমূলের ভাষ্য, বিগত ২০০৩ সালে এমপি ফারুক চৌধুরী যুবলীগ কে সুসংগঠিত করার জন্য উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেন লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না কে। আর সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ওহাব হোসেন লালু। কিন্তু চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না তার নিজ দক্ষতায় শুধু যুবলীগকে না আ”লীগ ও সহযোগী সংগঠনকেও গতিশীল করতে যাযা করনীয় করে থাকেন। বিশেষ করে রাজনীতির মাঠে ময়না ছাড়া বেমানান। আবার যে কোন ভোট আসলেই ময়না ছাড়া মাঠ গরম হয় না। এমনকি নেতাকর্মী থেকে শুরু করে আপামর জনতার জন্য চেয়ারম্যান ময়নার দরজা উন্মুক্ত থাকে। দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রানের স্পন্দন ময়না। বর্তমান সরকারের সময় বিগত ২০০৯ ও ২০১৪ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী পরাজিত হয়। অথচ বিগত ২০১৯ সালের নির্বাচনে প্রথমবারের মত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেয়ে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তরুণ উদীয়মান নেতা লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না।

সুত্র মতে, বিগত ২০১১ সালে প্রথমবারের মত উপজেলার কলমা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে কলমা ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। এরপরে ২০১৬ সালে পুনরায় মনোনায়ন পেয়ে দ্বিতীয় বারের মত কলমা ইউপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ময়না। এর আগে ২০১৫ সালে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি । বর্তমানে যুবলীগের সভাপতি পদে আছেন লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না।

লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হয়ে আছি। দলীয় মনোনয়ন চাওয়া এবং পাওয়াটাই স্বাভাবিক। কারন দলের দায়িত্বে আসার পর থেকে অদ্যবদি নৌকার বিপক্ষে কোন কাজ করিনি। আমি যুবলীগের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে দলকে কিভাবে শক্তিশালী করেছে সেটা সবার জানা। সংগঠন কে শক্তিশালী করেছিলাম বলেই সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছি। উপজেলার ৮১ টি ওয়ার্ডে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি করা আছে। আমি প্রায়দিন দলীয় সভা ও মিটিং করে থাকি। প্রতিটি পাড়া মহল্লায় ও প্রতিটি ঘরেঘরে যুবলীগ তৈরি করা আছে। মনোনয়নের বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরের চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, আমি একশত ভাগ আশাবাদী। না পাওয়ার কোনই কারন দেখছিনা। এমনকি সিনিয়র, জুনিয়র ও তৃনমুল চেয়ে আছে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আমাকে নিয়েই করতে চায়। তারপরও আওয়ামী লীগ বৃহত্তর সংগঠন এটাও মাথায় রাখতে হবে।


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি

 

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তানোরে তৃণমূল পর্যায়ে চেয়ারম্যান ময়নার উপরেই আস্থা

আপডেট সময় : ০৪:১০:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪

তানোর প্রতিনিধি:


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গত ৭ জানুয়ারি শেষ হয়েছে। এবার দোড় গড়াই কড়া নাড়ছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে রাজশাহীর তানোর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার বিকল্প ভাবছেন তৃনমুলের নেতাকর্মীরা। কারন হিসেবে নানান দিক বিবেচনা করা হয়েছে। লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বিগত ২০১৯ সালের নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা পেয়ে প্রথমবারের মত উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। যার কারনে তরুন উদীয়মান ময়নার উপরেই আস্থা বিশ্বাস নেতাকর্মী দের। দেখার বিষয় কে পাচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন। তবে ময়নার বিকল্প ভাবতেই নারাজ নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, বিগত সময়ে এউপজেলায় আওয়ামী যুবলীগের তেমন ভাবে সাংগঠনিক কাঠামো ছিল না। কিন্তু চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হয়ে দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করেছেন। যা প্রতিটি নির্বাচনে যুবলীগের ভূমিকাও চোখে পড়ার মত। প্রতি ইউনিয়ন ও পৌরসভা এবং ওয়ার্ডে রয়েছে যুবলীগের শক্তিশালী নেতৃত্ব। যার কারনে যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বিগত ২০১১ সাল থেকে জনপ্রতিনিধির চেয়ারে রয়েছেন। ২০১১ সালে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে কলমা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপির) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার সাংগঠনিক গতিশীলতা যেমন রয়েছে, ঠিক তেমনিভাবে জনপ্রতিনিধি হিসেবেও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

তালন্দ ইউপির যুবলীগ সভাপতি মুখলেসুর বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না যোগ্য নেতা। তার কোন বিকল্প নেই। অনেক নেতা চেয়ার পেয়ে দলের সাথে বা নৌকা ফুটো করতে মরিয়া হয়ে পড়েন। কিন্তু ব্যতিক্রম ময়না। তিনি স্থানীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে জাতীয় নির্বাচনেও নৌকা বা দলের প্রার্থীর জন্য অবিরাম মাঠে কাজ করেন। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ময়নায় দলের যোগ্য প্রার্থী।

উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম বলেন, আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার বিকল্প নেই। তিনি কত দক্ষ সংগঠক সেটা তার সাংগঠনিক কাঠামোতেই বোঝা যায়। তিনি যুবলীগকে যেভাবে প্রতিষ্ঠিত ও শক্তিশালী করেছেন সেটা কল্পনাতীত। ময়না ভাই যেভাবে সংগঠন নিয়ে চিন্তা ভাবনা করেন অন্যরা করেন কিনা সন্দেহের ব্যাপার। সবচেয়ে বড় ব্যাপার তিনি এমপি ফারুক চৌধুরীর অত্যান্ত আস্থাভাজন বিশ্বস্ত সৈনিক। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও ময়নাকে নিয়েই ভোট করতে চায় তৃনমুলের নেতাকর্মীরা।

তৃণমূলের ভাষ্য, বিগত ২০০৩ সালে এমপি ফারুক চৌধুরী যুবলীগ কে সুসংগঠিত করার জন্য উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেন লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না কে। আর সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ওহাব হোসেন লালু। কিন্তু চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না তার নিজ দক্ষতায় শুধু যুবলীগকে না আ”লীগ ও সহযোগী সংগঠনকেও গতিশীল করতে যাযা করনীয় করে থাকেন। বিশেষ করে রাজনীতির মাঠে ময়না ছাড়া বেমানান। আবার যে কোন ভোট আসলেই ময়না ছাড়া মাঠ গরম হয় না। এমনকি নেতাকর্মী থেকে শুরু করে আপামর জনতার জন্য চেয়ারম্যান ময়নার দরজা উন্মুক্ত থাকে। দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রানের স্পন্দন ময়না। বর্তমান সরকারের সময় বিগত ২০০৯ ও ২০১৪ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী পরাজিত হয়। অথচ বিগত ২০১৯ সালের নির্বাচনে প্রথমবারের মত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেয়ে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তরুণ উদীয়মান নেতা লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না।

সুত্র মতে, বিগত ২০১১ সালে প্রথমবারের মত উপজেলার কলমা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে কলমা ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। এরপরে ২০১৬ সালে পুনরায় মনোনায়ন পেয়ে দ্বিতীয় বারের মত কলমা ইউপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ময়না। এর আগে ২০১৫ সালে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি । বর্তমানে যুবলীগের সভাপতি পদে আছেন লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না।

লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হয়ে আছি। দলীয় মনোনয়ন চাওয়া এবং পাওয়াটাই স্বাভাবিক। কারন দলের দায়িত্বে আসার পর থেকে অদ্যবদি নৌকার বিপক্ষে কোন কাজ করিনি। আমি যুবলীগের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে দলকে কিভাবে শক্তিশালী করেছে সেটা সবার জানা। সংগঠন কে শক্তিশালী করেছিলাম বলেই সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছি। উপজেলার ৮১ টি ওয়ার্ডে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি করা আছে। আমি প্রায়দিন দলীয় সভা ও মিটিং করে থাকি। প্রতিটি পাড়া মহল্লায় ও প্রতিটি ঘরেঘরে যুবলীগ তৈরি করা আছে। মনোনয়নের বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরের চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, আমি একশত ভাগ আশাবাদী। না পাওয়ার কোনই কারন দেখছিনা। এমনকি সিনিয়র, জুনিয়র ও তৃনমুল চেয়ে আছে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আমাকে নিয়েই করতে চায়। তারপরও আওয়ামী লীগ বৃহত্তর সংগঠন এটাও মাথায় রাখতে হবে।


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি